ভিসিকে ‘মব’ করে পদত্যাগপত্রে সই নেওয়ার ঘটনায় মামলা, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

ভিসিকে ‘মব’ করে পদত্যাগপত্রে সই নেওয়ার ঘটনায় মামলা, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
রাজশাহী সংবাদদাতা

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে ‘মব’ করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এই মামলার আসামি এক বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও সেকশন অফিসার (অর্থ) মো. নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় সরকারি কাজে বাধা, সরঞ্জাম চুরি, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলার আসামি আবদুস সালামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি রাজশাহী মহানগরের রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান আজ বুধবার বলেন, অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ঘটনাস্থলের ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে অন্যদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।
মামলার বাদী মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তিনি মামলা করেছেন।
এদিকে গতকালের ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে উপাচার্যের দপ্তরে তালা ঝুলছে। ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে থমথমে পরিবেশ। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে এলেও কোনো কাজ করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. মো. মোফাখখারুল ইসলাম।
তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজের পরিবেশ তৈরি হয়নি। পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানের সাথে এমন ঘটনার পর থেকে সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
মঙ্গলবার বিএনপি ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অফিসে গিয়ে তাদের লিখে নেওয়া পদত্যাগপত্রে জোর করে স্বাক্ষর নেন। পরে তাকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়। উপাচার্যকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁর একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকেও মারধর করে পদত্যাগ করানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ‘রাজশাহীর আপামর ছাত্র-জনতা’ লেখা ব্যানার নিয়ে বিএনপি ও কৃষক দলের ৪০-৫০ নেতাকর্মী মিছিল করে উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। এতে নেতৃত্ব দেন মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শামীম। তাঁর সঙ্গে অন্যদের মধ্যে ছিলেন রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ। দরজায় ধাক্কা দিয়ে তারা উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। উপাচার্যের টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ান আব্দুস সালাম ও হারুনুর রশীদ। এ সময় সাগর নামে এক বিএনপিকর্মী আগে থেকে লেখা পদত্যাগপত্র এনে হারুনুর রশীদের হাতে দেন। হারুন ও সালাম উপাচার্যকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন।
গতকাল বিকেলে গেস্ট হাউসের সামনে সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক বলেন, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল তাঁর কক্ষে ঢুকে তাঁকে চেয়ার থেকে উঠে চলে যেতে বলে। দলের সদস্যরা তাঁকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আপনি চেয়ার থেকে ওঠেন এবং আপনি এই মুহূর্তে বের হয়ে যান। আপনাকে এই চেয়ারে আর দেখতে চাই না।’ এরপর তাঁর সামনে একটি কাগজ দিয়ে তাতে সই করতে বলা হয়। সই করার পর কাগজটি নিয়ে তাঁকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে ‘মব’ করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এই মামলার আসামি এক বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও সেকশন অফিসার (অর্থ) মো. নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় সরকারি কাজে বাধা, সরঞ্জাম চুরি, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলার আসামি আবদুস সালামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি রাজশাহী মহানগরের রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান আজ বুধবার বলেন, অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ঘটনাস্থলের ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে অন্যদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।
মামলার বাদী মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তিনি মামলা করেছেন।
এদিকে গতকালের ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে উপাচার্যের দপ্তরে তালা ঝুলছে। ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে থমথমে পরিবেশ। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে এলেও কোনো কাজ করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. মো. মোফাখখারুল ইসলাম।
তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজের পরিবেশ তৈরি হয়নি। পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানের সাথে এমন ঘটনার পর থেকে সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
মঙ্গলবার বিএনপি ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অফিসে গিয়ে তাদের লিখে নেওয়া পদত্যাগপত্রে জোর করে স্বাক্ষর নেন। পরে তাকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়। উপাচার্যকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁর একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকেও মারধর করে পদত্যাগ করানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ‘রাজশাহীর আপামর ছাত্র-জনতা’ লেখা ব্যানার নিয়ে বিএনপি ও কৃষক দলের ৪০-৫০ নেতাকর্মী মিছিল করে উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। এতে নেতৃত্ব দেন মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শামীম। তাঁর সঙ্গে অন্যদের মধ্যে ছিলেন রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ। দরজায় ধাক্কা দিয়ে তারা উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। উপাচার্যের টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ান আব্দুস সালাম ও হারুনুর রশীদ। এ সময় সাগর নামে এক বিএনপিকর্মী আগে থেকে লেখা পদত্যাগপত্র এনে হারুনুর রশীদের হাতে দেন। হারুন ও সালাম উপাচার্যকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন।
গতকাল বিকেলে গেস্ট হাউসের সামনে সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক বলেন, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল তাঁর কক্ষে ঢুকে তাঁকে চেয়ার থেকে উঠে চলে যেতে বলে। দলের সদস্যরা তাঁকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আপনি চেয়ার থেকে ওঠেন এবং আপনি এই মুহূর্তে বের হয়ে যান। আপনাকে এই চেয়ারে আর দেখতে চাই না।’ এরপর তাঁর সামনে একটি কাগজ দিয়ে তাতে সই করতে বলা হয়। সই করার পর কাগজটি নিয়ে তাঁকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ভিসিকে ‘মব’ করে পদত্যাগপত্রে সই নেওয়ার ঘটনায় মামলা, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার
রাজশাহী সংবাদদাতা

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে ‘মব’ করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এই মামলার আসামি এক বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও সেকশন অফিসার (অর্থ) মো. নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় সরকারি কাজে বাধা, সরঞ্জাম চুরি, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলার আসামি আবদুস সালামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি রাজশাহী মহানগরের রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান আজ বুধবার বলেন, অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ঘটনাস্থলের ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে অন্যদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।
মামলার বাদী মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তিনি মামলা করেছেন।
এদিকে গতকালের ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে উপাচার্যের দপ্তরে তালা ঝুলছে। ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে থমথমে পরিবেশ। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে এলেও কোনো কাজ করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. মো. মোফাখখারুল ইসলাম।
তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজের পরিবেশ তৈরি হয়নি। পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানের সাথে এমন ঘটনার পর থেকে সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
মঙ্গলবার বিএনপি ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অফিসে গিয়ে তাদের লিখে নেওয়া পদত্যাগপত্রে জোর করে স্বাক্ষর নেন। পরে তাকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়। উপাচার্যকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁর একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকেও মারধর করে পদত্যাগ করানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ‘রাজশাহীর আপামর ছাত্র-জনতা’ লেখা ব্যানার নিয়ে বিএনপি ও কৃষক দলের ৪০-৫০ নেতাকর্মী মিছিল করে উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। এতে নেতৃত্ব দেন মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শামীম। তাঁর সঙ্গে অন্যদের মধ্যে ছিলেন রাজপাড়া থানা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ। দরজায় ধাক্কা দিয়ে তারা উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। উপাচার্যের টেবিলের সামনে গিয়ে দাঁড়ান আব্দুস সালাম ও হারুনুর রশীদ। এ সময় সাগর নামে এক বিএনপিকর্মী আগে থেকে লেখা পদত্যাগপত্র এনে হারুনুর রশীদের হাতে দেন। হারুন ও সালাম উপাচার্যকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন।
গতকাল বিকেলে গেস্ট হাউসের সামনে সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক বলেন, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল তাঁর কক্ষে ঢুকে তাঁকে চেয়ার থেকে উঠে চলে যেতে বলে। দলের সদস্যরা তাঁকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আপনি চেয়ার থেকে ওঠেন এবং আপনি এই মুহূর্তে বের হয়ে যান। আপনাকে এই চেয়ারে আর দেখতে চাই না।’ এরপর তাঁর সামনে একটি কাগজ দিয়ে তাতে সই করতে বলা হয়। সই করার পর কাগজটি নিয়ে তাঁকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।









