জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসার ৮৫ শহীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসার ৮৫ শহীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের ৮৫ জন শহীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে ‘সাধারণ আলেম সমাজ’ নামে একটি বেসরকারি সংগঠন। দীর্ঘ ১০ মাসের অনুসন্ধান, শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য এবং সরকারি গেজেটের তথ্য যাচাই করে এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আবাবিলের ঘটনা জালেম শক্তির বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য ও প্রতিরোধের প্রতীক। সেই প্রতীকী অর্থে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তারা কোনো সংগঠিত সামরিক শক্তি ছিলেন না, বরং ঈমান, নৈতিক সাহস, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ৮৫ জন শাহাদাত বরণ করেছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সাধারণ আলেম সমাজের দাবি, পূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন তালিকায় তথ্যগত অসম্পূর্ণতা ছিল। তাই প্রতিটি শহীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে, শাহাদাতের ঘটনাপ্রবাহ এবং সরকারি গেজেটের তথ্য মিলিয়ে নতুন করে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
সংগঠনটির অনুসন্ধানে আরও দাবি করা হয়েছে, ১৯ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ জন শহীদ হন। তাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগের ইতিহাস মূল্যায়নে ১৯ জুলাইকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করে তারা।
এ উপলক্ষে সাধারণ আলেম সমাজ ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ নামে একটি বইও প্রকাশ করেছে। বইটিতে ৮৫ জন শহীদের জীবন, পারিবারিক পরিচয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তাদের ভূমিকা এবং শাহাদাতের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। বইটি লিখেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আকিফ আব্দুল্লাহ এবং সম্পাদনা করেছেন সংগঠনটির মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান।
সংগঠনটির দাবি, ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ শুধু শহীদদের জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের ভূমিকা এবং আত্মত্যাগের একটি গবেষণাধর্মী দলিল।
সংগঠনটির মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান সিজেডএন টোয়েন্টিফোর বলেন, আমরা দীর্ঘ ১০ মাস ধরে শহীদদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সরকারি গেজেটের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে এই তালিকা প্রস্তুত করেছি। এর বাইরে আর কারও থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে যারা বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ থাকলে সেই তথ্য এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। তালিকায় আলিয়া ও কওমি উভয় ধারার মাদ্রাসার শহীদদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের ৮৫ জন শহীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে ‘সাধারণ আলেম সমাজ’ নামে একটি বেসরকারি সংগঠন। দীর্ঘ ১০ মাসের অনুসন্ধান, শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য এবং সরকারি গেজেটের তথ্য যাচাই করে এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আবাবিলের ঘটনা জালেম শক্তির বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য ও প্রতিরোধের প্রতীক। সেই প্রতীকী অর্থে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তারা কোনো সংগঠিত সামরিক শক্তি ছিলেন না, বরং ঈমান, নৈতিক সাহস, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ৮৫ জন শাহাদাত বরণ করেছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সাধারণ আলেম সমাজের দাবি, পূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন তালিকায় তথ্যগত অসম্পূর্ণতা ছিল। তাই প্রতিটি শহীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে, শাহাদাতের ঘটনাপ্রবাহ এবং সরকারি গেজেটের তথ্য মিলিয়ে নতুন করে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
সংগঠনটির অনুসন্ধানে আরও দাবি করা হয়েছে, ১৯ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ জন শহীদ হন। তাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগের ইতিহাস মূল্যায়নে ১৯ জুলাইকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করে তারা।
এ উপলক্ষে সাধারণ আলেম সমাজ ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ নামে একটি বইও প্রকাশ করেছে। বইটিতে ৮৫ জন শহীদের জীবন, পারিবারিক পরিচয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তাদের ভূমিকা এবং শাহাদাতের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। বইটি লিখেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আকিফ আব্দুল্লাহ এবং সম্পাদনা করেছেন সংগঠনটির মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান।
সংগঠনটির দাবি, ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ শুধু শহীদদের জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের ভূমিকা এবং আত্মত্যাগের একটি গবেষণাধর্মী দলিল।
সংগঠনটির মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান সিজেডএন টোয়েন্টিফোর বলেন, আমরা দীর্ঘ ১০ মাস ধরে শহীদদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সরকারি গেজেটের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে এই তালিকা প্রস্তুত করেছি। এর বাইরে আর কারও থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে যারা বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ থাকলে সেই তথ্য এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। তালিকায় আলিয়া ও কওমি উভয় ধারার মাদ্রাসার শহীদদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসার ৮৫ শহীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের ৮৫ জন শহীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে ‘সাধারণ আলেম সমাজ’ নামে একটি বেসরকারি সংগঠন। দীর্ঘ ১০ মাসের অনুসন্ধান, শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য এবং সরকারি গেজেটের তথ্য যাচাই করে এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আবাবিলের ঘটনা জালেম শক্তির বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য ও প্রতিরোধের প্রতীক। সেই প্রতীকী অর্থে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তারা কোনো সংগঠিত সামরিক শক্তি ছিলেন না, বরং ঈমান, নৈতিক সাহস, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ৮৫ জন শাহাদাত বরণ করেছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সাধারণ আলেম সমাজের দাবি, পূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন তালিকায় তথ্যগত অসম্পূর্ণতা ছিল। তাই প্রতিটি শহীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে, শাহাদাতের ঘটনাপ্রবাহ এবং সরকারি গেজেটের তথ্য মিলিয়ে নতুন করে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
সংগঠনটির অনুসন্ধানে আরও দাবি করা হয়েছে, ১৯ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ জন শহীদ হন। তাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগের ইতিহাস মূল্যায়নে ১৯ জুলাইকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করে তারা।
এ উপলক্ষে সাধারণ আলেম সমাজ ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ নামে একটি বইও প্রকাশ করেছে। বইটিতে ৮৫ জন শহীদের জীবন, পারিবারিক পরিচয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তাদের ভূমিকা এবং শাহাদাতের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। বইটি লিখেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আকিফ আব্দুল্লাহ এবং সম্পাদনা করেছেন সংগঠনটির মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান।
সংগঠনটির দাবি, ‘জুলাইয়ের আবাবিল’ শুধু শহীদদের জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজের ভূমিকা এবং আত্মত্যাগের একটি গবেষণাধর্মী দলিল।
সংগঠনটির মুখপাত্র রিদওয়ান হাসান সিজেডএন টোয়েন্টিফোর বলেন, আমরা দীর্ঘ ১০ মাস ধরে শহীদদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সরকারি গেজেটের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে এই তালিকা প্রস্তুত করেছি। এর বাইরে আর কারও থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে যারা বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ থাকলে সেই তথ্য এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। তালিকায় আলিয়া ও কওমি উভয় ধারার মাদ্রাসার শহীদদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল







