শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, তিনি নিজেই বলেছেন দেশে ফিরবেন। তিনি দেশে এসে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করলে আইন অনুযায়ী তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে আমরা কোনো পদক্ষেপ নেবো না।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি এনসিপির দায়ের করা মামলার বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালত, আইন বা পুলিশ যদি নিয়ন্ত্রণে থাকত, তাহলে মামলাই হতো না। মামলা হয়েছে, যথাযথ তদন্ত হবে। যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের পক্ষ থেকে আইনের আওতায় যা করার, তা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিচারকরা মামলার নথিপত্র ও আইনগত বিষয় বিবেচনা করেই জামিন দেন। আদালতের এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের সমালোচনা করা শোভনীয় নয়। সরকার বিরোধিতা করতে পারে জামিনের আগ পর্যন্ত। কিন্তু আদালত যখন নিজস্ব বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দেন, তখন সেটি নিয়ে মন্তব্য করলে মনে হতে পারে আমরা বিচার বিভাগের ওপর প্রভাব বিস্তার করছি। আমরা তা করি না।
আইনমন্ত্রী বলেন, মানুষের মতামত আমরা বিবেচনা করব। আদালতও সমাজেরই অংশ। আদালতের চোখ অন্ধ হলেও অন্তর্চক্ষু খোলা থাকে। সেই অন্তর্চক্ষু দিয়েই বিচারকরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।
তিনি আরও বলেন, আইন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রায় সবগুলোই সরকার গ্রহণ করেছে। বাকি সংস্কারগুলো সংবিধান সংশোধন কমিটির মাধ্যমে জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন করা হবে।
এর আগে বৃক্ষমেলা উপলক্ষে শহরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, তিনি নিজেই বলেছেন দেশে ফিরবেন। তিনি দেশে এসে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করলে আইন অনুযায়ী তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে আমরা কোনো পদক্ষেপ নেবো না।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি এনসিপির দায়ের করা মামলার বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালত, আইন বা পুলিশ যদি নিয়ন্ত্রণে থাকত, তাহলে মামলাই হতো না। মামলা হয়েছে, যথাযথ তদন্ত হবে। যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের পক্ষ থেকে আইনের আওতায় যা করার, তা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিচারকরা মামলার নথিপত্র ও আইনগত বিষয় বিবেচনা করেই জামিন দেন। আদালতের এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের সমালোচনা করা শোভনীয় নয়। সরকার বিরোধিতা করতে পারে জামিনের আগ পর্যন্ত। কিন্তু আদালত যখন নিজস্ব বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দেন, তখন সেটি নিয়ে মন্তব্য করলে মনে হতে পারে আমরা বিচার বিভাগের ওপর প্রভাব বিস্তার করছি। আমরা তা করি না।
আইনমন্ত্রী বলেন, মানুষের মতামত আমরা বিবেচনা করব। আদালতও সমাজেরই অংশ। আদালতের চোখ অন্ধ হলেও অন্তর্চক্ষু খোলা থাকে। সেই অন্তর্চক্ষু দিয়েই বিচারকরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।
তিনি আরও বলেন, আইন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রায় সবগুলোই সরকার গ্রহণ করেছে। বাকি সংস্কারগুলো সংবিধান সংশোধন কমিটির মাধ্যমে জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন করা হবে।
এর আগে বৃক্ষমেলা উপলক্ষে শহরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ।

শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, তিনি নিজেই বলেছেন দেশে ফিরবেন। তিনি দেশে এসে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করলে আইন অনুযায়ী তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে আমরা কোনো পদক্ষেপ নেবো না।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি এনসিপির দায়ের করা মামলার বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালত, আইন বা পুলিশ যদি নিয়ন্ত্রণে থাকত, তাহলে মামলাই হতো না। মামলা হয়েছে, যথাযথ তদন্ত হবে। যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের পক্ষ থেকে আইনের আওতায় যা করার, তা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিচারকরা মামলার নথিপত্র ও আইনগত বিষয় বিবেচনা করেই জামিন দেন। আদালতের এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের সমালোচনা করা শোভনীয় নয়। সরকার বিরোধিতা করতে পারে জামিনের আগ পর্যন্ত। কিন্তু আদালত যখন নিজস্ব বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দেন, তখন সেটি নিয়ে মন্তব্য করলে মনে হতে পারে আমরা বিচার বিভাগের ওপর প্রভাব বিস্তার করছি। আমরা তা করি না।
আইনমন্ত্রী বলেন, মানুষের মতামত আমরা বিবেচনা করব। আদালতও সমাজেরই অংশ। আদালতের চোখ অন্ধ হলেও অন্তর্চক্ষু খোলা থাকে। সেই অন্তর্চক্ষু দিয়েই বিচারকরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন।
তিনি আরও বলেন, আইন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রায় সবগুলোই সরকার গ্রহণ করেছে। বাকি সংস্কারগুলো সংবিধান সংশোধন কমিটির মাধ্যমে জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন করা হবে।
এর আগে বৃক্ষমেলা উপলক্ষে শহরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ।









