ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের ১০ দফা সুপারিশ

ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের ১০ দফা সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬-এ বাক্স্বাধীনতা, সাংবাদিকতা ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় ১০ দফা সুপারিশ দিয়েছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদের এই সংগঠন আইনটির কয়েকটি ধারা সংশোধন ও কিছু বিধান বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের মাধ্যমে এসব সুপারিশসংবলিত চিঠি পাঠানো হয়। এনইসির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
চিঠিতে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের পরামর্শমূলক সভা আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। এনইসি বলেছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন জরুরি। তবে এ আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাক্স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারও সুরক্ষিত রাখতে হবে।
এনইসির সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে, নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বাইরে অন্য কোনো ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংস্থা বা বাহিনীকে এ আইনের অধীনে ক্ষমতা না দেওয়া। অনলাইন থেকে কোনো তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি।
আইনে মানহানিকে সাইবার অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করার পক্ষে মত দিয়েছে এনইসি। সংগঠনটির যুক্তি, মানহানির বিচার করার জন্য প্রচলিত দণ্ডবিধিতেই বিধান রয়েছে। তাই এ অপরাধকে সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় আনলে অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
সাইবার বুলিংয়ের সংজ্ঞা ও অপরাধের ব্যাখ্যা আরও সুনির্দিষ্ট করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। তাদের মতে, অস্পষ্ট বিধান থাকলে আইনটি অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রস্তাবিত আইনের ২৬(ক) ধারা বাতিলের দাবি জানিয়েছে এনইসি। সংগঠনটির মতে, সাইবার পরিসরে গুজব ও অপতথ্য প্রচারসংক্রান্ত এই ধারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া ২৯ ধারায় কোনো কোম্পানির নিবন্ধন স্থগিত, বাতিল বা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবিত বিধান প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে এনইসি। তাদের আশঙ্কা, এই বিধানের অপব্যবহার করে ভবিষ্যতে কোনো সরকার গণমাধ্যমের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানি বন্ধের পরিবর্তে অর্থদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
আইনের ৪১ নম্বর ধারায় ২৬(ক) ধারাটি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে এনইসি। একই সঙ্গে সাইবার সুরক্ষা আইনের অপব্যবহার থেকে সাংবাদিকতা ও বৈধ মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় সুস্পষ্ট বিধান রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের বিরুদ্ধে এ আইনে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে বিচারিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে এনইসি। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাইবার অপরাধের বিচারের প্রস্তাবিত বিধান বাতিলের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।
এনইসির মতে, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি আইনের প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। এমন আইন প্রণয়ন করতে হবে, যাতে অপরাধ দমন করা যায়, কিন্তু সাংবাদিকতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়।

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬-এ বাক্স্বাধীনতা, সাংবাদিকতা ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় ১০ দফা সুপারিশ দিয়েছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদের এই সংগঠন আইনটির কয়েকটি ধারা সংশোধন ও কিছু বিধান বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের মাধ্যমে এসব সুপারিশসংবলিত চিঠি পাঠানো হয়। এনইসির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
চিঠিতে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের পরামর্শমূলক সভা আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। এনইসি বলেছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন জরুরি। তবে এ আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাক্স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারও সুরক্ষিত রাখতে হবে।
এনইসির সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে, নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বাইরে অন্য কোনো ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংস্থা বা বাহিনীকে এ আইনের অধীনে ক্ষমতা না দেওয়া। অনলাইন থেকে কোনো তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি।
আইনে মানহানিকে সাইবার অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করার পক্ষে মত দিয়েছে এনইসি। সংগঠনটির যুক্তি, মানহানির বিচার করার জন্য প্রচলিত দণ্ডবিধিতেই বিধান রয়েছে। তাই এ অপরাধকে সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় আনলে অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
সাইবার বুলিংয়ের সংজ্ঞা ও অপরাধের ব্যাখ্যা আরও সুনির্দিষ্ট করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। তাদের মতে, অস্পষ্ট বিধান থাকলে আইনটি অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রস্তাবিত আইনের ২৬(ক) ধারা বাতিলের দাবি জানিয়েছে এনইসি। সংগঠনটির মতে, সাইবার পরিসরে গুজব ও অপতথ্য প্রচারসংক্রান্ত এই ধারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া ২৯ ধারায় কোনো কোম্পানির নিবন্ধন স্থগিত, বাতিল বা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবিত বিধান প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে এনইসি। তাদের আশঙ্কা, এই বিধানের অপব্যবহার করে ভবিষ্যতে কোনো সরকার গণমাধ্যমের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানি বন্ধের পরিবর্তে অর্থদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
আইনের ৪১ নম্বর ধারায় ২৬(ক) ধারাটি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে এনইসি। একই সঙ্গে সাইবার সুরক্ষা আইনের অপব্যবহার থেকে সাংবাদিকতা ও বৈধ মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় সুস্পষ্ট বিধান রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের বিরুদ্ধে এ আইনে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে বিচারিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে এনইসি। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাইবার অপরাধের বিচারের প্রস্তাবিত বিধান বাতিলের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।
এনইসির মতে, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি আইনের প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। এমন আইন প্রণয়ন করতে হবে, যাতে অপরাধ দমন করা যায়, কিন্তু সাংবাদিকতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়।

ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের ১০ দফা সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬-এ বাক্স্বাধীনতা, সাংবাদিকতা ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় ১০ দফা সুপারিশ দিয়েছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদের এই সংগঠন আইনটির কয়েকটি ধারা সংশোধন ও কিছু বিধান বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের মাধ্যমে এসব সুপারিশসংবলিত চিঠি পাঠানো হয়। এনইসির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
চিঠিতে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের পরামর্শমূলক সভা আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। এনইসি বলেছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন জরুরি। তবে এ আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাক্স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারও সুরক্ষিত রাখতে হবে।
এনইসির সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে, নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বাইরে অন্য কোনো ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংস্থা বা বাহিনীকে এ আইনের অধীনে ক্ষমতা না দেওয়া। অনলাইন থেকে কোনো তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল বা আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি।
আইনে মানহানিকে সাইবার অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করার পক্ষে মত দিয়েছে এনইসি। সংগঠনটির যুক্তি, মানহানির বিচার করার জন্য প্রচলিত দণ্ডবিধিতেই বিধান রয়েছে। তাই এ অপরাধকে সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় আনলে অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
সাইবার বুলিংয়ের সংজ্ঞা ও অপরাধের ব্যাখ্যা আরও সুনির্দিষ্ট করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। তাদের মতে, অস্পষ্ট বিধান থাকলে আইনটি অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রস্তাবিত আইনের ২৬(ক) ধারা বাতিলের দাবি জানিয়েছে এনইসি। সংগঠনটির মতে, সাইবার পরিসরে গুজব ও অপতথ্য প্রচারসংক্রান্ত এই ধারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া ২৯ ধারায় কোনো কোম্পানির নিবন্ধন স্থগিত, বাতিল বা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবিত বিধান প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে এনইসি। তাদের আশঙ্কা, এই বিধানের অপব্যবহার করে ভবিষ্যতে কোনো সরকার গণমাধ্যমের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানি বন্ধের পরিবর্তে অর্থদণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
আইনের ৪১ নম্বর ধারায় ২৬(ক) ধারাটি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে এনইসি। একই সঙ্গে সাইবার সুরক্ষা আইনের অপব্যবহার থেকে সাংবাদিকতা ও বৈধ মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় সুস্পষ্ট বিধান রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের বিরুদ্ধে এ আইনে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে বিচারিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে এনইসি। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাইবার অপরাধের বিচারের প্রস্তাবিত বিধান বাতিলের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।
এনইসির মতে, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি আইনের প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। এমন আইন প্রণয়ন করতে হবে, যাতে অপরাধ দমন করা যায়, কিন্তু সাংবাদিকতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়।








