‘বঙ্গভবনের সর্বোচ্চ ব্যক্তি আর কড়াইলের বস্তিবাসী একই বায়ু গ্রহণ করছে’

‘বঙ্গভবনের সর্বোচ্চ ব্যক্তি আর কড়াইলের বস্তিবাসী একই বায়ু গ্রহণ করছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা উপভোগ করতে পারছি না।রাজধানীর বায়ু দূষণ বর্তমানে এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েছে যে বঙ্গভবনে দেশের সর্বোচ্চ স্তরের ব্যক্তি আর কড়াইল বস্তিতে যারা বাস করছেন সবাই একই বায়ু গ্রহণ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ বিজ্ঞানী ও স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ব্রেথ কোলেশন, সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটি ‘শ্বাসের ধূসরতা পেছনে ফেলে পরিস্কার বায়ুর জন্য এখনই টেকসই ও সম্মিলিত পদক্ষেপ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
আহমদ কামরুজ্জামান বলেন, খাবার পানি ছাড়া মানুষ ৭ দিন থেকে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাস খানেক ও বাঁচতে পারে। কিন্তু নিঃশ্বাস ছাড়া এক মুহূর্তও বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। বর্তমানে আমাদের দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা উপভোগ করতে পারছি না। বায়ুর মানের মধ্যে শব্দ, তাপমাত্রা পড়ে। বাতাসে গ্যাস বৃদ্ধির মাধ্যমে বায়ুর উষ্ণায়ন বৃদ্ধি পায়। এই গ্যাসটি হলো কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস।
তিনি বলেন, বর্তমানে জনস্বাস্থ্য কমার্শিয়াল হয়ে গেছে। সুস্থ থাকার জন্য চিকিৎসকরা সকালে ব্যায়াম করতে বলেন কিন্তু সকালে ঢাকার বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। সকালে ব্যায়াম করা ভালো কিন্তু অবশ্যই মাস্ক পরিধান করে করতে হবে। বায়ু দূষণ মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও মাটিকে ক্ষতি করে। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সরকারের নীতি প্রনয়ণ ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বায়ুদূষণ গবেষণা সেল গঠন করতে হবে। বায়ুর মান উন্নয়ন করতে হবে। যেসকল ইন্ডাস্ট্রি বায়ুদূষণের রেড জোনে ছিলো সেগুলোকে চিহ্নিত করে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটি পরিচালক রায়হান নোমান নূরনবী নির্মল বায়ুর জন্য বেশকিছু দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-
- বায়ুদূষণ বিধিমালা ২০২২ সহ বিদ্যমান আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
- আন্তঃ প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও নিয়মিত টাস্ক ফোর্স পরিচালনা করতে হবে।
- সহজ ডিজিটাল ও জবাবদিহিতামূলক অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- পরিবেশগত ছাড়পত্রের পর নিয়মিত ও বাধ্যতামমূলক পরীক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
- দূষণকারী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নীতির কঠোর প্রয়োগ ও প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা করতে হবে।
- আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
- দূষণের হটস্পটগুলোতে নিয়মিত ও উৎসভিত্তিক পরি বীক্ষণ করতে হবে।
- বায়ুর মান পরিবেশগত তথ্য জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।
- নির্মানকাজ, রাস্তার ধুলা ও যানবাহনের ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করতে হবে।
- খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও স্থানীয় বর্জ্য আধুনিকায়ন করতে হবে।
- জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
- স্থানীয় সরকার ও আঞ্চলিক পর্যায়ে বাস্তবায়ন সক্ষমতা ও বাজেট বৃদ্ধি করতে হবে।
- জনসচেতনতা ও নাগরিক সম্পৃক্তাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
- স্বাধীন পরীক্ষণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় যুব ও নাগরিক জোটের প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা উপভোগ করতে পারছি না।রাজধানীর বায়ু দূষণ বর্তমানে এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েছে যে বঙ্গভবনে দেশের সর্বোচ্চ স্তরের ব্যক্তি আর কড়াইল বস্তিতে যারা বাস করছেন সবাই একই বায়ু গ্রহণ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ বিজ্ঞানী ও স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ব্রেথ কোলেশন, সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটি ‘শ্বাসের ধূসরতা পেছনে ফেলে পরিস্কার বায়ুর জন্য এখনই টেকসই ও সম্মিলিত পদক্ষেপ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
আহমদ কামরুজ্জামান বলেন, খাবার পানি ছাড়া মানুষ ৭ দিন থেকে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাস খানেক ও বাঁচতে পারে। কিন্তু নিঃশ্বাস ছাড়া এক মুহূর্তও বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। বর্তমানে আমাদের দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা উপভোগ করতে পারছি না। বায়ুর মানের মধ্যে শব্দ, তাপমাত্রা পড়ে। বাতাসে গ্যাস বৃদ্ধির মাধ্যমে বায়ুর উষ্ণায়ন বৃদ্ধি পায়। এই গ্যাসটি হলো কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস।
তিনি বলেন, বর্তমানে জনস্বাস্থ্য কমার্শিয়াল হয়ে গেছে। সুস্থ থাকার জন্য চিকিৎসকরা সকালে ব্যায়াম করতে বলেন কিন্তু সকালে ঢাকার বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। সকালে ব্যায়াম করা ভালো কিন্তু অবশ্যই মাস্ক পরিধান করে করতে হবে। বায়ু দূষণ মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও মাটিকে ক্ষতি করে। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সরকারের নীতি প্রনয়ণ ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বায়ুদূষণ গবেষণা সেল গঠন করতে হবে। বায়ুর মান উন্নয়ন করতে হবে। যেসকল ইন্ডাস্ট্রি বায়ুদূষণের রেড জোনে ছিলো সেগুলোকে চিহ্নিত করে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটি পরিচালক রায়হান নোমান নূরনবী নির্মল বায়ুর জন্য বেশকিছু দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-
- বায়ুদূষণ বিধিমালা ২০২২ সহ বিদ্যমান আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
- আন্তঃ প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও নিয়মিত টাস্ক ফোর্স পরিচালনা করতে হবে।
- সহজ ডিজিটাল ও জবাবদিহিতামূলক অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- পরিবেশগত ছাড়পত্রের পর নিয়মিত ও বাধ্যতামমূলক পরীক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
- দূষণকারী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নীতির কঠোর প্রয়োগ ও প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা করতে হবে।
- আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
- দূষণের হটস্পটগুলোতে নিয়মিত ও উৎসভিত্তিক পরি বীক্ষণ করতে হবে।
- বায়ুর মান পরিবেশগত তথ্য জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।
- নির্মানকাজ, রাস্তার ধুলা ও যানবাহনের ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করতে হবে।
- খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও স্থানীয় বর্জ্য আধুনিকায়ন করতে হবে।
- জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
- স্থানীয় সরকার ও আঞ্চলিক পর্যায়ে বাস্তবায়ন সক্ষমতা ও বাজেট বৃদ্ধি করতে হবে।
- জনসচেতনতা ও নাগরিক সম্পৃক্তাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
- স্বাধীন পরীক্ষণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় যুব ও নাগরিক জোটের প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

‘বঙ্গভবনের সর্বোচ্চ ব্যক্তি আর কড়াইলের বস্তিবাসী একই বায়ু গ্রহণ করছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা উপভোগ করতে পারছি না।রাজধানীর বায়ু দূষণ বর্তমানে এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েছে যে বঙ্গভবনে দেশের সর্বোচ্চ স্তরের ব্যক্তি আর কড়াইল বস্তিতে যারা বাস করছেন সবাই একই বায়ু গ্রহণ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ বিজ্ঞানী ও স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ব্রেথ কোলেশন, সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটি ‘শ্বাসের ধূসরতা পেছনে ফেলে পরিস্কার বায়ুর জন্য এখনই টেকসই ও সম্মিলিত পদক্ষেপ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
আহমদ কামরুজ্জামান বলেন, খাবার পানি ছাড়া মানুষ ৭ দিন থেকে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাস খানেক ও বাঁচতে পারে। কিন্তু নিঃশ্বাস ছাড়া এক মুহূর্তও বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। বর্তমানে আমাদের দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা উপভোগ করতে পারছি না। বায়ুর মানের মধ্যে শব্দ, তাপমাত্রা পড়ে। বাতাসে গ্যাস বৃদ্ধির মাধ্যমে বায়ুর উষ্ণায়ন বৃদ্ধি পায়। এই গ্যাসটি হলো কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস।
তিনি বলেন, বর্তমানে জনস্বাস্থ্য কমার্শিয়াল হয়ে গেছে। সুস্থ থাকার জন্য চিকিৎসকরা সকালে ব্যায়াম করতে বলেন কিন্তু সকালে ঢাকার বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। সকালে ব্যায়াম করা ভালো কিন্তু অবশ্যই মাস্ক পরিধান করে করতে হবে। বায়ু দূষণ মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও মাটিকে ক্ষতি করে। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সরকারের নীতি প্রনয়ণ ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বায়ুদূষণ গবেষণা সেল গঠন করতে হবে। বায়ুর মান উন্নয়ন করতে হবে। যেসকল ইন্ডাস্ট্রি বায়ুদূষণের রেড জোনে ছিলো সেগুলোকে চিহ্নিত করে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটি পরিচালক রায়হান নোমান নূরনবী নির্মল বায়ুর জন্য বেশকিছু দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-
- বায়ুদূষণ বিধিমালা ২০২২ সহ বিদ্যমান আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
- আন্তঃ প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও নিয়মিত টাস্ক ফোর্স পরিচালনা করতে হবে।
- সহজ ডিজিটাল ও জবাবদিহিতামূলক অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- পরিবেশগত ছাড়পত্রের পর নিয়মিত ও বাধ্যতামমূলক পরীক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
- দূষণকারী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নীতির কঠোর প্রয়োগ ও প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা করতে হবে।
- আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
- দূষণের হটস্পটগুলোতে নিয়মিত ও উৎসভিত্তিক পরি বীক্ষণ করতে হবে।
- বায়ুর মান পরিবেশগত তথ্য জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।
- নির্মানকাজ, রাস্তার ধুলা ও যানবাহনের ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করতে হবে।
- খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও স্থানীয় বর্জ্য আধুনিকায়ন করতে হবে।
- জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশগত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
- স্থানীয় সরকার ও আঞ্চলিক পর্যায়ে বাস্তবায়ন সক্ষমতা ও বাজেট বৃদ্ধি করতে হবে।
- জনসচেতনতা ও নাগরিক সম্পৃক্তাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
- স্বাধীন পরীক্ষণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় যুব ও নাগরিক জোটের প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকার বাতাস সহনীয়, দূষণ বেশি গুলশানে







