নয়াদিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আজ

নয়াদিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আজ
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ স্তরের বৈঠক শুরু হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে অংশ নিতে সোমবার (৮ জুন) দিল্লিতে গিয়েছে বাংলাদেশি বাহিনীর প্রধান (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহম্মদ আশরাফুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন বিজিবির প্রতিনিধিদল।
তাদেরকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বিএসএফের ডিজি প্রবীণ কুমার এবং বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর এটাই প্রথম দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক।
সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরপরই ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে এসে যারা অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন, তাদের আর থাকতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে তাদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার বা আটক কেন্দ্র’ তৈরি করা হযেছে। এর পর থেকেই একাধিক কথিত বাংলাদেশি সীমান্তে ভিড় জমিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ জওয়ান এবং ভারতীয় নাগরিকদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছে ভারত। এ অবস্থায় বিজিবি এবং বিএসএফের ডিজি পর্যায়ের বৈঠক আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ২২১৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এ রাজ্যের নতুন রাজ্য সরকার অবৈধ অধিবাসীদের বিতা়ড়নের জন্য তৎপর হয়েছে। অবৈধ অধিবাসী এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট’ বা ‘থ্রি-ডি’ এই নীতিতে চলছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার।
গত রবিবার কলকাতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, গত এক মাসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৪,৮০০ জন অবৈধ অধিবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আরও ৮৩৬ জনকে ফেরত পাঠানোর জন্য হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।
সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, সীমান্ত অপরাধ দমন এবং দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতার বিষয়েই আলোচনা হবে ওই বৈঠকে। পাশাপাশি সীমান্তে কাঁটাতার, অনুপ্রবেশ রোধ এবং বাংলাদেশি অবৈধবাসীদের বিজিবির কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলিও এই বৈঠকে উঠে আসতে পারে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ স্তরের বৈঠক শুরু হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে অংশ নিতে সোমবার (৮ জুন) দিল্লিতে গিয়েছে বাংলাদেশি বাহিনীর প্রধান (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহম্মদ আশরাফুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন বিজিবির প্রতিনিধিদল।
তাদেরকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বিএসএফের ডিজি প্রবীণ কুমার এবং বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর এটাই প্রথম দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক।
সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরপরই ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে এসে যারা অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন, তাদের আর থাকতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে তাদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার বা আটক কেন্দ্র’ তৈরি করা হযেছে। এর পর থেকেই একাধিক কথিত বাংলাদেশি সীমান্তে ভিড় জমিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ জওয়ান এবং ভারতীয় নাগরিকদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছে ভারত। এ অবস্থায় বিজিবি এবং বিএসএফের ডিজি পর্যায়ের বৈঠক আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ২২১৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এ রাজ্যের নতুন রাজ্য সরকার অবৈধ অধিবাসীদের বিতা়ড়নের জন্য তৎপর হয়েছে। অবৈধ অধিবাসী এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট’ বা ‘থ্রি-ডি’ এই নীতিতে চলছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার।
গত রবিবার কলকাতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, গত এক মাসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৪,৮০০ জন অবৈধ অধিবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আরও ৮৩৬ জনকে ফেরত পাঠানোর জন্য হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।
সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, সীমান্ত অপরাধ দমন এবং দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতার বিষয়েই আলোচনা হবে ওই বৈঠকে। পাশাপাশি সীমান্তে কাঁটাতার, অনুপ্রবেশ রোধ এবং বাংলাদেশি অবৈধবাসীদের বিজিবির কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলিও এই বৈঠকে উঠে আসতে পারে।

নয়াদিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আজ
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ স্তরের বৈঠক শুরু হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে অংশ নিতে সোমবার (৮ জুন) দিল্লিতে গিয়েছে বাংলাদেশি বাহিনীর প্রধান (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহম্মদ আশরাফুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন বিজিবির প্রতিনিধিদল।
তাদেরকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বিএসএফের ডিজি প্রবীণ কুমার এবং বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর এটাই প্রথম দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক।
সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এর পরপরই ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে এসে যারা অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন, তাদের আর থাকতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে তাদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার বা আটক কেন্দ্র’ তৈরি করা হযেছে। এর পর থেকেই একাধিক কথিত বাংলাদেশি সীমান্তে ভিড় জমিয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ জওয়ান এবং ভারতীয় নাগরিকদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছে ভারত। এ অবস্থায় বিজিবি এবং বিএসএফের ডিজি পর্যায়ের বৈঠক আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ২২১৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এ রাজ্যের নতুন রাজ্য সরকার অবৈধ অধিবাসীদের বিতা়ড়নের জন্য তৎপর হয়েছে। অবৈধ অধিবাসী এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট’ বা ‘থ্রি-ডি’ এই নীতিতে চলছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার।
গত রবিবার কলকাতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, গত এক মাসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৪,৮০০ জন অবৈধ অধিবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আরও ৮৩৬ জনকে ফেরত পাঠানোর জন্য হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।
সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, সীমান্ত অপরাধ দমন এবং দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতার বিষয়েই আলোচনা হবে ওই বৈঠকে। পাশাপাশি সীমান্তে কাঁটাতার, অনুপ্রবেশ রোধ এবং বাংলাদেশি অবৈধবাসীদের বিজিবির কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলিও এই বৈঠকে উঠে আসতে পারে।

দিল্লিতে সীমান্ত সম্মেলন শুরু, ৭ বিষয়ে অগ্রাধিকার বিজিবির


