এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু করতে কর্মপরিকল্পনা চাইলো মন্ত্রণালয়

এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু করতে কর্মপরিকল্পনা চাইলো মন্ত্রণালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর প্রস্তুতি নিতে আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত, প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন চিহ্নিত করে আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে গত ১৫ অক্টোবর জারি করা চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)সহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও শাখায় পাঠানো হয়েছে।
চিঠি অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছর হবে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর। ওই বছর জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে অর্থবছর শেষ হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে প্রতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে পরবর্তী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নতুন অর্থবছর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করতে চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, বিশেষ আদেশ (এসআরও), চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে।
অর্থবছর পরিবর্তনের কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, জাতীয় পরিসংখ্যান এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সফটওয়্যারগুলো নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়টিও নির্দেশনায় রয়েছে।
রাজউক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থাকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা জমার মাধ্যমে নতুন অর্থবছর চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে চায় মন্ত্রণালয়।

প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর প্রস্তুতি নিতে আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত, প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন চিহ্নিত করে আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে গত ১৫ অক্টোবর জারি করা চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)সহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও শাখায় পাঠানো হয়েছে।
চিঠি অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছর হবে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর। ওই বছর জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে অর্থবছর শেষ হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে প্রতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে পরবর্তী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নতুন অর্থবছর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করতে চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, বিশেষ আদেশ (এসআরও), চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে।
অর্থবছর পরিবর্তনের কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, জাতীয় পরিসংখ্যান এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সফটওয়্যারগুলো নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়টিও নির্দেশনায় রয়েছে।
রাজউক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থাকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা জমার মাধ্যমে নতুন অর্থবছর চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে চায় মন্ত্রণালয়।

এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু করতে কর্মপরিকল্পনা চাইলো মন্ত্রণালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর প্রস্তুতি নিতে আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত, প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন চিহ্নিত করে আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে গত ১৫ অক্টোবর জারি করা চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)সহ সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও শাখায় পাঠানো হয়েছে।
চিঠি অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছর হবে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর। ওই বছর জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে অর্থবছর শেষ হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে প্রতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে পরবর্তী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নতুন অর্থবছর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করতে চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, বিশেষ আদেশ (এসআরও), চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে।
অর্থবছর পরিবর্তনের কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, জাতীয় পরিসংখ্যান এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সফটওয়্যারগুলো নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়টিও নির্দেশনায় রয়েছে।
রাজউক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থাকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা জমার মাধ্যমে নতুন অর্থবছর চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে চায় মন্ত্রণালয়।









