ইথিওপিয়ায় বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে ড্রোন হামলায় নিহত ১৬

ইথিওপিয়ায় বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে ড্রোন হামলায় নিহত ১৬
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইথিওপিয়ার আমহারা অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিকদের একটি শিবিরে ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) উদ্ধার অভিযানে জড়িত দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
কেন শিবিরটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বা এ হামলার পেছনে কারা ছিল তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এ ঘটনাটি ওই এলাকায় চলমান অস্থিরতাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। গত মাসে উত্তর তিগ্রাই অঞ্চলের বিদ্রোহীদের একটি জোট এবং আদ্দিস আবাবার সরকারের মধ্যে যে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছিল, তাতে সাময়িক বিরতি থাকলেও অস্থিতিশীলতা কাটেনি।
স্থানীয় এক ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, প্রায় পাঁচটি বিস্ফোরণ হয়েছিল। তারপর আমরা মরদেহ সংগ্রহ করতে শুরু করি। তিনি জানান, জারি-২ নামের ওই শিবিরে ১৩ জনকে দাফন করতে সাহায্য করেছেন। আগের সহিংসতা থেকে বাঁচতে এ শিবিরে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।
উদ্ধার অভিযানে যুক্ত দুটি সূত্র জানায়, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৫ জন শিশু ছিল। উভয় সূত্রই আরও উল্লেখ করেছে, হামলার সময় ওই এলাকায় সরাসরি কোনো মুখোমুখি লড়াই চলছিল না। তবে তিগ্রের যোদ্ধাদের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী জোটের অংশ ‘আমহারা ফানো ন্যাশনাল মুভমেন্ট’-এর সদস্যরা কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন।
২৩ সেপ্টেম্বর সরকার আক্রমণ শুরু করার পর থেকে সরকারি বাহিনী বিদ্রোহী জোটকে বেশ কিছুটা পিছু হটিয়ে দিতে সক্ষম হয়। চলতি মাসের শুরুতে তারা তিগ্রাই অঞ্চলের রাজধানী পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং ইরিত্রিয়ার সীমান্তের দিকে অগ্রসর হয়। ইথিওপিয়ার অভিযোগ, ইরিত্রিয়া সীমান্ত পেরিয়ে সৈন্য পাঠিয়ে বিদ্রোহীদের মদদ দিচ্ছে।
তবে আসমারা শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, ইরিত্রীয় বাহিনীর আগ্রাসন নিয়ে আদ্দিস আবাবার এ বক্তব্য মূলত ‘যুদ্ধ ঘোষণার’ শামিল। আফ্রিকার শিং অঞ্চলের জটিল সংঘাত এবং এতে প্রতিবেশী ও পরাশক্তিগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আঞ্চলিক প্রভাবের কথা মাথায় রেখে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, ইথিওপিয়ার এই চলমান যুদ্ধ পুরো অঞ্চলে আরও বড় ধরনের সহিংসতা ছড়িয়ে দিতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

ইথিওপিয়ার আমহারা অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিকদের একটি শিবিরে ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) উদ্ধার অভিযানে জড়িত দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
কেন শিবিরটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বা এ হামলার পেছনে কারা ছিল তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এ ঘটনাটি ওই এলাকায় চলমান অস্থিরতাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। গত মাসে উত্তর তিগ্রাই অঞ্চলের বিদ্রোহীদের একটি জোট এবং আদ্দিস আবাবার সরকারের মধ্যে যে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছিল, তাতে সাময়িক বিরতি থাকলেও অস্থিতিশীলতা কাটেনি।
স্থানীয় এক ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, প্রায় পাঁচটি বিস্ফোরণ হয়েছিল। তারপর আমরা মরদেহ সংগ্রহ করতে শুরু করি। তিনি জানান, জারি-২ নামের ওই শিবিরে ১৩ জনকে দাফন করতে সাহায্য করেছেন। আগের সহিংসতা থেকে বাঁচতে এ শিবিরে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।
উদ্ধার অভিযানে যুক্ত দুটি সূত্র জানায়, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৫ জন শিশু ছিল। উভয় সূত্রই আরও উল্লেখ করেছে, হামলার সময় ওই এলাকায় সরাসরি কোনো মুখোমুখি লড়াই চলছিল না। তবে তিগ্রের যোদ্ধাদের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী জোটের অংশ ‘আমহারা ফানো ন্যাশনাল মুভমেন্ট’-এর সদস্যরা কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন।
২৩ সেপ্টেম্বর সরকার আক্রমণ শুরু করার পর থেকে সরকারি বাহিনী বিদ্রোহী জোটকে বেশ কিছুটা পিছু হটিয়ে দিতে সক্ষম হয়। চলতি মাসের শুরুতে তারা তিগ্রাই অঞ্চলের রাজধানী পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং ইরিত্রিয়ার সীমান্তের দিকে অগ্রসর হয়। ইথিওপিয়ার অভিযোগ, ইরিত্রিয়া সীমান্ত পেরিয়ে সৈন্য পাঠিয়ে বিদ্রোহীদের মদদ দিচ্ছে।
তবে আসমারা শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, ইরিত্রীয় বাহিনীর আগ্রাসন নিয়ে আদ্দিস আবাবার এ বক্তব্য মূলত ‘যুদ্ধ ঘোষণার’ শামিল। আফ্রিকার শিং অঞ্চলের জটিল সংঘাত এবং এতে প্রতিবেশী ও পরাশক্তিগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আঞ্চলিক প্রভাবের কথা মাথায় রেখে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, ইথিওপিয়ার এই চলমান যুদ্ধ পুরো অঞ্চলে আরও বড় ধরনের সহিংসতা ছড়িয়ে দিতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

ইথিওপিয়ায় বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে ড্রোন হামলায় নিহত ১৬
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ইথিওপিয়ার আমহারা অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিকদের একটি শিবিরে ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) উদ্ধার অভিযানে জড়িত দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
কেন শিবিরটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বা এ হামলার পেছনে কারা ছিল তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এ ঘটনাটি ওই এলাকায় চলমান অস্থিরতাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। গত মাসে উত্তর তিগ্রাই অঞ্চলের বিদ্রোহীদের একটি জোট এবং আদ্দিস আবাবার সরকারের মধ্যে যে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছিল, তাতে সাময়িক বিরতি থাকলেও অস্থিতিশীলতা কাটেনি।
স্থানীয় এক ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, প্রায় পাঁচটি বিস্ফোরণ হয়েছিল। তারপর আমরা মরদেহ সংগ্রহ করতে শুরু করি। তিনি জানান, জারি-২ নামের ওই শিবিরে ১৩ জনকে দাফন করতে সাহায্য করেছেন। আগের সহিংসতা থেকে বাঁচতে এ শিবিরে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।
উদ্ধার অভিযানে যুক্ত দুটি সূত্র জানায়, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৫ জন শিশু ছিল। উভয় সূত্রই আরও উল্লেখ করেছে, হামলার সময় ওই এলাকায় সরাসরি কোনো মুখোমুখি লড়াই চলছিল না। তবে তিগ্রের যোদ্ধাদের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী জোটের অংশ ‘আমহারা ফানো ন্যাশনাল মুভমেন্ট’-এর সদস্যরা কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন।
২৩ সেপ্টেম্বর সরকার আক্রমণ শুরু করার পর থেকে সরকারি বাহিনী বিদ্রোহী জোটকে বেশ কিছুটা পিছু হটিয়ে দিতে সক্ষম হয়। চলতি মাসের শুরুতে তারা তিগ্রাই অঞ্চলের রাজধানী পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং ইরিত্রিয়ার সীমান্তের দিকে অগ্রসর হয়। ইথিওপিয়ার অভিযোগ, ইরিত্রিয়া সীমান্ত পেরিয়ে সৈন্য পাঠিয়ে বিদ্রোহীদের মদদ দিচ্ছে।
তবে আসমারা শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, ইরিত্রীয় বাহিনীর আগ্রাসন নিয়ে আদ্দিস আবাবার এ বক্তব্য মূলত ‘যুদ্ধ ঘোষণার’ শামিল। আফ্রিকার শিং অঞ্চলের জটিল সংঘাত এবং এতে প্রতিবেশী ও পরাশক্তিগুলোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ আঞ্চলিক প্রভাবের কথা মাথায় রেখে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, ইথিওপিয়ার এই চলমান যুদ্ধ পুরো অঞ্চলে আরও বড় ধরনের সহিংসতা ছড়িয়ে দিতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে: ট্রাম্প







