প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
সিজেডএন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি সফরে তার সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমান। রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।
নিজের ফেসবুক পোস্টে জাপান সফরের বিষয়টি জানিয়েছেন মো. তারেক রহমান। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ভালোবাসা সবাইকে।’
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমজনতার সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সোহেল আমিন। তিনি জানান, রবিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের উদ্দেশে রওনা হবেন দলটির সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান।
জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে এ সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা পর্যালোচনার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হবে।
এ ছাড়া জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও তার বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।
সফরসূচিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লোর সদরদপ্তর ও টয়োটার কারখানা পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে।
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা সফরের অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, সফরকালে কৃষি, মৎস্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক সই কিংবা সহযোগিতা নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি-স্থিতিশীলতার মতো বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি সফরে তার সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমান। রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।
নিজের ফেসবুক পোস্টে জাপান সফরের বিষয়টি জানিয়েছেন মো. তারেক রহমান। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ভালোবাসা সবাইকে।’
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমজনতার সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সোহেল আমিন। তিনি জানান, রবিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের উদ্দেশে রওনা হবেন দলটির সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান।
জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে এ সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা পর্যালোচনার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হবে।
এ ছাড়া জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও তার বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।
সফরসূচিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লোর সদরদপ্তর ও টয়োটার কারখানা পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে।
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা সফরের অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, সফরকালে কৃষি, মৎস্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক সই কিংবা সহযোগিতা নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি-স্থিতিশীলতার মতো বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক
সিজেডএন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি সফরে তার সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমান। রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার জাপান যাওয়ার কথা রয়েছে।
নিজের ফেসবুক পোস্টে জাপান সফরের বিষয়টি জানিয়েছেন মো. তারেক রহমান। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ভালোবাসা সবাইকে।’
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমজনতার সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সোহেল আমিন। তিনি জানান, রবিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের উদ্দেশে রওনা হবেন দলটির সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান।
জাপানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে এ সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা পর্যালোচনার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হবে।
এ ছাড়া জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও তার বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।
সফরসূচিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লোর সদরদপ্তর ও টয়োটার কারখানা পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে।
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা সফরের অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, সফরকালে কৃষি, মৎস্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক সই কিংবা সহযোগিতা নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি-স্থিতিশীলতার মতো বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।









