দিল্লিতে সীমান্ত সম্মেলন শুরু, ৭ বিষয়ে অগ্রাধিকার বিজিবির

দিল্লিতে সীমান্ত সম্মেলন শুরু, ৭ বিষয়ে অগ্রাধিকার বিজিবির
সিটিজেন ডেস্ক

সীমান্ত হত্যা ও পুশইনসহ ৭টি অমীমাংসিত বিষয়ে আলোচনার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন।
সোমবার (৮ জুন) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া ৪ দিনের এই সম্মেলন শেষ হবে আগামী ১১ জুন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বাহিনীর মধ্যে এটিই প্রথম মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক।
বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদলে রয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার প্রতিনিধিরা।
বিজিবির ঢাকা সদর দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে সম্মেলনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশ ৭টি বিষয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তুলে ধরবে। এগুলো হলো– সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা, পুশইন, অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান, মাদক পাচার, ভারতীয় চোরাকারবারি চক্রের তৎপরতা, নো-ম্যানস ল্যান্ড থেকে ১৫০ গজের মধ্যে অননুমোদিত স্থাপনা নির্মাণ এবং ভারতে আশ্রিত পার্বত্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম।
এবারের সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে সীমান্ত হত্যার বিষয়টি। গত ৮ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থী মোরছালিন ও বৃদ্ধ নবীর হোসেন নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন।
পুশইন প্রসঙ্গে বিজিবি সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত ৩১ মে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবি প্রতিহত করে। এরপর থেকে সমগ্র সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।
অস্ত্র ও মাদক পাচার প্রসঙ্গে বিজিবি জানায়, গত ডিসেম্বরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত থেকে ২৪টি বিস্ফোরকসহ একটি বড় চালান জব্দ করা হয়। যশোর, বেনাপোল, সিলেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বেশ কিছু সীমান্ত রুট দিয়ে ফেনসিডিল, ইয়াবা, হেরোইন ও সিনথেটিক মাদক নিয়মিত বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলেও সীমান্ত সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র গোষ্ঠী বিষয়ে বাংলাদেশ জানাবে যে, জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) ক্যাম্প এবং কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) প্রধান নাথান বম ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রবিবার (৭ জুন) জানান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পুশইন-সংক্রান্ত বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সরকার কূটনৈতিক পর্যায়েও যোগাযোগ বজায় রেখেছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে সরকার প্রস্তুত।
১৯৭৫ সালের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত কর্তৃপক্ষ নির্দেশিকার আওতায় দুই বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের এই বৈঠক বছরে দুবার পর্যায়ক্রমে ঢাকা ও দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সর্বশেষ ৫৬তম সম্মেলন গত বছর আগস্টে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার। এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত।

সীমান্ত হত্যা ও পুশইনসহ ৭টি অমীমাংসিত বিষয়ে আলোচনার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন।
সোমবার (৮ জুন) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া ৪ দিনের এই সম্মেলন শেষ হবে আগামী ১১ জুন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বাহিনীর মধ্যে এটিই প্রথম মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক।
বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদলে রয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার প্রতিনিধিরা।
বিজিবির ঢাকা সদর দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে সম্মেলনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশ ৭টি বিষয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তুলে ধরবে। এগুলো হলো– সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা, পুশইন, অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান, মাদক পাচার, ভারতীয় চোরাকারবারি চক্রের তৎপরতা, নো-ম্যানস ল্যান্ড থেকে ১৫০ গজের মধ্যে অননুমোদিত স্থাপনা নির্মাণ এবং ভারতে আশ্রিত পার্বত্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম।
এবারের সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে সীমান্ত হত্যার বিষয়টি। গত ৮ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থী মোরছালিন ও বৃদ্ধ নবীর হোসেন নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন।
পুশইন প্রসঙ্গে বিজিবি সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত ৩১ মে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবি প্রতিহত করে। এরপর থেকে সমগ্র সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।
অস্ত্র ও মাদক পাচার প্রসঙ্গে বিজিবি জানায়, গত ডিসেম্বরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত থেকে ২৪টি বিস্ফোরকসহ একটি বড় চালান জব্দ করা হয়। যশোর, বেনাপোল, সিলেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বেশ কিছু সীমান্ত রুট দিয়ে ফেনসিডিল, ইয়াবা, হেরোইন ও সিনথেটিক মাদক নিয়মিত বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলেও সীমান্ত সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র গোষ্ঠী বিষয়ে বাংলাদেশ জানাবে যে, জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) ক্যাম্প এবং কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) প্রধান নাথান বম ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রবিবার (৭ জুন) জানান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পুশইন-সংক্রান্ত বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সরকার কূটনৈতিক পর্যায়েও যোগাযোগ বজায় রেখেছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে সরকার প্রস্তুত।
১৯৭৫ সালের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত কর্তৃপক্ষ নির্দেশিকার আওতায় দুই বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের এই বৈঠক বছরে দুবার পর্যায়ক্রমে ঢাকা ও দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সর্বশেষ ৫৬তম সম্মেলন গত বছর আগস্টে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার। এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত।

দিল্লিতে সীমান্ত সম্মেলন শুরু, ৭ বিষয়ে অগ্রাধিকার বিজিবির
সিটিজেন ডেস্ক

সীমান্ত হত্যা ও পুশইনসহ ৭টি অমীমাংসিত বিষয়ে আলোচনার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন।
সোমবার (৮ জুন) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া ৪ দিনের এই সম্মেলন শেষ হবে আগামী ১১ জুন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বাহিনীর মধ্যে এটিই প্রথম মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক।
বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অন্যদিকে বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদলে রয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার প্রতিনিধিরা।
বিজিবির ঢাকা সদর দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে সম্মেলনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশ ৭টি বিষয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তুলে ধরবে। এগুলো হলো– সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা, পুশইন, অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান, মাদক পাচার, ভারতীয় চোরাকারবারি চক্রের তৎপরতা, নো-ম্যানস ল্যান্ড থেকে ১৫০ গজের মধ্যে অননুমোদিত স্থাপনা নির্মাণ এবং ভারতে আশ্রিত পার্বত্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম।
এবারের সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে সীমান্ত হত্যার বিষয়টি। গত ৮ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থী মোরছালিন ও বৃদ্ধ নবীর হোসেন নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন।
পুশইন প্রসঙ্গে বিজিবি সূত্র জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত ৩১ মে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবি প্রতিহত করে। এরপর থেকে সমগ্র সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।
অস্ত্র ও মাদক পাচার প্রসঙ্গে বিজিবি জানায়, গত ডিসেম্বরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত থেকে ২৪টি বিস্ফোরকসহ একটি বড় চালান জব্দ করা হয়। যশোর, বেনাপোল, সিলেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বেশ কিছু সীমান্ত রুট দিয়ে ফেনসিডিল, ইয়াবা, হেরোইন ও সিনথেটিক মাদক নিয়মিত বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলেও সীমান্ত সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র গোষ্ঠী বিষয়ে বাংলাদেশ জানাবে যে, জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) ক্যাম্প এবং কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) প্রধান নাথান বম ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রবিবার (৭ জুন) জানান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পুশইন-সংক্রান্ত বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সরকার কূটনৈতিক পর্যায়েও যোগাযোগ বজায় রেখেছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে সরকার প্রস্তুত।
১৯৭৫ সালের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত কর্তৃপক্ষ নির্দেশিকার আওতায় দুই বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের এই বৈঠক বছরে দুবার পর্যায়ক্রমে ঢাকা ও দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সর্বশেষ ৫৬তম সম্মেলন গত বছর আগস্টে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার। এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত।

সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি


