আজ শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব

সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক
আজ শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব
দেবী কালীর প্রতিমা। ছবি: সিটিজেন জার্নাল টোয়েন্টিফোর

হেমন্তের শিশিরভেজা অমাবস্যার রাতে রবিবার (৮ নভেম্বর) আলোর উৎসবে মাতবে সনাতন ধর্মালম্বীরা। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে পবিত্র দীপাবলি ও শ্যামাপূজা।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠার প্রতীক এই উৎসব। তাই দীপাবলি উপলক্ষে সনাতন ধর্মালম্বীদের বাড়িঘর ও মন্দির সাজানো হবে আলোর বর্ণিল আয়োজনে। উপবাস, পূজা-অর্চনা, নৈবেদ্য নিবেদন এবং সন্ধ্যার আরতির মধ্য দিয়ে প্রার্থনা করা হবে অন্ধকার দূর হয়ে জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ নেমে আসার।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, রবিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দীপাবলি উপলক্ষে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হবে। অন্যদিকে, রাতের গভীরে অনুষ্ঠিত হবে শ্যামাপূজা। হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি শিখ ও জৈন ধর্মাবলম্বীরাও সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলি উদযাপন করবেন।

‘দীপাবলি’ শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত ভাষা থেকে। এর অর্থ প্রদীপের সারি। হিন্দিতে উৎসবটি ‘দিওয়ালি’ নামে পরিচিত। মূলত অন্ধকারের ওপর আলোর, অশুভের ওপর শুভের এবং অন্যায়ের বিপরীতে ন্যায়ের বিজয়ের বার্তা বহন করে এই উৎসব।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, দেবী কালী শক্তির প্রতীক এবং দুর্গারই এক বিশেষ রূপ। সংস্কৃত ‘কাল’ শব্দের সঙ্গে কালী নামের সম্পর্ক রয়েছে। কালীপূজার মূল তাৎপর্য হলো জগতের সব অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠা। অগ্নির সঙ্গে দেবী কালীর আধ্যাত্মিক সম্পর্কও হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে। ভক্তদের কাছে তিনি শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুণ্ডি, ভদ্রকালী ও মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পূজিত হন। মাতৃশক্তির আরাধনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন শ্যামাপূজা। আর এই পূজাকে ঘিরে দীপাবলির আলোকসজ্জা উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

/এসবি/