আবারও দ্রুততম মানব ইমরানুর, মানবী শিরিন

আবারও দ্রুততম মানব ইমরানুর, মানবী শিরিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

আবারও দেশের দ্রুততম মানব-মানবী হয়েছেন ইমরানুর রহমান ও শিরিন আক্তার। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে কোকো জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসের পুরুষ ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৫৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণ জিতেছেন লন্ডন প্রবাসী ইমরানুর।
এবারই প্রথম কোনো ঘরোয়া অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদক নেওয়ার অভিজ্ঞতাও হলো তার। ইমরানুর বলেন, ‘এটা আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত। সেনাবাহিনীর হয়ে স্বর্ণপদক জিততে পেরে আমি গর্বিত। সামনে আমার ২০০ মিটার ও ১০০ মিটার রিলেও রয়েছে। তাই শরীরও সতেজ রাখতে চেয়েছি।’
দ্বিতীয় হয়েছেন মোহাম্মদ ইসমাইল, তিনি সময় নিয়েছেন ১০.৬৬ সেকেন্ড। ১০.৭৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন তারেক রহমান।
এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়ার পর এবার ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় নিজের টাইমিং নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন ইমরান। তিনি বলেন, ‘সব সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী দৌড়ানো সম্ভব হয় না। প্রস্তুতি যথাযথ না হওয়া বা অন্য কিছু কারণেও টাইমিংয়ে পার্থক্য আসতে পারে।’
নারীদের ১০০ মিটার দৌড়ে শিরিন আক্তার ১২.০৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম হয়েছেন। শরীফা খাতুন ১২.২৩ সেকেন্ড নিয়ে দ্বিতীয় এবং সুমাইয়া দেওয়ান ১২.৩৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হন।
শিরিন আক্তার জাতীয় পর্যায়ে এ নিয়ে ১৮বার সেরা হলেন। এই অ্যাথলেটের লক্ষ্য এখন নিজের টাইমিংয়ের উন্নতি এবং এসএ গেমসে ভালো ফল করা।
১৮তমবার সেরা হওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে শিরিন বলেন, ‘অসাধারণ ছিল। প্রতিটি সফলতা নিজের একার হয় না। অনেক মানুষ ও প্রতিষ্ঠান এর পেছনে কাজ করে।’
রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদক পাওয়া শিরিনের কাছেও ছিল বিশেষ অভিজ্ঞতা।

আবারও দেশের দ্রুততম মানব-মানবী হয়েছেন ইমরানুর রহমান ও শিরিন আক্তার। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে কোকো জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসের পুরুষ ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৫৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণ জিতেছেন লন্ডন প্রবাসী ইমরানুর।
এবারই প্রথম কোনো ঘরোয়া অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদক নেওয়ার অভিজ্ঞতাও হলো তার। ইমরানুর বলেন, ‘এটা আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত। সেনাবাহিনীর হয়ে স্বর্ণপদক জিততে পেরে আমি গর্বিত। সামনে আমার ২০০ মিটার ও ১০০ মিটার রিলেও রয়েছে। তাই শরীরও সতেজ রাখতে চেয়েছি।’
দ্বিতীয় হয়েছেন মোহাম্মদ ইসমাইল, তিনি সময় নিয়েছেন ১০.৬৬ সেকেন্ড। ১০.৭৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন তারেক রহমান।
এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়ার পর এবার ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় নিজের টাইমিং নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন ইমরান। তিনি বলেন, ‘সব সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী দৌড়ানো সম্ভব হয় না। প্রস্তুতি যথাযথ না হওয়া বা অন্য কিছু কারণেও টাইমিংয়ে পার্থক্য আসতে পারে।’
নারীদের ১০০ মিটার দৌড়ে শিরিন আক্তার ১২.০৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম হয়েছেন। শরীফা খাতুন ১২.২৩ সেকেন্ড নিয়ে দ্বিতীয় এবং সুমাইয়া দেওয়ান ১২.৩৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হন।
শিরিন আক্তার জাতীয় পর্যায়ে এ নিয়ে ১৮বার সেরা হলেন। এই অ্যাথলেটের লক্ষ্য এখন নিজের টাইমিংয়ের উন্নতি এবং এসএ গেমসে ভালো ফল করা।
১৮তমবার সেরা হওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে শিরিন বলেন, ‘অসাধারণ ছিল। প্রতিটি সফলতা নিজের একার হয় না। অনেক মানুষ ও প্রতিষ্ঠান এর পেছনে কাজ করে।’
রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদক পাওয়া শিরিনের কাছেও ছিল বিশেষ অভিজ্ঞতা।

আবারও দ্রুততম মানব ইমরানুর, মানবী শিরিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

আবারও দেশের দ্রুততম মানব-মানবী হয়েছেন ইমরানুর রহমান ও শিরিন আক্তার। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে কোকো জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসের পুরুষ ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৫৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণ জিতেছেন লন্ডন প্রবাসী ইমরানুর।
এবারই প্রথম কোনো ঘরোয়া অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদক নেওয়ার অভিজ্ঞতাও হলো তার। ইমরানুর বলেন, ‘এটা আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত। সেনাবাহিনীর হয়ে স্বর্ণপদক জিততে পেরে আমি গর্বিত। সামনে আমার ২০০ মিটার ও ১০০ মিটার রিলেও রয়েছে। তাই শরীরও সতেজ রাখতে চেয়েছি।’
দ্বিতীয় হয়েছেন মোহাম্মদ ইসমাইল, তিনি সময় নিয়েছেন ১০.৬৬ সেকেন্ড। ১০.৭৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন তারেক রহমান।
এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়ার পর এবার ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় নিজের টাইমিং নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন ইমরান। তিনি বলেন, ‘সব সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী দৌড়ানো সম্ভব হয় না। প্রস্তুতি যথাযথ না হওয়া বা অন্য কিছু কারণেও টাইমিংয়ে পার্থক্য আসতে পারে।’
নারীদের ১০০ মিটার দৌড়ে শিরিন আক্তার ১২.০৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম হয়েছেন। শরীফা খাতুন ১২.২৩ সেকেন্ড নিয়ে দ্বিতীয় এবং সুমাইয়া দেওয়ান ১২.৩৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হন।
শিরিন আক্তার জাতীয় পর্যায়ে এ নিয়ে ১৮বার সেরা হলেন। এই অ্যাথলেটের লক্ষ্য এখন নিজের টাইমিংয়ের উন্নতি এবং এসএ গেমসে ভালো ফল করা।
১৮তমবার সেরা হওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে শিরিন বলেন, ‘অসাধারণ ছিল। প্রতিটি সফলতা নিজের একার হয় না। অনেক মানুষ ও প্রতিষ্ঠান এর পেছনে কাজ করে।’
রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদক পাওয়া শিরিনের কাছেও ছিল বিশেষ অভিজ্ঞতা।

ডিআরএস-এ যুক্ত হলো সনিক প্রযুক্তি
টিকিট ছাড়া দুই গ্যালারিতে দেখা যাবে মিরপুর টেস্ট







