ফিলিস্তিনি নেতা আব্বাসকে ভিসা না দেওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিবের দুঃখ প্রকাশ

ফিলিস্তিনি নেতা আব্বাসকে ভিসা না দেওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিবের দুঃখ প্রকাশ
সিজেডএন ডেস্ক

ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে সশরীরে অংশ নিতে পারছেন না তিনি। ওয়াশিংটনের এমন সিদ্ধান্তে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের অধিবেশনে আব্বাসসহ অন্য ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ভিসা দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হতে যাওয়া এ বৈঠকে কেবল জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি মিশনের স্থায়ী সদস্যরাই অংশ নিতে পারবেন। এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনের পূর্ণ অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গুতেরেস।
তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘জাতিসংঘের কার্যক্রমে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পূর্ণ অংশগ্রহণের সক্ষমতার ওপর এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে মহাসচিব উদ্বিগ্ন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সংস্থার সুষ্ঠু কার্যকারিতার জন্য এর কাজে সকল প্রতিনিধিদলের পূর্ণ অংশগ্রহণ অপরিহার্য।’ একই সঙ্গে আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে তার দায়িত্ব পালন এবং সব প্রতিনিধিদলের ভিসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন গুতেরেস।
এর আগেও গত বছর ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলকে ভিসা দেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন। যার কারণে জাতিসংঘের নিয়মিত সদস্য মাহমুদ আব্বাস বাধ্য হয়েছিলেন ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিশ্বনেতাদের সামনে বক্তব্য রাখতে। তবে বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের ভোটে ১৫২-৩ ব্যবধানে এবারও তাকে ভার্চুয়ালি অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
মূলত ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ বা পিএ কর্তৃক ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে হামলাকারী কিংবা কারারুদ্ধ ও নিহত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে পূর্বে দেওয়া আর্থিক সহায়তার বিরোধিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যদিও পিএ সম্প্রতি এ ব্যবস্থায় সংস্কার এনেছে এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা কারাবন্দিত্বের বদলে এখন থেকে কেবল প্রয়োজনের ভিত্তিতে পরিবারগুলোকে কল্যাণ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে ওয়াশিংটনের আপত্তির জায়গাটা আরও বিস্তৃত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে (আইসিজে) ব্যবহার করে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে আন্তর্জাতিকীকরণের যে চেষ্টা ফিলিস্তিনিরা করছে, তারও বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র। একতরফা স্বীকৃতির মাধ্যমে সরাসরি আলোচনা পাশ কাটানোর প্রবণতাকেও তারা সমর্থন করে না।
সূত্র: আরব নিউজ

ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে সশরীরে অংশ নিতে পারছেন না তিনি। ওয়াশিংটনের এমন সিদ্ধান্তে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের অধিবেশনে আব্বাসসহ অন্য ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ভিসা দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হতে যাওয়া এ বৈঠকে কেবল জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি মিশনের স্থায়ী সদস্যরাই অংশ নিতে পারবেন। এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনের পূর্ণ অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গুতেরেস।
তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘জাতিসংঘের কার্যক্রমে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পূর্ণ অংশগ্রহণের সক্ষমতার ওপর এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে মহাসচিব উদ্বিগ্ন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সংস্থার সুষ্ঠু কার্যকারিতার জন্য এর কাজে সকল প্রতিনিধিদলের পূর্ণ অংশগ্রহণ অপরিহার্য।’ একই সঙ্গে আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে তার দায়িত্ব পালন এবং সব প্রতিনিধিদলের ভিসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন গুতেরেস।
এর আগেও গত বছর ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলকে ভিসা দেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন। যার কারণে জাতিসংঘের নিয়মিত সদস্য মাহমুদ আব্বাস বাধ্য হয়েছিলেন ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিশ্বনেতাদের সামনে বক্তব্য রাখতে। তবে বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের ভোটে ১৫২-৩ ব্যবধানে এবারও তাকে ভার্চুয়ালি অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
মূলত ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ বা পিএ কর্তৃক ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে হামলাকারী কিংবা কারারুদ্ধ ও নিহত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে পূর্বে দেওয়া আর্থিক সহায়তার বিরোধিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যদিও পিএ সম্প্রতি এ ব্যবস্থায় সংস্কার এনেছে এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা কারাবন্দিত্বের বদলে এখন থেকে কেবল প্রয়োজনের ভিত্তিতে পরিবারগুলোকে কল্যাণ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে ওয়াশিংটনের আপত্তির জায়গাটা আরও বিস্তৃত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে (আইসিজে) ব্যবহার করে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে আন্তর্জাতিকীকরণের যে চেষ্টা ফিলিস্তিনিরা করছে, তারও বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র। একতরফা স্বীকৃতির মাধ্যমে সরাসরি আলোচনা পাশ কাটানোর প্রবণতাকেও তারা সমর্থন করে না।
সূত্র: আরব নিউজ

ফিলিস্তিনি নেতা আব্বাসকে ভিসা না দেওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিবের দুঃখ প্রকাশ
সিজেডএন ডেস্ক

ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে সশরীরে অংশ নিতে পারছেন না তিনি। ওয়াশিংটনের এমন সিদ্ধান্তে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের অধিবেশনে আব্বাসসহ অন্য ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের ভিসা দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হতে যাওয়া এ বৈঠকে কেবল জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি মিশনের স্থায়ী সদস্যরাই অংশ নিতে পারবেন। এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনের পূর্ণ অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গুতেরেস।
তার মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘জাতিসংঘের কার্যক্রমে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পূর্ণ অংশগ্রহণের সক্ষমতার ওপর এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে মহাসচিব উদ্বিগ্ন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সংস্থার সুষ্ঠু কার্যকারিতার জন্য এর কাজে সকল প্রতিনিধিদলের পূর্ণ অংশগ্রহণ অপরিহার্য।’ একই সঙ্গে আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে তার দায়িত্ব পালন এবং সব প্রতিনিধিদলের ভিসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন গুতেরেস।
এর আগেও গত বছর ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলকে ভিসা দেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন। যার কারণে জাতিসংঘের নিয়মিত সদস্য মাহমুদ আব্বাস বাধ্য হয়েছিলেন ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিশ্বনেতাদের সামনে বক্তব্য রাখতে। তবে বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের ভোটে ১৫২-৩ ব্যবধানে এবারও তাকে ভার্চুয়ালি অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
মূলত ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ বা পিএ কর্তৃক ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে হামলাকারী কিংবা কারারুদ্ধ ও নিহত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে পূর্বে দেওয়া আর্থিক সহায়তার বিরোধিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যদিও পিএ সম্প্রতি এ ব্যবস্থায় সংস্কার এনেছে এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা কারাবন্দিত্বের বদলে এখন থেকে কেবল প্রয়োজনের ভিত্তিতে পরিবারগুলোকে কল্যাণ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে ওয়াশিংটনের আপত্তির জায়গাটা আরও বিস্তৃত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে (আইসিজে) ব্যবহার করে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে আন্তর্জাতিকীকরণের যে চেষ্টা ফিলিস্তিনিরা করছে, তারও বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র। একতরফা স্বীকৃতির মাধ্যমে সরাসরি আলোচনা পাশ কাটানোর প্রবণতাকেও তারা সমর্থন করে না।
সূত্র: আরব নিউজ

বাইরের কোনো শক্তি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ঠিক করতে পারে না: আরাঘচি







