৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ৬৫১ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ৬৫১ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক

৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত ৬৫১ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাকে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০২৬ অনুসারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১২ অক্টোবর সশরীরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদান করতে হবে। ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে।
প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ও ৫ অক্টোবর জারি হওয়া দুটি প্রজ্ঞাপনের ৬১১ জন এবং ৪০ জনসহ মোট ৬৫১ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০২৬ অনুসারে টাকা ৪৪,০০০-১,০৫৯০০/- বেতনক্রমে প্রচলিত বিধি-বিধানের আলোকে নিচের বর্ণিত শর্তে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে ১৩টি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। শর্তগুলো হলো- প্রার্থীকে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে; এই বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে সেরূপ পেশাগত ও বিশেষ ধরণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে; তাকে ২ বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিসকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বর্ধিত করতে পারবে। শিক্ষানবিসকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাথে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা যাবে; উপানুচ্ছেদ (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিসকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে; উপানুচ্ছেদ (ক) এ উল্লিখিত প্রশিক্ষণের জন্য কর্মস্থল হতে অব্যাহতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট একটি অঙ্গীকারনামা দাখিল করে তাকে প্রশিক্ষণে যেতে হবে। তাকে একজন জামানতদারসহ ৩০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এ মর্মে একটি বন্ড সম্পাদন করতে হবে যে, যদি তিনি শিক্ষানবিসকালে অথবা শিক্ষানবিশকাল উত্তীর্ণ হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে চাকরিতে ইস্তফা দেন, তবে প্রশিক্ষণকালে তাকে প্রদত্ত বেতন-ভাতা, প্রশিক্ষণ উপলক্ষে উত্তোলিত অগ্রিম/ভ্রমণভাতা/অন্যান্য ভাতাদি ও তার প্রশিক্ষণের জন্য ব্যয়িত সমুদয় অর্থ ফেরত দিতে তিনি বাধ্য থাকবেন; চাকরি হতে ইস্তফা দেওয়ার ক্ষেত্রে, তার ইস্তফা সরকার কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পূর্বে যদি তিনি তার কর্তব্য-কাজে অনুপস্থিত থাকেন, তবে উপানুচ্ছেদ (ঙ) অনুযায়ী তার নিকট সরকারের প্রাপ্য সমুদয় অর্থ পাবলিক ডিমান্ডস রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩ এর বিধান অনুসারে আদায় করা হবে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে; ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী তার জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ৬৫১ জন প্রার্থীকে আগামী ১২ অক্টোবর পূর্বাহ্নে আবশ্যিকভাবে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর স্বশরীরে (যোগদানের স্থান: পল্লী উন্নয়ন একাডেমি-আরডিএ, বগুড়া) উপস্থিত হয়ে প্রভাষক পদে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানে ১২-১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন মর্মে ধরে নেয়া হবে এবং এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত ৬৫১ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাকে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০২৬ অনুসারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১২ অক্টোবর সশরীরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদান করতে হবে। ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে।
প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ও ৫ অক্টোবর জারি হওয়া দুটি প্রজ্ঞাপনের ৬১১ জন এবং ৪০ জনসহ মোট ৬৫১ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০২৬ অনুসারে টাকা ৪৪,০০০-১,০৫৯০০/- বেতনক্রমে প্রচলিত বিধি-বিধানের আলোকে নিচের বর্ণিত শর্তে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে ১৩টি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। শর্তগুলো হলো- প্রার্থীকে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে; এই বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে সেরূপ পেশাগত ও বিশেষ ধরণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে; তাকে ২ বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিসকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বর্ধিত করতে পারবে। শিক্ষানবিসকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাথে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা যাবে; উপানুচ্ছেদ (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিসকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে; উপানুচ্ছেদ (ক) এ উল্লিখিত প্রশিক্ষণের জন্য কর্মস্থল হতে অব্যাহতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট একটি অঙ্গীকারনামা দাখিল করে তাকে প্রশিক্ষণে যেতে হবে। তাকে একজন জামানতদারসহ ৩০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এ মর্মে একটি বন্ড সম্পাদন করতে হবে যে, যদি তিনি শিক্ষানবিসকালে অথবা শিক্ষানবিশকাল উত্তীর্ণ হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে চাকরিতে ইস্তফা দেন, তবে প্রশিক্ষণকালে তাকে প্রদত্ত বেতন-ভাতা, প্রশিক্ষণ উপলক্ষে উত্তোলিত অগ্রিম/ভ্রমণভাতা/অন্যান্য ভাতাদি ও তার প্রশিক্ষণের জন্য ব্যয়িত সমুদয় অর্থ ফেরত দিতে তিনি বাধ্য থাকবেন; চাকরি হতে ইস্তফা দেওয়ার ক্ষেত্রে, তার ইস্তফা সরকার কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পূর্বে যদি তিনি তার কর্তব্য-কাজে অনুপস্থিত থাকেন, তবে উপানুচ্ছেদ (ঙ) অনুযায়ী তার নিকট সরকারের প্রাপ্য সমুদয় অর্থ পাবলিক ডিমান্ডস রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩ এর বিধান অনুসারে আদায় করা হবে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে; ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী তার জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ৬৫১ জন প্রার্থীকে আগামী ১২ অক্টোবর পূর্বাহ্নে আবশ্যিকভাবে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর স্বশরীরে (যোগদানের স্থান: পল্লী উন্নয়ন একাডেমি-আরডিএ, বগুড়া) উপস্থিত হয়ে প্রভাষক পদে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানে ১২-১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন মর্মে ধরে নেয়া হবে এবং এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ৬৫১ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক

৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত ৬৫১ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাকে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০২৬ অনুসারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১২ অক্টোবর সশরীরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদান করতে হবে। ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে।
প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ও ৫ অক্টোবর জারি হওয়া দুটি প্রজ্ঞাপনের ৬১১ জন এবং ৪০ জনসহ মোট ৬৫১ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০২৬ অনুসারে টাকা ৪৪,০০০-১,০৫৯০০/- বেতনক্রমে প্রচলিত বিধি-বিধানের আলোকে নিচের বর্ণিত শর্তে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে ১৩টি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। শর্তগুলো হলো- প্রার্থীকে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে; এই বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেরূপ স্থির করবে সেরূপ পেশাগত ও বিশেষ ধরণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে; তাকে ২ বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিসকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর বর্ধিত করতে পারবে। শিক্ষানবিসকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাথে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি হতে অপসারণ করা যাবে; উপানুচ্ছেদ (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত প্রশিক্ষণ সাফল্যের সাথে সমাপন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিসকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে; উপানুচ্ছেদ (ক) এ উল্লিখিত প্রশিক্ষণের জন্য কর্মস্থল হতে অব্যাহতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট একটি অঙ্গীকারনামা দাখিল করে তাকে প্রশিক্ষণে যেতে হবে। তাকে একজন জামানতদারসহ ৩০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এ মর্মে একটি বন্ড সম্পাদন করতে হবে যে, যদি তিনি শিক্ষানবিসকালে অথবা শিক্ষানবিশকাল উত্তীর্ণ হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে চাকরিতে ইস্তফা দেন, তবে প্রশিক্ষণকালে তাকে প্রদত্ত বেতন-ভাতা, প্রশিক্ষণ উপলক্ষে উত্তোলিত অগ্রিম/ভ্রমণভাতা/অন্যান্য ভাতাদি ও তার প্রশিক্ষণের জন্য ব্যয়িত সমুদয় অর্থ ফেরত দিতে তিনি বাধ্য থাকবেন; চাকরি হতে ইস্তফা দেওয়ার ক্ষেত্রে, তার ইস্তফা সরকার কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পূর্বে যদি তিনি তার কর্তব্য-কাজে অনুপস্থিত থাকেন, তবে উপানুচ্ছেদ (ঙ) অনুযায়ী তার নিকট সরকারের প্রাপ্য সমুদয় অর্থ পাবলিক ডিমান্ডস রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩ এর বিধান অনুসারে আদায় করা হবে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে; ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী তার জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ৬৫১ জন প্রার্থীকে আগামী ১২ অক্টোবর পূর্বাহ্নে আবশ্যিকভাবে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর স্বশরীরে (যোগদানের স্থান: পল্লী উন্নয়ন একাডেমি-আরডিএ, বগুড়া) উপস্থিত হয়ে প্রভাষক পদে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানে ১২-১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৮ দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন মর্মে ধরে নেয়া হবে এবং এ নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

ঢাকার লালমাটিয়ায় গৃহায়নের হচ্ছে ‘শিউলিমালা’ ফ্ল্যাট প্রকল্প







