ইউরোপের ৩ দেশ থেকে ফেরত এলেন ৩৫ বাংলাদেশি

ইউরোপের ৩ দেশ থেকে ফেরত এলেন ৩৫ বাংলাদেশি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইতালি, গ্রিস এবং সাইপ্রাস থেকে আরও ৩৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৮টার দিকে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
ইমিগ্রেশন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং ও বাড়ি ফেরার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় তাদের এ সহায়তা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণ শেষে তাদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, গত কয়েক বছরে ইউরোপ থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকে আসা মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হয়। পরে তাদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হয়, যাতে তারা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারেন।
তিনি বলেন, ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়া নিরুৎসাহিত করতে দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগও নিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউরোপ থেকে অনিয়মিতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) চুক্তি করে। এর আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সাইপ্রাস, ইতালি, রোমানিয়া ও ফ্রান্স থেকে ফেরত এসেছেন।

ইতালি, গ্রিস এবং সাইপ্রাস থেকে আরও ৩৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৮টার দিকে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
ইমিগ্রেশন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং ও বাড়ি ফেরার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় তাদের এ সহায়তা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণ শেষে তাদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, গত কয়েক বছরে ইউরোপ থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকে আসা মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হয়। পরে তাদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হয়, যাতে তারা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারেন।
তিনি বলেন, ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়া নিরুৎসাহিত করতে দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগও নিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউরোপ থেকে অনিয়মিতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) চুক্তি করে। এর আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সাইপ্রাস, ইতালি, রোমানিয়া ও ফ্রান্স থেকে ফেরত এসেছেন।

ইউরোপের ৩ দেশ থেকে ফেরত এলেন ৩৫ বাংলাদেশি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইতালি, গ্রিস এবং সাইপ্রাস থেকে আরও ৩৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৮টার দিকে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
ইমিগ্রেশন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং ও বাড়ি ফেরার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় তাদের এ সহায়তা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণ শেষে তাদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, গত কয়েক বছরে ইউরোপ থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকে আসা মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হয়। পরে তাদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হয়, যাতে তারা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারেন।
তিনি বলেন, ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়া নিরুৎসাহিত করতে দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগও নিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউরোপ থেকে অনিয়মিতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) চুক্তি করে। এর আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সাইপ্রাস, ইতালি, রোমানিয়া ও ফ্রান্স থেকে ফেরত এসেছেন।

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: ৪ শর্তে আটকে গেছে পরিচালনা চুক্তি






