মুক্তিযোদ্ধাকে দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: ডা. জাহেদ

মুক্তিযোদ্ধাকে দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: ডা. জাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়া মানিক পশারীর দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এবার এ বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন। এ ধরনের কাজের জন্য তারা সমর্থন পাবেন না।
ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য আসলো, সেটা আসলে খুবই দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে। তিনি আরও বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।
অতীতের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে ডা. জাহেদ বলেন, এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। তখন ওই বিচারগুলোর পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, একটা মানুষ যখন মারা যান, তখন আসলে তিনি এই অধিকার রাখেন; তিনি মারা গেছেন এবং তার বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়া মানিক পশারীর দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এবার এ বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন। এ ধরনের কাজের জন্য তারা সমর্থন পাবেন না।
ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য আসলো, সেটা আসলে খুবই দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে। তিনি আরও বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।
অতীতের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে ডা. জাহেদ বলেন, এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। তখন ওই বিচারগুলোর পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, একটা মানুষ যখন মারা যান, তখন আসলে তিনি এই অধিকার রাখেন; তিনি মারা গেছেন এবং তার বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে।

মুক্তিযোদ্ধাকে দাফনে বাধা, জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে: ডা. জাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়া মানিক পশারীর দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এবার এ বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন করতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর তার মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না। যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন। এ ধরনের কাজের জন্য তারা সমর্থন পাবেন না।
ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য আসলো, সেটা আসলে খুবই দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে। তিনি আরও বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।
অতীতের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে ডা. জাহেদ বলেন, এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষের বিচার হওয়ার পর তাদের মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। তখন ওই বিচারগুলোর পক্ষে থাকা ব্যক্তিরাও মরদেহের সঙ্গে এমন আচরণ পছন্দ করেননি।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, একটা মানুষ যখন মারা যান, তখন আসলে তিনি এই অধিকার রাখেন; তিনি মারা গেছেন এবং তার বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে।

বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবেন: তাসনিম জারা







