নজর লাগা থেকে বাঁচতে কালো সুতা বাঁধা, ইসলাম কী বলে?

নজর লাগা থেকে বাঁচতে কালো সুতা বাঁধা, ইসলাম কী বলে?
সিজেডএন ডেস্ক

নজর লাগার আশঙ্কায় অনেকেই হাতে, পায়ে বা গলায় কালো সুতা বাঁধেন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এমনটি বেশি দেখা যায়। কারো বিশ্বাস, এই সুতা বদনজর থেকে রক্ষা করে। আবার কেউ কোরআনের আয়াত পড়ে সুতায় ফুঁ দিয়ে তা ব্যবহার করেন। প্রশ্ন হলো, নজর থেকে বাঁচতে কালো সুতা ব্যবহারের বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী?
নজর লাগা সত্য
ইসলাম নজর লাগার বিষয়টি অস্বীকার করে না। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বদনজর লাগা সত্য।’ (সহিহ বুখারি: ৫৭৪০) তবে মুমিনের বিশ্বাস হলো, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো ক্ষতি সংঘটিত হতে পারে না। তাই নজর থেকে বাঁচার ক্ষেত্রেও আশ্রয় চাইতে হবে আল্লাহর কাছেই।
কালো সুতা কি সুরক্ষা দেয়?
কালো সুতা নিজস্ব ক্ষমতায় নজর বা অকল্যাণ থেকে রক্ষা করে না। কোরআন বা নির্ভরযোগ্য হাদিসে এর স্বপক্ষে কোনো দলিল নেই। এরকম কিছু বিশ্বাস করতে হলে তার পক্ষে শরিয়তসম্মত দলিল বা প্রমাণিত কারণ থাকা প্রয়োজন।
রাসুলুল্লাহ (স.) এক ব্যক্তির হাতে একটি ধাতব বালা দেখে এর কারণ জানতে চেয়েছিলেন। লোকটি জানায়, এটি দুর্বলতার জন্য পরেছে। তখন নবীজি (স.) সেটি খুলে ফেলতে বলেন এবং সতর্ক করেন যে, এটি তার দুর্বলতাই বাড়াবে। (মুসনাদ আহমদ: ১৯৪৯৯) এ থেকে বোঝা যায়, সুরক্ষা বা অকল্যাণ দূর করার জন্য কোনো বস্তুর ওপর নির্ভর করার বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম ও মাসনুন দোয়া পড়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এবং রোগ বা নজরের ক্ষেত্রে রুকইয়া করা শরিয়তসম্মত। এখানে ভরসা থাকে আল্লাহর ওপর, কোনো বস্তুতে নয়।
তবে কোরআন পড়ে সুতায় ফুঁ দিয়ে সেটি সুরক্ষার জন্য শরীরে বাঁধার বিষয়টি রুকইয়ার সঙ্গে এক নয়। এটি তাবিজ ব্যবহারের আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত। কোরআনের আয়াত বা দোয়া লেখা তাবিজের বিধান নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য আলেমের মতামত অনুসরণ করা উত্তম।
মূল বিষয় হলো- রুকইয়ায় আশ্রয় চাওয়া হয় আল্লাহর কাছে, অন্যদিকে কোনো বস্তুকে রক্ষাকারী মনে করা ইসলামি আকিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
নজর ও অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো সুরা ফালাক ও সুরা নাস পাঠ করা। রাসুলুল্লাহ (স.) সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। তাই নজরের আশঙ্কায় কোনো বস্তুর ওপর নির্ভর না করে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এবং মাসনুন আমল করা উচিত।

নজর লাগার আশঙ্কায় অনেকেই হাতে, পায়ে বা গলায় কালো সুতা বাঁধেন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এমনটি বেশি দেখা যায়। কারো বিশ্বাস, এই সুতা বদনজর থেকে রক্ষা করে। আবার কেউ কোরআনের আয়াত পড়ে সুতায় ফুঁ দিয়ে তা ব্যবহার করেন। প্রশ্ন হলো, নজর থেকে বাঁচতে কালো সুতা ব্যবহারের বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী?
নজর লাগা সত্য
ইসলাম নজর লাগার বিষয়টি অস্বীকার করে না। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বদনজর লাগা সত্য।’ (সহিহ বুখারি: ৫৭৪০) তবে মুমিনের বিশ্বাস হলো, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো ক্ষতি সংঘটিত হতে পারে না। তাই নজর থেকে বাঁচার ক্ষেত্রেও আশ্রয় চাইতে হবে আল্লাহর কাছেই।
কালো সুতা কি সুরক্ষা দেয়?
কালো সুতা নিজস্ব ক্ষমতায় নজর বা অকল্যাণ থেকে রক্ষা করে না। কোরআন বা নির্ভরযোগ্য হাদিসে এর স্বপক্ষে কোনো দলিল নেই। এরকম কিছু বিশ্বাস করতে হলে তার পক্ষে শরিয়তসম্মত দলিল বা প্রমাণিত কারণ থাকা প্রয়োজন।
রাসুলুল্লাহ (স.) এক ব্যক্তির হাতে একটি ধাতব বালা দেখে এর কারণ জানতে চেয়েছিলেন। লোকটি জানায়, এটি দুর্বলতার জন্য পরেছে। তখন নবীজি (স.) সেটি খুলে ফেলতে বলেন এবং সতর্ক করেন যে, এটি তার দুর্বলতাই বাড়াবে। (মুসনাদ আহমদ: ১৯৪৯৯) এ থেকে বোঝা যায়, সুরক্ষা বা অকল্যাণ দূর করার জন্য কোনো বস্তুর ওপর নির্ভর করার বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম ও মাসনুন দোয়া পড়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এবং রোগ বা নজরের ক্ষেত্রে রুকইয়া করা শরিয়তসম্মত। এখানে ভরসা থাকে আল্লাহর ওপর, কোনো বস্তুতে নয়।
তবে কোরআন পড়ে সুতায় ফুঁ দিয়ে সেটি সুরক্ষার জন্য শরীরে বাঁধার বিষয়টি রুকইয়ার সঙ্গে এক নয়। এটি তাবিজ ব্যবহারের আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত। কোরআনের আয়াত বা দোয়া লেখা তাবিজের বিধান নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য আলেমের মতামত অনুসরণ করা উত্তম।
মূল বিষয় হলো- রুকইয়ায় আশ্রয় চাওয়া হয় আল্লাহর কাছে, অন্যদিকে কোনো বস্তুকে রক্ষাকারী মনে করা ইসলামি আকিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
নজর ও অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো সুরা ফালাক ও সুরা নাস পাঠ করা। রাসুলুল্লাহ (স.) সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। তাই নজরের আশঙ্কায় কোনো বস্তুর ওপর নির্ভর না করে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এবং মাসনুন আমল করা উচিত।

নজর লাগা থেকে বাঁচতে কালো সুতা বাঁধা, ইসলাম কী বলে?
সিজেডএন ডেস্ক

নজর লাগার আশঙ্কায় অনেকেই হাতে, পায়ে বা গলায় কালো সুতা বাঁধেন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এমনটি বেশি দেখা যায়। কারো বিশ্বাস, এই সুতা বদনজর থেকে রক্ষা করে। আবার কেউ কোরআনের আয়াত পড়ে সুতায় ফুঁ দিয়ে তা ব্যবহার করেন। প্রশ্ন হলো, নজর থেকে বাঁচতে কালো সুতা ব্যবহারের বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী?
নজর লাগা সত্য
ইসলাম নজর লাগার বিষয়টি অস্বীকার করে না। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বদনজর লাগা সত্য।’ (সহিহ বুখারি: ৫৭৪০) তবে মুমিনের বিশ্বাস হলো, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো ক্ষতি সংঘটিত হতে পারে না। তাই নজর থেকে বাঁচার ক্ষেত্রেও আশ্রয় চাইতে হবে আল্লাহর কাছেই।
কালো সুতা কি সুরক্ষা দেয়?
কালো সুতা নিজস্ব ক্ষমতায় নজর বা অকল্যাণ থেকে রক্ষা করে না। কোরআন বা নির্ভরযোগ্য হাদিসে এর স্বপক্ষে কোনো দলিল নেই। এরকম কিছু বিশ্বাস করতে হলে তার পক্ষে শরিয়তসম্মত দলিল বা প্রমাণিত কারণ থাকা প্রয়োজন।
রাসুলুল্লাহ (স.) এক ব্যক্তির হাতে একটি ধাতব বালা দেখে এর কারণ জানতে চেয়েছিলেন। লোকটি জানায়, এটি দুর্বলতার জন্য পরেছে। তখন নবীজি (স.) সেটি খুলে ফেলতে বলেন এবং সতর্ক করেন যে, এটি তার দুর্বলতাই বাড়াবে। (মুসনাদ আহমদ: ১৯৪৯৯) এ থেকে বোঝা যায়, সুরক্ষা বা অকল্যাণ দূর করার জন্য কোনো বস্তুর ওপর নির্ভর করার বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
কোরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম ও মাসনুন দোয়া পড়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এবং রোগ বা নজরের ক্ষেত্রে রুকইয়া করা শরিয়তসম্মত। এখানে ভরসা থাকে আল্লাহর ওপর, কোনো বস্তুতে নয়।
তবে কোরআন পড়ে সুতায় ফুঁ দিয়ে সেটি সুরক্ষার জন্য শরীরে বাঁধার বিষয়টি রুকইয়ার সঙ্গে এক নয়। এটি তাবিজ ব্যবহারের আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত। কোরআনের আয়াত বা দোয়া লেখা তাবিজের বিধান নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য আলেমের মতামত অনুসরণ করা উত্তম।
মূল বিষয় হলো- রুকইয়ায় আশ্রয় চাওয়া হয় আল্লাহর কাছে, অন্যদিকে কোনো বস্তুকে রক্ষাকারী মনে করা ইসলামি আকিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
নজর ও অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো সুরা ফালাক ও সুরা নাস পাঠ করা। রাসুলুল্লাহ (স.) সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। তাই নজরের আশঙ্কায় কোনো বস্তুর ওপর নির্ভর না করে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এবং মাসনুন আমল করা উচিত।









