প্রশ্নফাঁসের তদন্ত কমিটি নিয়ে বিতর্ক, পিএসসির অধীনে পরীক্ষার দাবি

প্রশ্নফাঁসের তদন্ত কমিটি নিয়ে বিতর্ক, পিএসসির অধীনে পরীক্ষার দাবি
শাহরিয়ার হোসেন

সরকারি চাকরির আশায় দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি, আবেদন ফি, পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের খরচ। অথচ পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল হলে নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়া আর পরবর্তী পরীক্ষার তারিখের অপেক্ষা। এতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অনিশ্চয়তায় পড়েন চাকরিপ্রার্থীরা। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে। একই সঙ্গে নিয়োগ পরীক্ষা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে চাকরিপ্রার্থীরা।
গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়তে দেখেন প্রতিবেদক। এ ঘটনায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠে। এর প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। পরে অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
তবে তদন্ত কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তাকে সদস্য করায় তদন্তের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যে অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগ, সেই অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা তদন্ত কমিটিতে থাকায় অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভূমিকা কতটা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে তদন্ত কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কমিটি গঠনের অফিস আদেশ শেয়ার করে তিনি কমিটিকে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ আখ্যা দেন।
তিনি লেখেন, ‘যারা চুরি করে, তাদেরকেই চোর ধরার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে জনগণ যাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তাকেই বানানো হয়েছে এই চোরদের সর্দার।’
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘চোর ও চোরের সর্দার–উভয়কেই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এই প্রহসনের নাটকীয় “যেমন খুশি তেমন সাজো” কমিটি বাতিল করো।’
অন্যদিকে, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) প্রতিমন্ত্রী হকের পদত্যাগের দাবিসহ পাঁচ দফা দাবিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি।
নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের মতে, নিয়োগকারী অধিদপ্তরের পরিবর্তে পিএসসি বা উপযুক্ত স্বাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ বাড়তে পারে। তবে শুধু দায়িত্ব অন্য প্রতিষ্ঠানের হাতে দিলেই প্রশ্নফাঁস বন্ধ হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, সংরক্ষণ ও পরিবহনের প্রতিটি ধাপে কঠোর নিরাপত্তা এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি তাদের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থী মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘অধিদপ্তরের অধীনে পরীক্ষা চাই না। এরা আবারও ফাঁস করবে। তারা যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে, তাদের যেভাবেই হোক নিয়োগ দেবে। পিএসসি বা কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হলে সবচেয়ে ভালো হয়।’
এসব বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (সিড ফাইন্যান্সিং উইং) এ কে এম মফিজুল ইসলামকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
প্রশ্নফাঁসের তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘আমাদের যেহেতু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, নিশ্চয় আমাদের যোগ্য মনে করে দেওয়া হয়েছে। আর আমি ওই দপ্তরের লোক নই, আমি মন্ত্রণালয়ের। আমাদের ওপর এতটুকু ভরসা রাখতে হবে যে আমাদের দ্বারা সুষ্ঠু তদন্ত হবে। আমরা তিন দিনের ভেতরেই এই তদন্ত শেষ করার চেষ্টা করবো।’

সরকারি চাকরির আশায় দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি, আবেদন ফি, পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের খরচ। অথচ পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল হলে নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়া আর পরবর্তী পরীক্ষার তারিখের অপেক্ষা। এতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অনিশ্চয়তায় পড়েন চাকরিপ্রার্থীরা। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে। একই সঙ্গে নিয়োগ পরীক্ষা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে চাকরিপ্রার্থীরা।
গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়তে দেখেন প্রতিবেদক। এ ঘটনায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠে। এর প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। পরে অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
তবে তদন্ত কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তাকে সদস্য করায় তদন্তের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যে অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগ, সেই অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা তদন্ত কমিটিতে থাকায় অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভূমিকা কতটা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে তদন্ত কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কমিটি গঠনের অফিস আদেশ শেয়ার করে তিনি কমিটিকে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ আখ্যা দেন।
তিনি লেখেন, ‘যারা চুরি করে, তাদেরকেই চোর ধরার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে জনগণ যাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তাকেই বানানো হয়েছে এই চোরদের সর্দার।’
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘চোর ও চোরের সর্দার–উভয়কেই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এই প্রহসনের নাটকীয় “যেমন খুশি তেমন সাজো” কমিটি বাতিল করো।’
অন্যদিকে, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) প্রতিমন্ত্রী হকের পদত্যাগের দাবিসহ পাঁচ দফা দাবিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি।
নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের মতে, নিয়োগকারী অধিদপ্তরের পরিবর্তে পিএসসি বা উপযুক্ত স্বাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ বাড়তে পারে। তবে শুধু দায়িত্ব অন্য প্রতিষ্ঠানের হাতে দিলেই প্রশ্নফাঁস বন্ধ হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, সংরক্ষণ ও পরিবহনের প্রতিটি ধাপে কঠোর নিরাপত্তা এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি তাদের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থী মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘অধিদপ্তরের অধীনে পরীক্ষা চাই না। এরা আবারও ফাঁস করবে। তারা যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে, তাদের যেভাবেই হোক নিয়োগ দেবে। পিএসসি বা কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হলে সবচেয়ে ভালো হয়।’
এসব বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (সিড ফাইন্যান্সিং উইং) এ কে এম মফিজুল ইসলামকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
প্রশ্নফাঁসের তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘আমাদের যেহেতু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, নিশ্চয় আমাদের যোগ্য মনে করে দেওয়া হয়েছে। আর আমি ওই দপ্তরের লোক নই, আমি মন্ত্রণালয়ের। আমাদের ওপর এতটুকু ভরসা রাখতে হবে যে আমাদের দ্বারা সুষ্ঠু তদন্ত হবে। আমরা তিন দিনের ভেতরেই এই তদন্ত শেষ করার চেষ্টা করবো।’

প্রশ্নফাঁসের তদন্ত কমিটি নিয়ে বিতর্ক, পিএসসির অধীনে পরীক্ষার দাবি
শাহরিয়ার হোসেন

সরকারি চাকরির আশায় দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি, আবেদন ফি, পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের খরচ। অথচ পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল হলে নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়া আর পরবর্তী পরীক্ষার তারিখের অপেক্ষা। এতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অনিশ্চয়তায় পড়েন চাকরিপ্রার্থীরা। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে। একই সঙ্গে নিয়োগ পরীক্ষা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে চাকরিপ্রার্থীরা।
গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়তে দেখেন প্রতিবেদক। এ ঘটনায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠে। এর প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। পরে অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।
তবে তদন্ত কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তাকে সদস্য করায় তদন্তের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যে অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগ, সেই অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা তদন্ত কমিটিতে থাকায় অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভূমিকা কতটা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে তদন্ত কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কমিটি গঠনের অফিস আদেশ শেয়ার করে তিনি কমিটিকে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ আখ্যা দেন।
তিনি লেখেন, ‘যারা চুরি করে, তাদেরকেই চোর ধরার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে জনগণ যাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তাকেই বানানো হয়েছে এই চোরদের সর্দার।’
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘চোর ও চোরের সর্দার–উভয়কেই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এই প্রহসনের নাটকীয় “যেমন খুশি তেমন সাজো” কমিটি বাতিল করো।’
অন্যদিকে, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) প্রতিমন্ত্রী হকের পদত্যাগের দাবিসহ পাঁচ দফা দাবিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় যুবশক্তি।
নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের মতে, নিয়োগকারী অধিদপ্তরের পরিবর্তে পিএসসি বা উপযুক্ত স্বাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগ বাড়তে পারে। তবে শুধু দায়িত্ব অন্য প্রতিষ্ঠানের হাতে দিলেই প্রশ্নফাঁস বন্ধ হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, সংরক্ষণ ও পরিবহনের প্রতিটি ধাপে কঠোর নিরাপত্তা এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি তাদের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থী মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘অধিদপ্তরের অধীনে পরীক্ষা চাই না। এরা আবারও ফাঁস করবে। তারা যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে, তাদের যেভাবেই হোক নিয়োগ দেবে। পিএসসি বা কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হলে সবচেয়ে ভালো হয়।’
এসব বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (সিড ফাইন্যান্সিং উইং) এ কে এম মফিজুল ইসলামকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
প্রশ্নফাঁসের তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘আমাদের যেহেতু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, নিশ্চয় আমাদের যোগ্য মনে করে দেওয়া হয়েছে। আর আমি ওই দপ্তরের লোক নই, আমি মন্ত্রণালয়ের। আমাদের ওপর এতটুকু ভরসা রাখতে হবে যে আমাদের দ্বারা সুষ্ঠু তদন্ত হবে। আমরা তিন দিনের ভেতরেই এই তদন্ত শেষ করার চেষ্টা করবো।’

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঘেরাওয়ের ঘোষণা, মতিঝিলে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ







