কোস্টগার্ডের জনবল ১০ হাজারে বাড়ানোর উদ্যোগ

কোস্টগার্ডের জনবল ১০ হাজারে বাড়ানোর উদ্যোগ
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য বাহিনীটির সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং বিপুল পরিমাণ নতুন পদ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বল বা মোট জনবল ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে যে জনবল রয়েছে এর বাইরে অনুমোদিত পদের অতিরিক্ত ৪ হাজার ৬১০টি নতুন পদ সৃজন এবং বাহিনীর সংশোধিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের প্রস্তাব তৈরির বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনসার ও সীমান্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, আনসার ও সীমান্ত অধিশাখার যুগ্মসচিব এবং সীমান্ত-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বাংলাদেশের বিশাল সামুদ্রিক সীমান্ত, উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অতিরিক্ত ৪ হাজার ৬১০টি পদ সৃজন এবং মোট জনবল ১০ হাজারে উন্নীত হলে উপকূলীয় নিরাপত্তা, চোরাচালান রোধ, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও দুর্যোগকালীন উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনায় বাহিনীটির সক্ষমতা অনেক বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য বাহিনীটির সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং বিপুল পরিমাণ নতুন পদ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বল বা মোট জনবল ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে যে জনবল রয়েছে এর বাইরে অনুমোদিত পদের অতিরিক্ত ৪ হাজার ৬১০টি নতুন পদ সৃজন এবং বাহিনীর সংশোধিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের প্রস্তাব তৈরির বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনসার ও সীমান্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, আনসার ও সীমান্ত অধিশাখার যুগ্মসচিব এবং সীমান্ত-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বাংলাদেশের বিশাল সামুদ্রিক সীমান্ত, উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অতিরিক্ত ৪ হাজার ৬১০টি পদ সৃজন এবং মোট জনবল ১০ হাজারে উন্নীত হলে উপকূলীয় নিরাপত্তা, চোরাচালান রোধ, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও দুর্যোগকালীন উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনায় বাহিনীটির সক্ষমতা অনেক বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

কোস্টগার্ডের জনবল ১০ হাজারে বাড়ানোর উদ্যোগ
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কার্যক্রম আরও গতিশীল, দক্ষ ও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য বাহিনীটির সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং বিপুল পরিমাণ নতুন পদ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বল বা মোট জনবল ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে যে জনবল রয়েছে এর বাইরে অনুমোদিত পদের অতিরিক্ত ৪ হাজার ৬১০টি নতুন পদ সৃজন এবং বাহিনীর সংশোধিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদনের প্রস্তাব তৈরির বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনসার ও সীমান্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, আনসার ও সীমান্ত অধিশাখার যুগ্মসচিব এবং সীমান্ত-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বাংলাদেশের বিশাল সামুদ্রিক সীমান্ত, উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অতিরিক্ত ৪ হাজার ৬১০টি পদ সৃজন এবং মোট জনবল ১০ হাজারে উন্নীত হলে উপকূলীয় নিরাপত্তা, চোরাচালান রোধ, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও দুর্যোগকালীন উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনায় বাহিনীটির সক্ষমতা অনেক বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

কোস্টগার্ড তুলে নেওয়ার পর থেকে নিখোঁজ জেলে মিরাজ, দাবি পরিবারের







