১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। দলীয় নেতাকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে আয়োজিত দুই দিনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সেখান থেকেই দেশে ফেরার কথা রয়েছে তার। সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, পুরো যুক্তরাষ্ট্র সফর ৮ থেকে ১০ দিনের হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হতে যাচ্ছে। ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ফলে দীর্ঘ ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের মিলনায়তনে একইসঙ্গে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান ও সভাপতির আসন অলংকৃত হতে যাচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে এটি বাংলাদেশ ও বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত বিরল ও গৌরবময় এক কূটনৈতিক দৃশ্যপট তৈরি করবে।
জানা গেছে, সরকারপ্রধানের সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সফরসূচি ও অন্যান্য কর্মসূচি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সফর উপলক্ষে নানা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সময় সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন তারেক রহমান। এবার তার সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং তাকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে বড় পরিসরের একটি নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এ লক্ষ্যে এরইমধ্যে ভার্চুয়াল যৌথ প্রস্তুতি সভা করেছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর নিউইয়র্কে সমবেত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো শিডিউল চূড়ান্ত হয়নি। সফরসূচি চূড়ান্ত করা নিয়ে কার্যক্রম চলছে।
কূটনৈতিক ও দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর বহর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর সম্ভাব্য সূচি নির্ধারিত রয়েছে। অধিবেশনে যোগদানের পাশাপাশি তিনি সফরকালে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর বিকালে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের মূল মিলনায়তনে তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে তার বহুল প্রতীক্ষিত ভাষণ তুলে ধরবেন।
উল্লেখ্য, সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ থেকে ২৬ জুলাই মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর কয়েকটি দেশ সফরের জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদানের আগে প্রধানমন্ত্রী আপাতত অন্য কোনো দেশ সফরে যাচ্ছেন না।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। দলীয় নেতাকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে আয়োজিত দুই দিনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সেখান থেকেই দেশে ফেরার কথা রয়েছে তার। সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, পুরো যুক্তরাষ্ট্র সফর ৮ থেকে ১০ দিনের হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হতে যাচ্ছে। ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ফলে দীর্ঘ ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের মিলনায়তনে একইসঙ্গে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান ও সভাপতির আসন অলংকৃত হতে যাচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে এটি বাংলাদেশ ও বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত বিরল ও গৌরবময় এক কূটনৈতিক দৃশ্যপট তৈরি করবে।
জানা গেছে, সরকারপ্রধানের সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সফরসূচি ও অন্যান্য কর্মসূচি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সফর উপলক্ষে নানা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সময় সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন তারেক রহমান। এবার তার সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং তাকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে বড় পরিসরের একটি নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এ লক্ষ্যে এরইমধ্যে ভার্চুয়াল যৌথ প্রস্তুতি সভা করেছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর নিউইয়র্কে সমবেত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো শিডিউল চূড়ান্ত হয়নি। সফরসূচি চূড়ান্ত করা নিয়ে কার্যক্রম চলছে।
কূটনৈতিক ও দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর বহর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর সম্ভাব্য সূচি নির্ধারিত রয়েছে। অধিবেশনে যোগদানের পাশাপাশি তিনি সফরকালে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর বিকালে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের মূল মিলনায়তনে তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে তার বহুল প্রতীক্ষিত ভাষণ তুলে ধরবেন।
উল্লেখ্য, সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ থেকে ২৬ জুলাই মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর কয়েকটি দেশ সফরের জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদানের আগে প্রধানমন্ত্রী আপাতত অন্য কোনো দেশ সফরে যাচ্ছেন না।

১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। দলীয় নেতাকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে আয়োজিত দুই দিনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সেখান থেকেই দেশে ফেরার কথা রয়েছে তার। সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের তথ্য অনুযায়ী, পুরো যুক্তরাষ্ট্র সফর ৮ থেকে ১০ দিনের হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হতে যাচ্ছে। ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ফলে দীর্ঘ ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের মিলনায়তনে একইসঙ্গে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান ও সভাপতির আসন অলংকৃত হতে যাচ্ছে। বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে এটি বাংলাদেশ ও বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত বিরল ও গৌরবময় এক কূটনৈতিক দৃশ্যপট তৈরি করবে।
জানা গেছে, সরকারপ্রধানের সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সফরসূচি ও অন্যান্য কর্মসূচি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সফর উপলক্ষে নানা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সময় সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন তারেক রহমান। এবার তার সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং তাকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে বড় পরিসরের একটি নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এ লক্ষ্যে এরইমধ্যে ভার্চুয়াল যৌথ প্রস্তুতি সভা করেছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর নিউইয়র্কে সমবেত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো শিডিউল চূড়ান্ত হয়নি। সফরসূচি চূড়ান্ত করা নিয়ে কার্যক্রম চলছে।
কূটনৈতিক ও দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর বহর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর সম্ভাব্য সূচি নির্ধারিত রয়েছে। অধিবেশনে যোগদানের পাশাপাশি তিনি সফরকালে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর বিকালে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের মূল মিলনায়তনে তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে তার বহুল প্রতীক্ষিত ভাষণ তুলে ধরবেন।
উল্লেখ্য, সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ থেকে ২৬ জুলাই মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর কয়েকটি দেশ সফরের জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদানের আগে প্রধানমন্ত্রী আপাতত অন্য কোনো দেশ সফরে যাচ্ছেন না।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাম্পের বিশেষ দূতের বৈঠক







