অসুস্থ ব্যক্তি ইশারাও নামাজ আদায় করতে না পারলে ইসলামের বিধান কী?

অসুস্থ ব্যক্তি ইশারাও নামাজ আদায় করতে না পারলে ইসলামের বিধান কী?
সিজেডএন ডেস্ক

ইসলাম ধর্মে ঈমানের পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো সালাত বা নামাজ। পরকালীন মুক্তি ও সফলতার জন্য একমাত্র মাধ্যম নামাজ। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম ভিত্তি নামাজ। কিয়ামতের ময়দানে মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দার আমলনামার মধ্যে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব গ্রহণ করবেন। ইসলামি বিধান অনুযায়ী নামাজ বেহেশতের চাবিকাঠি। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য নামাজ আদায় করা ফরজ।
পবিত্র কুরআনে ৮২ বারের মতো সালাতের কথা এসেছে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তাদেরকে এ ছাড়া অন্য কোন হুকুমই দেওয়া হয়নি যে, তারা আল্লাহর ইবাদত করবে খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে তার আনুগত্যের মাধ্যমে। আর তারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে আর জাকাত দিবে। আর এটাই সঠিক সুদৃঢ় দ্বীন।’ (সুরা আল-বায়্যিনাহ, আয়াত: ০৫)
সূরা আনকাবুতের ৪৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কর্ম থেকে বিরত রাখে।’
সূরা বাকারার ৪৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর নামায কায়েম করো, যাকাত দাও এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে যারা অবনত হয়।’
একই সূরার ৪৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য চাও। অবশ্যই তা কঠিন। কিন্তু বিনয়ীদের পক্ষেই তা সম্ভব।’
সর্বাবস্থায় প্রত্যেক মুমিনের ওপর সালাত আদায় করা অত্যাবশক। কেউ অসুস্থ হয়ে গেলেও তাকে নামাজ আদায় করতে হবে। তবে তখন নামাজ আদায়ের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা আসবে।
অসুস্থ ব্যক্তির নামাজ সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ো, যদি না পারো তাহলে বসে নামাজ পড়ো, যদি তাও না পারো, তাহলে ইশারা করে নামাজ আদায় করো। (বুখারি, হাদিস: ১০৫০)
এই হাসিদের মাধ্যমে নামাজের গুরুত্ব বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ অসুস্থ অবস্থায়ও নামাজ ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
তবে এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে অক্ষম, সে বসে বসে রুকু-সিজদা আদায় করে নামাজ পড়বে। বসে রুকু-সিজদা আদায়কারী নামাজে রুকুর তুলনায় সিজদায় সামান্য বেশি ঝুঁকবে।
অসুস্থতার কারণে বসে নামাজ পড়তে অপারগ হলে, শুয়ে ইশারার মাধ্যমে নামাজ পড়বে। এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে পশ্চিম দিকে মুখ করে শোয়াতে হবে। মাথা সামান্য উঁচু রাখতে হবে যাতে চেহারা কিবলার দিকে থাকে। এরপর ইশারা করে রুকু-সিজদা করবে। তখন যদি অন্তত মাথা দিয়েও ইশারা করা হয়- তা রুকু-সিজদা আদায় হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
অসুস্থ ব্যক্তি ইশারা করেও নামাজ আদায় করতে না পারলে কী করবেন?
যদি কেউ অসুস্থতার কারণে রুকু-সিজদার জন্য মাথা দিয়ে ইশারা করে নামাজ আদায় করতে অক্ষম হন- তাহলে এ অবস্থা কতক্ষণ থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি পাঁচ ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর অবস্থার উন্নতি হয়, তাহলে ওই সব নামাজ মাথা দিয়ে ইশারা করে কাযা আদায় করবে। আর যদি এর চেয়ে বেশি সময়েও উন্নতি না হয়, তাহলে ওই নামাজ কাযা আদায় করতে হবে না। (মুআত্তা মুহাম্মদ, হাদিস : ২৭৮; দারাকুতনি, হাদিস : ১৮৮৩)
অর্থাৎ যদি ইশারা করারও ক্ষমতা না থাকে এবং এ অবস্থায় একদিন একরাতের চেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে যায়, তাহলে এ সময়ে ছুটে যাওয়া নামাজগুলোর কাযা করতে হবে না।

ইসলাম ধর্মে ঈমানের পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো সালাত বা নামাজ। পরকালীন মুক্তি ও সফলতার জন্য একমাত্র মাধ্যম নামাজ। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম ভিত্তি নামাজ। কিয়ামতের ময়দানে মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দার আমলনামার মধ্যে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব গ্রহণ করবেন। ইসলামি বিধান অনুযায়ী নামাজ বেহেশতের চাবিকাঠি। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য নামাজ আদায় করা ফরজ।
পবিত্র কুরআনে ৮২ বারের মতো সালাতের কথা এসেছে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তাদেরকে এ ছাড়া অন্য কোন হুকুমই দেওয়া হয়নি যে, তারা আল্লাহর ইবাদত করবে খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে তার আনুগত্যের মাধ্যমে। আর তারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে আর জাকাত দিবে। আর এটাই সঠিক সুদৃঢ় দ্বীন।’ (সুরা আল-বায়্যিনাহ, আয়াত: ০৫)
সূরা আনকাবুতের ৪৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কর্ম থেকে বিরত রাখে।’
সূরা বাকারার ৪৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর নামায কায়েম করো, যাকাত দাও এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে যারা অবনত হয়।’
একই সূরার ৪৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য চাও। অবশ্যই তা কঠিন। কিন্তু বিনয়ীদের পক্ষেই তা সম্ভব।’
সর্বাবস্থায় প্রত্যেক মুমিনের ওপর সালাত আদায় করা অত্যাবশক। কেউ অসুস্থ হয়ে গেলেও তাকে নামাজ আদায় করতে হবে। তবে তখন নামাজ আদায়ের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা আসবে।
অসুস্থ ব্যক্তির নামাজ সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ো, যদি না পারো তাহলে বসে নামাজ পড়ো, যদি তাও না পারো, তাহলে ইশারা করে নামাজ আদায় করো। (বুখারি, হাদিস: ১০৫০)
এই হাসিদের মাধ্যমে নামাজের গুরুত্ব বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ অসুস্থ অবস্থায়ও নামাজ ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
তবে এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে অক্ষম, সে বসে বসে রুকু-সিজদা আদায় করে নামাজ পড়বে। বসে রুকু-সিজদা আদায়কারী নামাজে রুকুর তুলনায় সিজদায় সামান্য বেশি ঝুঁকবে।
অসুস্থতার কারণে বসে নামাজ পড়তে অপারগ হলে, শুয়ে ইশারার মাধ্যমে নামাজ পড়বে। এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে পশ্চিম দিকে মুখ করে শোয়াতে হবে। মাথা সামান্য উঁচু রাখতে হবে যাতে চেহারা কিবলার দিকে থাকে। এরপর ইশারা করে রুকু-সিজদা করবে। তখন যদি অন্তত মাথা দিয়েও ইশারা করা হয়- তা রুকু-সিজদা আদায় হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
অসুস্থ ব্যক্তি ইশারা করেও নামাজ আদায় করতে না পারলে কী করবেন?
যদি কেউ অসুস্থতার কারণে রুকু-সিজদার জন্য মাথা দিয়ে ইশারা করে নামাজ আদায় করতে অক্ষম হন- তাহলে এ অবস্থা কতক্ষণ থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি পাঁচ ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর অবস্থার উন্নতি হয়, তাহলে ওই সব নামাজ মাথা দিয়ে ইশারা করে কাযা আদায় করবে। আর যদি এর চেয়ে বেশি সময়েও উন্নতি না হয়, তাহলে ওই নামাজ কাযা আদায় করতে হবে না। (মুআত্তা মুহাম্মদ, হাদিস : ২৭৮; দারাকুতনি, হাদিস : ১৮৮৩)
অর্থাৎ যদি ইশারা করারও ক্ষমতা না থাকে এবং এ অবস্থায় একদিন একরাতের চেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে যায়, তাহলে এ সময়ে ছুটে যাওয়া নামাজগুলোর কাযা করতে হবে না।

অসুস্থ ব্যক্তি ইশারাও নামাজ আদায় করতে না পারলে ইসলামের বিধান কী?
সিজেডএন ডেস্ক

ইসলাম ধর্মে ঈমানের পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো সালাত বা নামাজ। পরকালীন মুক্তি ও সফলতার জন্য একমাত্র মাধ্যম নামাজ। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম ভিত্তি নামাজ। কিয়ামতের ময়দানে মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দার আমলনামার মধ্যে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব গ্রহণ করবেন। ইসলামি বিধান অনুযায়ী নামাজ বেহেশতের চাবিকাঠি। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য নামাজ আদায় করা ফরজ।
পবিত্র কুরআনে ৮২ বারের মতো সালাতের কথা এসেছে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তাদেরকে এ ছাড়া অন্য কোন হুকুমই দেওয়া হয়নি যে, তারা আল্লাহর ইবাদত করবে খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে তার আনুগত্যের মাধ্যমে। আর তারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে আর জাকাত দিবে। আর এটাই সঠিক সুদৃঢ় দ্বীন।’ (সুরা আল-বায়্যিনাহ, আয়াত: ০৫)
সূরা আনকাবুতের ৪৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কর্ম থেকে বিরত রাখে।’
সূরা বাকারার ৪৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর নামায কায়েম করো, যাকাত দাও এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে যারা অবনত হয়।’
একই সূরার ৪৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য চাও। অবশ্যই তা কঠিন। কিন্তু বিনয়ীদের পক্ষেই তা সম্ভব।’
সর্বাবস্থায় প্রত্যেক মুমিনের ওপর সালাত আদায় করা অত্যাবশক। কেউ অসুস্থ হয়ে গেলেও তাকে নামাজ আদায় করতে হবে। তবে তখন নামাজ আদায়ের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা আসবে।
অসুস্থ ব্যক্তির নামাজ সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ো, যদি না পারো তাহলে বসে নামাজ পড়ো, যদি তাও না পারো, তাহলে ইশারা করে নামাজ আদায় করো। (বুখারি, হাদিস: ১০৫০)
এই হাসিদের মাধ্যমে নামাজের গুরুত্ব বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ অসুস্থ অবস্থায়ও নামাজ ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
তবে এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে অক্ষম, সে বসে বসে রুকু-সিজদা আদায় করে নামাজ পড়বে। বসে রুকু-সিজদা আদায়কারী নামাজে রুকুর তুলনায় সিজদায় সামান্য বেশি ঝুঁকবে।
অসুস্থতার কারণে বসে নামাজ পড়তে অপারগ হলে, শুয়ে ইশারার মাধ্যমে নামাজ পড়বে। এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে পশ্চিম দিকে মুখ করে শোয়াতে হবে। মাথা সামান্য উঁচু রাখতে হবে যাতে চেহারা কিবলার দিকে থাকে। এরপর ইশারা করে রুকু-সিজদা করবে। তখন যদি অন্তত মাথা দিয়েও ইশারা করা হয়- তা রুকু-সিজদা আদায় হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
অসুস্থ ব্যক্তি ইশারা করেও নামাজ আদায় করতে না পারলে কী করবেন?
যদি কেউ অসুস্থতার কারণে রুকু-সিজদার জন্য মাথা দিয়ে ইশারা করে নামাজ আদায় করতে অক্ষম হন- তাহলে এ অবস্থা কতক্ষণ থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি পাঁচ ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর অবস্থার উন্নতি হয়, তাহলে ওই সব নামাজ মাথা দিয়ে ইশারা করে কাযা আদায় করবে। আর যদি এর চেয়ে বেশি সময়েও উন্নতি না হয়, তাহলে ওই নামাজ কাযা আদায় করতে হবে না। (মুআত্তা মুহাম্মদ, হাদিস : ২৭৮; দারাকুতনি, হাদিস : ১৮৮৩)
অর্থাৎ যদি ইশারা করারও ক্ষমতা না থাকে এবং এ অবস্থায় একদিন একরাতের চেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে যায়, তাহলে এ সময়ে ছুটে যাওয়া নামাজগুলোর কাযা করতে হবে না।

জুমার নামাজের আগে চার রাকাত ‘কাবলাল জুমা’ সুন্ননের বিধান কী
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের ৩ উপকার







