ঢাকার চেহারা বদলানো সম্ভব, প্রয়োজন ইতিবাচক মানসিকতা: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার চেহারা বদলানো সম্ভব, প্রয়োজন ইতিবাচক মানসিকতা: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকার চেহারা বদলানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সবাই ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকা শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক পরিবেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন কার্যক্রম ও নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন শেষে নগর ভবনে যান তিনি। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন করেন। তিনি উদ্যান প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন এবং উদ্যানের পাশে স্থাপিত গ্রন্থাগারও পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নগর ভবনটির উদ্বোধন করেন।
নগর ভবন পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেখানে অবস্থিত দুর্যোগকালীন জরুরি পরিচালন কেন্দ্র ‘শীতলক্ষ্যা হল’-এ ডিএসসিসির সাম্প্রতিক কার্যক্রমের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট উপস্থাপনা উপভোগ করেন। পরে নগর ভবন অডিটোরিয়ামে সিটি কর্পোরেশেনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবর্তনের ইচ্ছা এবং চেষ্টাই আসল। ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকা শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক পরিবেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন অবশ্যই সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিজেদের সন্তান ও অনাগত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে শহর বদলাতে হয়তো কিছু সময় লাগবে। কিন্তু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই শহরকে সুন্দর রাখার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। নিজেদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে, কারণ নিজের পরিবর্তন দিয়েই সমাজ ও দেশ পরিবর্তনের সূচনা হয়।’
এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. শহিদুল হাসান।

ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকার চেহারা বদলানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সবাই ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকা শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক পরিবেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন কার্যক্রম ও নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন শেষে নগর ভবনে যান তিনি। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন করেন। তিনি উদ্যান প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন এবং উদ্যানের পাশে স্থাপিত গ্রন্থাগারও পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নগর ভবনটির উদ্বোধন করেন।
নগর ভবন পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেখানে অবস্থিত দুর্যোগকালীন জরুরি পরিচালন কেন্দ্র ‘শীতলক্ষ্যা হল’-এ ডিএসসিসির সাম্প্রতিক কার্যক্রমের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট উপস্থাপনা উপভোগ করেন। পরে নগর ভবন অডিটোরিয়ামে সিটি কর্পোরেশেনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবর্তনের ইচ্ছা এবং চেষ্টাই আসল। ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকা শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক পরিবেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন অবশ্যই সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিজেদের সন্তান ও অনাগত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে শহর বদলাতে হয়তো কিছু সময় লাগবে। কিন্তু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই শহরকে সুন্দর রাখার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। নিজেদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে, কারণ নিজের পরিবর্তন দিয়েই সমাজ ও দেশ পরিবর্তনের সূচনা হয়।’
এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. শহিদুল হাসান।

ঢাকার চেহারা বদলানো সম্ভব, প্রয়োজন ইতিবাচক মানসিকতা: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকার চেহারা বদলানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সবাই ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকা শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক পরিবেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবন পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন কার্যক্রম ও নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন শেষে নগর ভবনে যান তিনি। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যানের উদ্বোধন করেন। তিনি উদ্যান প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন এবং উদ্যানের পাশে স্থাপিত গ্রন্থাগারও পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নগর ভবনটির উদ্বোধন করেন।
নগর ভবন পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেখানে অবস্থিত দুর্যোগকালীন জরুরি পরিচালন কেন্দ্র ‘শীতলক্ষ্যা হল’-এ ডিএসসিসির সাম্প্রতিক কার্যক্রমের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট উপস্থাপনা উপভোগ করেন। পরে নগর ভবন অডিটোরিয়ামে সিটি কর্পোরেশেনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবর্তনের ইচ্ছা এবং চেষ্টাই আসল। ইতিবাচক চিন্তা ও মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে ঢাকা শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক পরিবেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন অবশ্যই সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিজেদের সন্তান ও অনাগত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে শহর বদলাতে হয়তো কিছু সময় লাগবে। কিন্তু ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই শহরকে সুন্দর রাখার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। নিজেদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে, কারণ নিজের পরিবর্তন দিয়েই সমাজ ও দেশ পরিবর্তনের সূচনা হয়।’
এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. শহিদুল হাসান।

ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী







