একজন অপদার্থ মানুষকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির

একজন অপদার্থ মানুষকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির
বগুড়া সংবাদদাতা

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বগুড়ার পাশের জেলা হলো সিরাজগঞ্জ। বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়ি ওখানেই। উনি বলেন, আমাদের দেশে কোনো লোডশেডিং নাই, বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নাই, গ্রামে বিদ্যুতের তার একটু লম্বা, এইজন্য বিদ্যুৎ দেওয়া যায় না। লজ্জা! এ রকম একজন অপদার্থ মানুষকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে মন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের পথসভায় এ কথা বলেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা শুধু বলেছিলাম, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় করতে চাই। আপনারা ঘর থেকে বের হয়ে আজকে বগুড়ার এই জায়গাটাকে একটা জনসমুদ্রে আপনারা পরিণত করেছেন। আপনাদেরকে মোবারকবাদ। আমরা কেন এই লং মার্চের ডাক দিলাম? তাতে সরকারি দলের রাতের ঘুম হারাম হয়েগেছে। জায়গায় জায়গায় শুধু বলে, বিরোধীদল এত আগে লং মার্চ করতেছে কেন? আমরা জিজ্ঞেস করি, ক্ষমতায় বসার আগেই জনগণকে অপমান করলেন কেন?
তিনি বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ ভাগ জনগণ হ্যাঁ বলে রায় দিলো। আপনারাও সেই ভোট চেয়েছেন, আমরাও ভোট চেয়েছি। আমরা আমাদের জায়গায় আছি। আপনারা জায়গা পরিবর্তন করলেন কেন? আপনারা যদি জনগণের সাথে প্রতারণা না করতেন, আজকে আমাদের লং মার্চ করার প্রয়োজন হতো না।

জামায়াত আমির বলেন, ৭ মাস চলে গেছে। সংসদের তিনটি অধিবেশন পার হলো। আপনারা জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে সরকার গঠন করেছেন, আপনারা সনদ বাস্তবায়ন করেন নি কেন? আপনারা বলেছিলেন, দুর্নীতি টুঁটি চেপে ধরবেন। আপনারা বলেছিলেন, এক কোটি মানুষকে আপনারা চাকরি দিবেন। আপনারা এক কোটি মানুষের হাতে চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছেন। দুর্নীতির রেট বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আপনারা বলেছিলেন গ্যাস দেবেন, বিদ্যুৎ দিবেন। এখন যিনি রাষ্ট্রপতি, তিনি তখন বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন মাঠে-ময়দানে। তার স্লোগান ছিলো গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে। এখন আমাদের স্লোগান হলো গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে। আমরা তো নতুন কোনো স্লোগান দিচ্ছি না। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে স্লোগান দিয়েছিলেন, সেটাই আমরা বলছি। আপনারা দিচ্ছেন না বলেই আমাদের লং মার্চ।
শফিকুর রহমান বলেন, আমার কৃষক বন্ধুটি আজ সার পায় না। ঠিক ১৪০০ টাকার সার তাকে ২২০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। বিদ্যুৎ দিতে পারে না। আবার ডাবল, ট্রিপল বিল দেন আমাদের হাতে ধরায়ে।
জামায়াত আমির বলেন, সিরাজগঞ্জের জনসভায় আসতেছি, সবাই আমারে এক আঙুল দেখায়। আমি বুঝি না যে আমারে এক আঙুল দেখায় কেন। আমি গাড়ির জানালার গ্লাস নামাইলাম। গ্লাস নামানোর পরে বলে, দাদু, দাদু, এক দফা, এক দফা। এক দফা, সবাই বুঝেন তো? সেই এক দফার ডাক আসলে সবাই প্রস্তুত।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বগুড়ার পাশের জেলা হলো সিরাজগঞ্জ। বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়ি ওখানেই। উনি বলেন, আমাদের দেশে কোনো লোডশেডিং নাই, বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নাই, গ্রামে বিদ্যুতের তার একটু লম্বা, এইজন্য বিদ্যুৎ দেওয়া যায় না। লজ্জা! এ রকম একজন অপদার্থ মানুষকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে মন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের পথসভায় এ কথা বলেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা শুধু বলেছিলাম, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় করতে চাই। আপনারা ঘর থেকে বের হয়ে আজকে বগুড়ার এই জায়গাটাকে একটা জনসমুদ্রে আপনারা পরিণত করেছেন। আপনাদেরকে মোবারকবাদ। আমরা কেন এই লং মার্চের ডাক দিলাম? তাতে সরকারি দলের রাতের ঘুম হারাম হয়েগেছে। জায়গায় জায়গায় শুধু বলে, বিরোধীদল এত আগে লং মার্চ করতেছে কেন? আমরা জিজ্ঞেস করি, ক্ষমতায় বসার আগেই জনগণকে অপমান করলেন কেন?
তিনি বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ ভাগ জনগণ হ্যাঁ বলে রায় দিলো। আপনারাও সেই ভোট চেয়েছেন, আমরাও ভোট চেয়েছি। আমরা আমাদের জায়গায় আছি। আপনারা জায়গা পরিবর্তন করলেন কেন? আপনারা যদি জনগণের সাথে প্রতারণা না করতেন, আজকে আমাদের লং মার্চ করার প্রয়োজন হতো না।

জামায়াত আমির বলেন, ৭ মাস চলে গেছে। সংসদের তিনটি অধিবেশন পার হলো। আপনারা জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে সরকার গঠন করেছেন, আপনারা সনদ বাস্তবায়ন করেন নি কেন? আপনারা বলেছিলেন, দুর্নীতি টুঁটি চেপে ধরবেন। আপনারা বলেছিলেন, এক কোটি মানুষকে আপনারা চাকরি দিবেন। আপনারা এক কোটি মানুষের হাতে চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছেন। দুর্নীতির রেট বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আপনারা বলেছিলেন গ্যাস দেবেন, বিদ্যুৎ দিবেন। এখন যিনি রাষ্ট্রপতি, তিনি তখন বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন মাঠে-ময়দানে। তার স্লোগান ছিলো গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে। এখন আমাদের স্লোগান হলো গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে। আমরা তো নতুন কোনো স্লোগান দিচ্ছি না। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে স্লোগান দিয়েছিলেন, সেটাই আমরা বলছি। আপনারা দিচ্ছেন না বলেই আমাদের লং মার্চ।
শফিকুর রহমান বলেন, আমার কৃষক বন্ধুটি আজ সার পায় না। ঠিক ১৪০০ টাকার সার তাকে ২২০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। বিদ্যুৎ দিতে পারে না। আবার ডাবল, ট্রিপল বিল দেন আমাদের হাতে ধরায়ে।
জামায়াত আমির বলেন, সিরাজগঞ্জের জনসভায় আসতেছি, সবাই আমারে এক আঙুল দেখায়। আমি বুঝি না যে আমারে এক আঙুল দেখায় কেন। আমি গাড়ির জানালার গ্লাস নামাইলাম। গ্লাস নামানোর পরে বলে, দাদু, দাদু, এক দফা, এক দফা। এক দফা, সবাই বুঝেন তো? সেই এক দফার ডাক আসলে সবাই প্রস্তুত।

একজন অপদার্থ মানুষকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির
বগুড়া সংবাদদাতা

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বগুড়ার পাশের জেলা হলো সিরাজগঞ্জ। বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাড়ি ওখানেই। উনি বলেন, আমাদের দেশে কোনো লোডশেডিং নাই, বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নাই, গ্রামে বিদ্যুতের তার একটু লম্বা, এইজন্য বিদ্যুৎ দেওয়া যায় না। লজ্জা! এ রকম একজন অপদার্থ মানুষকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে মন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের পথসভায় এ কথা বলেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা শুধু বলেছিলাম, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় করতে চাই। আপনারা ঘর থেকে বের হয়ে আজকে বগুড়ার এই জায়গাটাকে একটা জনসমুদ্রে আপনারা পরিণত করেছেন। আপনাদেরকে মোবারকবাদ। আমরা কেন এই লং মার্চের ডাক দিলাম? তাতে সরকারি দলের রাতের ঘুম হারাম হয়েগেছে। জায়গায় জায়গায় শুধু বলে, বিরোধীদল এত আগে লং মার্চ করতেছে কেন? আমরা জিজ্ঞেস করি, ক্ষমতায় বসার আগেই জনগণকে অপমান করলেন কেন?
তিনি বলেন, গণভোটে দেশের ৭০ ভাগ জনগণ হ্যাঁ বলে রায় দিলো। আপনারাও সেই ভোট চেয়েছেন, আমরাও ভোট চেয়েছি। আমরা আমাদের জায়গায় আছি। আপনারা জায়গা পরিবর্তন করলেন কেন? আপনারা যদি জনগণের সাথে প্রতারণা না করতেন, আজকে আমাদের লং মার্চ করার প্রয়োজন হতো না।

জামায়াত আমির বলেন, ৭ মাস চলে গেছে। সংসদের তিনটি অধিবেশন পার হলো। আপনারা জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে সরকার গঠন করেছেন, আপনারা সনদ বাস্তবায়ন করেন নি কেন? আপনারা বলেছিলেন, দুর্নীতি টুঁটি চেপে ধরবেন। আপনারা বলেছিলেন, এক কোটি মানুষকে আপনারা চাকরি দিবেন। আপনারা এক কোটি মানুষের হাতে চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছেন। দুর্নীতির রেট বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আপনারা বলেছিলেন গ্যাস দেবেন, বিদ্যুৎ দিবেন। এখন যিনি রাষ্ট্রপতি, তিনি তখন বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন মাঠে-ময়দানে। তার স্লোগান ছিলো গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে। এখন আমাদের স্লোগান হলো গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে। আমরা তো নতুন কোনো স্লোগান দিচ্ছি না। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে স্লোগান দিয়েছিলেন, সেটাই আমরা বলছি। আপনারা দিচ্ছেন না বলেই আমাদের লং মার্চ।
শফিকুর রহমান বলেন, আমার কৃষক বন্ধুটি আজ সার পায় না। ঠিক ১৪০০ টাকার সার তাকে ২২০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। বিদ্যুৎ দিতে পারে না। আবার ডাবল, ট্রিপল বিল দেন আমাদের হাতে ধরায়ে।
জামায়াত আমির বলেন, সিরাজগঞ্জের জনসভায় আসতেছি, সবাই আমারে এক আঙুল দেখায়। আমি বুঝি না যে আমারে এক আঙুল দেখায় কেন। আমি গাড়ির জানালার গ্লাস নামাইলাম। গ্লাস নামানোর পরে বলে, দাদু, দাদু, এক দফা, এক দফা। এক দফা, সবাই বুঝেন তো? সেই এক দফার ডাক আসলে সবাই প্রস্তুত।

‘নতুন স্বৈরাচারের জন্য জীবন দিইনি’, টাঙ্গাইলের পথসভায় জামায়াত আমির







