মার্কিন অস্ত্রাগারে ইরান যুদ্ধের বড় ধাক্কা

মার্কিন অস্ত্রাগারে ইরান যুদ্ধের বড় ধাক্কা
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে দীর্ঘায়িত সংঘাতের আশঙ্কায় সামরিক কৌশল ও অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা নতুন করে পর্যালোচনা করতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যেন দীর্ঘমেয়াদে কোনো চাপের মুখে না পড়ে, সেজন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ত্বরান্বিত করার কঠোর বার্তা দিয়েছে পেন্টাগন।
পেন্টাগনের এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে মার্কিন উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ সম্প্রতি দেশটির শীর্ষ সামরিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে একটি জরুরি স্মারক পাঠিয়েছেন। এতে আগামী ২১ দিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের উৎপাদন বাড়িয়ে সরবরাহের সময় কমিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেইনবার্গ জানিয়েছেন, বছরজুড়ে ধীরগতির উৎপাদন ব্যবস্থা আর গ্রহণযোগ্য নয়। বর্তমান বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত পৌঁছানো নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষপ বলে নিশ্চিত করেছেন পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস)-এর বিশ্লেষণে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার এক উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ হাজার ৩৩০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ছিল। তবে সাম্প্রতিক লড়াই ও এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ৭৫৯ থেকে ৮২৭টিতে। মজুদ কমেছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। একইভাবে ৪৫২টি থাড মিসাইলের মজুদ কমে এখন ২৩৪ থেকে ২৭৮টিতে নেমে এসেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্রদের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এখন হিসেব কষে মিসাইল ব্যবহার করতে হবে।
অবশ্য অস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার এসব প্রতিবেদন সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে এবং চাহিদামতো পর্যাপ্ত সরবরাহ সচল আছে। ট্রাম্পের এমন বার্তার মধ্যেও কংগ্রেসে সামরিক বাজেট বাড়ানোর বিষয় নিয়ে নতুন জট তৈরি হয়েছে। পেন্টাগন ২০২৮ অর্থবছরকে সামনে রেখে সামরিক শিল্প পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে।
গত বছরের ৯০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার করার প্রস্তাব দিয়েছে হোয়াইট হাউস। এ প্রস্তাবে অনেক আইনপ্রণেতা আপত্তি জানিয়েছেন। ফলে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে একদিকে অস্ত্রের ঘাটতি মেটানোর চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে বাড়তি বাজেট নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন- দুই দিক থেকেই এক জটিল চাপে পড়েছে ওয়াশিংটন।
সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

ইরানের সঙ্গে দীর্ঘায়িত সংঘাতের আশঙ্কায় সামরিক কৌশল ও অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা নতুন করে পর্যালোচনা করতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যেন দীর্ঘমেয়াদে কোনো চাপের মুখে না পড়ে, সেজন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ত্বরান্বিত করার কঠোর বার্তা দিয়েছে পেন্টাগন।
পেন্টাগনের এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে মার্কিন উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ সম্প্রতি দেশটির শীর্ষ সামরিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে একটি জরুরি স্মারক পাঠিয়েছেন। এতে আগামী ২১ দিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের উৎপাদন বাড়িয়ে সরবরাহের সময় কমিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেইনবার্গ জানিয়েছেন, বছরজুড়ে ধীরগতির উৎপাদন ব্যবস্থা আর গ্রহণযোগ্য নয়। বর্তমান বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত পৌঁছানো নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষপ বলে নিশ্চিত করেছেন পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস)-এর বিশ্লেষণে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার এক উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ হাজার ৩৩০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ছিল। তবে সাম্প্রতিক লড়াই ও এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ৭৫৯ থেকে ৮২৭টিতে। মজুদ কমেছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। একইভাবে ৪৫২টি থাড মিসাইলের মজুদ কমে এখন ২৩৪ থেকে ২৭৮টিতে নেমে এসেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্রদের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এখন হিসেব কষে মিসাইল ব্যবহার করতে হবে।
অবশ্য অস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার এসব প্রতিবেদন সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে এবং চাহিদামতো পর্যাপ্ত সরবরাহ সচল আছে। ট্রাম্পের এমন বার্তার মধ্যেও কংগ্রেসে সামরিক বাজেট বাড়ানোর বিষয় নিয়ে নতুন জট তৈরি হয়েছে। পেন্টাগন ২০২৮ অর্থবছরকে সামনে রেখে সামরিক শিল্প পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে।
গত বছরের ৯০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার করার প্রস্তাব দিয়েছে হোয়াইট হাউস। এ প্রস্তাবে অনেক আইনপ্রণেতা আপত্তি জানিয়েছেন। ফলে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে একদিকে অস্ত্রের ঘাটতি মেটানোর চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে বাড়তি বাজেট নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন- দুই দিক থেকেই এক জটিল চাপে পড়েছে ওয়াশিংটন।
সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

মার্কিন অস্ত্রাগারে ইরান যুদ্ধের বড় ধাক্কা
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে দীর্ঘায়িত সংঘাতের আশঙ্কায় সামরিক কৌশল ও অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা নতুন করে পর্যালোচনা করতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যেন দীর্ঘমেয়াদে কোনো চাপের মুখে না পড়ে, সেজন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ত্বরান্বিত করার কঠোর বার্তা দিয়েছে পেন্টাগন।
পেন্টাগনের এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে মার্কিন উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ সম্প্রতি দেশটির শীর্ষ সামরিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে একটি জরুরি স্মারক পাঠিয়েছেন। এতে আগামী ২১ দিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের উৎপাদন বাড়িয়ে সরবরাহের সময় কমিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেইনবার্গ জানিয়েছেন, বছরজুড়ে ধীরগতির উৎপাদন ব্যবস্থা আর গ্রহণযোগ্য নয়। বর্তমান বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত পৌঁছানো নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষপ বলে নিশ্চিত করেছেন পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস)-এর বিশ্লেষণে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার এক উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ হাজার ৩৩০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ছিল। তবে সাম্প্রতিক লড়াই ও এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ৭৫৯ থেকে ৮২৭টিতে। মজুদ কমেছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। একইভাবে ৪৫২টি থাড মিসাইলের মজুদ কমে এখন ২৩৪ থেকে ২৭৮টিতে নেমে এসেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্রদের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এখন হিসেব কষে মিসাইল ব্যবহার করতে হবে।
অবশ্য অস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার এসব প্রতিবেদন সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে এবং চাহিদামতো পর্যাপ্ত সরবরাহ সচল আছে। ট্রাম্পের এমন বার্তার মধ্যেও কংগ্রেসে সামরিক বাজেট বাড়ানোর বিষয় নিয়ে নতুন জট তৈরি হয়েছে। পেন্টাগন ২০২৮ অর্থবছরকে সামনে রেখে সামরিক শিল্প পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে।
গত বছরের ৯০০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার করার প্রস্তাব দিয়েছে হোয়াইট হাউস। এ প্রস্তাবে অনেক আইনপ্রণেতা আপত্তি জানিয়েছেন। ফলে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে একদিকে অস্ত্রের ঘাটতি মেটানোর চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে বাড়তি বাজেট নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন- দুই দিক থেকেই এক জটিল চাপে পড়েছে ওয়াশিংটন।
সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির এখনই সেরা সময়: পেজেশকিয়ান
যুক্তরাষ্ট্রের ‘অস্ত্র ঘাটতি’ দাবি করা লোকদের জেলে পাঠাবেন ট্রাম্প







