আইইডিসিআর কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে মারধর, অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে

আইইডিসিআর কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে মারধর, অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আইইডিসিআর-এর পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি নিজের কক্ষে কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করছেন। এ সময় আট থেকে নয়জন লোক তার কক্ষে ঢোকেন। তারা কাজী আহমেদকে চেয়ার থেকে টেনে উঠিয়ে নিয়ে মারধর শুরু করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওর (কাজী আহমেদ) ও তো কিছু দোষ আছে।’
কী দোষ জানতে চাইলে অধ্যাপক হারুন আল রশিদ তার মুঠোফোনে থাকা একটি ছবি দেখিয়ে বলেন, ‘এই সরকারের সময় কাজী আহমেদ কী করে মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সঙ্গে তার (কাজী আহমেদ) নিজের অফিসে বৈঠক করে?’
জানা গেছে, মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জনস্বাস্থ্যবিদ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। করোনা মহামারির সময় সংবাদমাধ্যমে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান।
পরে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান।
এদিকে, আইইডিসিআর-এর পরিচালককে মারধরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, মারধরের ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, আইইডিসিআর সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। সংস্থাটি দেশে রোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গবেষণা, সতর্কবার্তা দেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে কাজ করে। সংস্থাটির সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) মতো সংস্থাও যৌথভাবে কাজ করে।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আইইডিসিআর-এর পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি নিজের কক্ষে কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করছেন। এ সময় আট থেকে নয়জন লোক তার কক্ষে ঢোকেন। তারা কাজী আহমেদকে চেয়ার থেকে টেনে উঠিয়ে নিয়ে মারধর শুরু করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওর (কাজী আহমেদ) ও তো কিছু দোষ আছে।’
কী দোষ জানতে চাইলে অধ্যাপক হারুন আল রশিদ তার মুঠোফোনে থাকা একটি ছবি দেখিয়ে বলেন, ‘এই সরকারের সময় কাজী আহমেদ কী করে মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সঙ্গে তার (কাজী আহমেদ) নিজের অফিসে বৈঠক করে?’
জানা গেছে, মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জনস্বাস্থ্যবিদ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। করোনা মহামারির সময় সংবাদমাধ্যমে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান।
পরে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান।
এদিকে, আইইডিসিআর-এর পরিচালককে মারধরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, মারধরের ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, আইইডিসিআর সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। সংস্থাটি দেশে রোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গবেষণা, সতর্কবার্তা দেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে কাজ করে। সংস্থাটির সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) মতো সংস্থাও যৌথভাবে কাজ করে।

আইইডিসিআর কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে মারধর, অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আইইডিসিআর-এর পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি নিজের কক্ষে কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করছেন। এ সময় আট থেকে নয়জন লোক তার কক্ষে ঢোকেন। তারা কাজী আহমেদকে চেয়ার থেকে টেনে উঠিয়ে নিয়ে মারধর শুরু করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওর (কাজী আহমেদ) ও তো কিছু দোষ আছে।’
কী দোষ জানতে চাইলে অধ্যাপক হারুন আল রশিদ তার মুঠোফোনে থাকা একটি ছবি দেখিয়ে বলেন, ‘এই সরকারের সময় কাজী আহমেদ কী করে মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সঙ্গে তার (কাজী আহমেদ) নিজের অফিসে বৈঠক করে?’
জানা গেছে, মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জনস্বাস্থ্যবিদ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। করোনা মহামারির সময় সংবাদমাধ্যমে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান।
পরে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান।
এদিকে, আইইডিসিআর-এর পরিচালককে মারধরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, মারধরের ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, আইইডিসিআর সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। সংস্থাটি দেশে রোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গবেষণা, সতর্কবার্তা দেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে কাজ করে। সংস্থাটির সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) মতো সংস্থাও যৌথভাবে কাজ করে।

জরুরি বিভাগে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা, জানতে চাওয়ায় রোগীর স্বজনদের মারধর






