রাজধানীতে কোটি টাকার ভেজাল ওষুধ জব্দ, গ্রেপ্তার ৩

রাজধানীতে কোটি টাকার ভেজাল ওষুধ জব্দ, গ্রেপ্তার ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– আব্দুল্লা আল-মামুন, মো. সাজু, মো. সজীব।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ১২টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যান রোডের ব্লক-সি-এর একটি ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এসময় ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন ধরনের সিরাপ, ক্যাপসুল, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, হাইজিন ওয়াশ, সাবান, পাউডার, ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ এবং বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজিং সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে– ১৯২টি কিডজ ওমেগা লিকুইড ১০০এমএল সিরাপ, ১০০ বক্স ল্যাকটোফ্লেক্স ক্যাপসুল, ৩০টি ফেসি গ্লো ফেসওয়াশ. ১৫০টি ডেটক্স প্লাস শ্যাম্পু, ৭০টি পেডিয়া ভক্স সিরাপ, ৩০০ পাতা ওসেআর্ক-সিডি ক্যাপসুল, ৫ কেজি ওরিভা হ্যপেস সাদা পাউডার, ৫০টি বাইওকেট অ্যাকটিভ শ্যাম্পু, ৮০০টি কিডিকেয়ার সিরাপ প্লাস ১০০এমএল, ৭০টি জিরো ড্যান শ্যাম্পু, ৪০টি কেটকোর-জেড শ্যাম্পু এবং ১০টি নিউট্রামাইড সিরাপ।
এছাড়া ১৫০টি ইন্টা ক্লিন হাইজিন ওয়াশের খালি মোড়ক, মোড়কবিহীন ৮০ বোতল হাইজিন ওয়াশ, ৩০০টি পারমিমিট সোপের খালি মোড়ক, ৮০টি স্পিরুভা (স্পিরুলিনা) লিফলেট, ১০০টি ফেসওয়াশের পলিথিন, ৩০০টি লেবেলবিহীন সিরাপের বোতল, ৪০০টি সাদা প্লাস্টিকের কৌটা, ১০০টি লেবেলবিহীন সাদা ট্যাবলেট এবং ৫০০টি সবুজ রঙের খালি ক্যাপসুল সেল উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত ৩টি সিলিন্ডার, ১টি ফয়েল লাগানোর মেশিন, ২টি ক্যাপসুল ভরার মেশিন, ১০ কেজি ফয়েল (পলিথিন), ৬টি ক্যাপসুল ভরার যন্ত্রাংশ এবং ২টি লেবেল লাগানোর ছাঁচ জব্দ করা হয়েছে।
ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে শিশুদের ব্যবহারের কয়েকটি সিরাপ ও লিকুইড পণ্য রয়েছে। এসব ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ শিশুদের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ডিবি জানতে পেরেছে, অভিযানে পাওয়া কিছু ওষুধ দেশে প্রচলিত নয়। এসব ওষুধ প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু চিকিৎসকের মাধ্যমে এসব ওষুধ রোগীদের প্রেসক্রাইব করানো হতো।
জানতে চাইলে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, কোনো চিকিৎসকই ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদনহীন ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারেন না। তদন্তে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের নাম পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিবি জানায়, চক্রটি এ পর্যন্ত বাজারে কত টাকার ওষুধ সরবরাহ করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযানে পাওয়া কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– আব্দুল্লা আল-মামুন, মো. সাজু, মো. সজীব।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ১২টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যান রোডের ব্লক-সি-এর একটি ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এসময় ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন ধরনের সিরাপ, ক্যাপসুল, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, হাইজিন ওয়াশ, সাবান, পাউডার, ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ এবং বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজিং সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে– ১৯২টি কিডজ ওমেগা লিকুইড ১০০এমএল সিরাপ, ১০০ বক্স ল্যাকটোফ্লেক্স ক্যাপসুল, ৩০টি ফেসি গ্লো ফেসওয়াশ. ১৫০টি ডেটক্স প্লাস শ্যাম্পু, ৭০টি পেডিয়া ভক্স সিরাপ, ৩০০ পাতা ওসেআর্ক-সিডি ক্যাপসুল, ৫ কেজি ওরিভা হ্যপেস সাদা পাউডার, ৫০টি বাইওকেট অ্যাকটিভ শ্যাম্পু, ৮০০টি কিডিকেয়ার সিরাপ প্লাস ১০০এমএল, ৭০টি জিরো ড্যান শ্যাম্পু, ৪০টি কেটকোর-জেড শ্যাম্পু এবং ১০টি নিউট্রামাইড সিরাপ।
এছাড়া ১৫০টি ইন্টা ক্লিন হাইজিন ওয়াশের খালি মোড়ক, মোড়কবিহীন ৮০ বোতল হাইজিন ওয়াশ, ৩০০টি পারমিমিট সোপের খালি মোড়ক, ৮০টি স্পিরুভা (স্পিরুলিনা) লিফলেট, ১০০টি ফেসওয়াশের পলিথিন, ৩০০টি লেবেলবিহীন সিরাপের বোতল, ৪০০টি সাদা প্লাস্টিকের কৌটা, ১০০টি লেবেলবিহীন সাদা ট্যাবলেট এবং ৫০০টি সবুজ রঙের খালি ক্যাপসুল সেল উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত ৩টি সিলিন্ডার, ১টি ফয়েল লাগানোর মেশিন, ২টি ক্যাপসুল ভরার মেশিন, ১০ কেজি ফয়েল (পলিথিন), ৬টি ক্যাপসুল ভরার যন্ত্রাংশ এবং ২টি লেবেল লাগানোর ছাঁচ জব্দ করা হয়েছে।
ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে শিশুদের ব্যবহারের কয়েকটি সিরাপ ও লিকুইড পণ্য রয়েছে। এসব ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ শিশুদের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ডিবি জানতে পেরেছে, অভিযানে পাওয়া কিছু ওষুধ দেশে প্রচলিত নয়। এসব ওষুধ প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু চিকিৎসকের মাধ্যমে এসব ওষুধ রোগীদের প্রেসক্রাইব করানো হতো।
জানতে চাইলে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, কোনো চিকিৎসকই ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদনহীন ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারেন না। তদন্তে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের নাম পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিবি জানায়, চক্রটি এ পর্যন্ত বাজারে কত টাকার ওষুধ সরবরাহ করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযানে পাওয়া কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

রাজধানীতে কোটি টাকার ভেজাল ওষুধ জব্দ, গ্রেপ্তার ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– আব্দুল্লা আল-মামুন, মো. সাজু, মো. সজীব।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ১২টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যান রোডের ব্লক-সি-এর একটি ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এসময় ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন ধরনের সিরাপ, ক্যাপসুল, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, হাইজিন ওয়াশ, সাবান, পাউডার, ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ এবং বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজিং সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে– ১৯২টি কিডজ ওমেগা লিকুইড ১০০এমএল সিরাপ, ১০০ বক্স ল্যাকটোফ্লেক্স ক্যাপসুল, ৩০টি ফেসি গ্লো ফেসওয়াশ. ১৫০টি ডেটক্স প্লাস শ্যাম্পু, ৭০টি পেডিয়া ভক্স সিরাপ, ৩০০ পাতা ওসেআর্ক-সিডি ক্যাপসুল, ৫ কেজি ওরিভা হ্যপেস সাদা পাউডার, ৫০টি বাইওকেট অ্যাকটিভ শ্যাম্পু, ৮০০টি কিডিকেয়ার সিরাপ প্লাস ১০০এমএল, ৭০টি জিরো ড্যান শ্যাম্পু, ৪০টি কেটকোর-জেড শ্যাম্পু এবং ১০টি নিউট্রামাইড সিরাপ।
এছাড়া ১৫০টি ইন্টা ক্লিন হাইজিন ওয়াশের খালি মোড়ক, মোড়কবিহীন ৮০ বোতল হাইজিন ওয়াশ, ৩০০টি পারমিমিট সোপের খালি মোড়ক, ৮০টি স্পিরুভা (স্পিরুলিনা) লিফলেট, ১০০টি ফেসওয়াশের পলিথিন, ৩০০টি লেবেলবিহীন সিরাপের বোতল, ৪০০টি সাদা প্লাস্টিকের কৌটা, ১০০টি লেবেলবিহীন সাদা ট্যাবলেট এবং ৫০০টি সবুজ রঙের খালি ক্যাপসুল সেল উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত ৩টি সিলিন্ডার, ১টি ফয়েল লাগানোর মেশিন, ২টি ক্যাপসুল ভরার মেশিন, ১০ কেজি ফয়েল (পলিথিন), ৬টি ক্যাপসুল ভরার যন্ত্রাংশ এবং ২টি লেবেল লাগানোর ছাঁচ জব্দ করা হয়েছে।
ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে শিশুদের ব্যবহারের কয়েকটি সিরাপ ও লিকুইড পণ্য রয়েছে। এসব ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ শিশুদের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ডিবি জানতে পেরেছে, অভিযানে পাওয়া কিছু ওষুধ দেশে প্রচলিত নয়। এসব ওষুধ প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু চিকিৎসকের মাধ্যমে এসব ওষুধ রোগীদের প্রেসক্রাইব করানো হতো।
জানতে চাইলে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, কোনো চিকিৎসকই ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদনহীন ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারেন না। তদন্তে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের নাম পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিবি জানায়, চক্রটি এ পর্যন্ত বাজারে কত টাকার ওষুধ সরবরাহ করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযানে পাওয়া কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এর সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ভেজাল শিশু খাদ্য উৎপাদন, কারখানা মালিককে ১ বছরের কারাদণ্ড







