দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা মবের মুখোমুখি হবেন না: ডা. জাহেদ

দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা মবের মুখোমুখি হবেন না: ডা. জাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, দেশে ফিরলে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না। বরং তাকে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিচারের মুখোমুখি হবেন। তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর আইনি প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার, তা-ই হবে। তিনি ডিসেম্বরের পর জুনে আসার কথা বলতে পারেন, আবার জুনের পর ডিসেম্বরের কথা বলতে পারেন। এভাবে একই আলোচনা চলতে থাকবে। তবে উনি আসলে আমরা খুশি। তাহলে আর বেঁধে আনা হলো না।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা যায়। এরশাদের পতনের পরও তিনি দেশে ছিলেন, কারাবরণ করেছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তখনও পুলিশ থানায় দায়িত্ব পালন করেছে। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন না। শেখ হাসিনা কখনো কারো প্রতি ন্যায়বিচার করেনি, আমরা ন্যায়বিচার করবো।
মানিক পশারীর দাফন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন। এ ধরনের কাজের জন্য তারা সমর্থন পাবেন না।
তিনি বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য আসলো, সেটা আসলে খুবই দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে। তিনি আরও বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।
ডা. জাহেদ বলেন, এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। তখন ওই বিচারগুলোর পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি।
তিনি বলেন, একটা মানুষ যখন মারা যান, তখন আসলে তিনি এই অধিকার রাখেন; তিনি মারা গেছেন এবং তার বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, দেশে ফিরলে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না। বরং তাকে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিচারের মুখোমুখি হবেন। তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর আইনি প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার, তা-ই হবে। তিনি ডিসেম্বরের পর জুনে আসার কথা বলতে পারেন, আবার জুনের পর ডিসেম্বরের কথা বলতে পারেন। এভাবে একই আলোচনা চলতে থাকবে। তবে উনি আসলে আমরা খুশি। তাহলে আর বেঁধে আনা হলো না।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা যায়। এরশাদের পতনের পরও তিনি দেশে ছিলেন, কারাবরণ করেছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তখনও পুলিশ থানায় দায়িত্ব পালন করেছে। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন না। শেখ হাসিনা কখনো কারো প্রতি ন্যায়বিচার করেনি, আমরা ন্যায়বিচার করবো।
মানিক পশারীর দাফন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন। এ ধরনের কাজের জন্য তারা সমর্থন পাবেন না।
তিনি বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য আসলো, সেটা আসলে খুবই দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে। তিনি আরও বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।
ডা. জাহেদ বলেন, এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। তখন ওই বিচারগুলোর পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি।
তিনি বলেন, একটা মানুষ যখন মারা যান, তখন আসলে তিনি এই অধিকার রাখেন; তিনি মারা গেছেন এবং তার বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে।

দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা মবের মুখোমুখি হবেন না: ডা. জাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, দেশে ফিরলে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না। বরং তাকে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিচারের মুখোমুখি হবেন। তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর আইনি প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার, তা-ই হবে। তিনি ডিসেম্বরের পর জুনে আসার কথা বলতে পারেন, আবার জুনের পর ডিসেম্বরের কথা বলতে পারেন। এভাবে একই আলোচনা চলতে থাকবে। তবে উনি আসলে আমরা খুশি। তাহলে আর বেঁধে আনা হলো না।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা যায়। এরশাদের পতনের পরও তিনি দেশে ছিলেন, কারাবরণ করেছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তখনও পুলিশ থানায় দায়িত্ব পালন করেছে। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন না। শেখ হাসিনা কখনো কারো প্রতি ন্যায়বিচার করেনি, আমরা ন্যায়বিচার করবো।
মানিক পশারীর দাফন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন। এ ধরনের কাজের জন্য তারা সমর্থন পাবেন না।
তিনি বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য আসলো, সেটা আসলে খুবই দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে। তিনি আরও বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।
ডা. জাহেদ বলেন, এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। তখন ওই বিচারগুলোর পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি।
তিনি বলেন, একটা মানুষ যখন মারা যান, তখন আসলে তিনি এই অধিকার রাখেন; তিনি মারা গেছেন এবং তার বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে।

মুক্তিযোদ্ধাকে দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: ডা. জাহেদ







