জরুরি বিভাগে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা, জানতে চাওয়ায় রোগীর স্বজনদের মারধর

জরুরি বিভাগে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা, জানতে চাওয়ায় রোগীর স্বজনদের মারধর
বিশেষ প্রতিনিধি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে কর্মচারী ও নার্সদের হাতে মারধর ও হামলার শিকার হয়েছেন রোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা। জরুরি বিভাগে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষার পরও চিকিৎসক রোগীকে না দেখার বিষয়ে জানতে চাওয়ায় তাদের ওপর এ হামলা হয়। এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার সখিপুরে সর্দারকান্দি এলাকার মো. আসাদুল্লাহ তার মেয়ের জামাই ইয়াকুবের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। সেখানে চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার সময় হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে নার্স ও কর্মচারীরা আসাদুল্লাহ, তার স্ত্রী, ছেলে সিয়াম এবং মেয়ের জামাই ইয়াকুবকে মারধর করেন।
সিয়াম জানান, তার বোনজামাই ইয়াকুব কুমিল্লা এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। তাকে প্রথমে তিতাস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। রাত ৯টার দিকে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন এবং টিকেট সংগ্রহ করেন। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোনো চিকিৎসক রোগীকে দেখেননি। এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে গেলে হাসপাতালের কর্মচারীরা তাদেরকে মারধর করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, হামলাকারীরা আসাদুল্লাহর স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে এবং ঘুষি মেরে আসাদুল্লাহর নাক ফাটিয়ে দেয়। তারা ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে আহত অবস্থায় আসাদুল্লাহ ও তার স্ত্রীকে ঢামেক হাসপাতালেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত ৫ জন হলেন– তুহিন (নার্স), জাকির হোসেন, তিতাস হোসেন, মো. ছালাম এবং জাকির হোসেন (অফিস সহকারী)।
থানায় অভিযোগ দায়েরের পর মো. আসাদুল্লাহ এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে কর্মচারী ও নার্সদের হাতে মারধর ও হামলার শিকার হয়েছেন রোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা। জরুরি বিভাগে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষার পরও চিকিৎসক রোগীকে না দেখার বিষয়ে জানতে চাওয়ায় তাদের ওপর এ হামলা হয়। এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার সখিপুরে সর্দারকান্দি এলাকার মো. আসাদুল্লাহ তার মেয়ের জামাই ইয়াকুবের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। সেখানে চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার সময় হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে নার্স ও কর্মচারীরা আসাদুল্লাহ, তার স্ত্রী, ছেলে সিয়াম এবং মেয়ের জামাই ইয়াকুবকে মারধর করেন।
সিয়াম জানান, তার বোনজামাই ইয়াকুব কুমিল্লা এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। তাকে প্রথমে তিতাস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। রাত ৯টার দিকে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন এবং টিকেট সংগ্রহ করেন। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোনো চিকিৎসক রোগীকে দেখেননি। এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে গেলে হাসপাতালের কর্মচারীরা তাদেরকে মারধর করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, হামলাকারীরা আসাদুল্লাহর স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে এবং ঘুষি মেরে আসাদুল্লাহর নাক ফাটিয়ে দেয়। তারা ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে আহত অবস্থায় আসাদুল্লাহ ও তার স্ত্রীকে ঢামেক হাসপাতালেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত ৫ জন হলেন– তুহিন (নার্স), জাকির হোসেন, তিতাস হোসেন, মো. ছালাম এবং জাকির হোসেন (অফিস সহকারী)।
থানায় অভিযোগ দায়েরের পর মো. আসাদুল্লাহ এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

জরুরি বিভাগে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা, জানতে চাওয়ায় রোগীর স্বজনদের মারধর
বিশেষ প্রতিনিধি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে কর্মচারী ও নার্সদের হাতে মারধর ও হামলার শিকার হয়েছেন রোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা। জরুরি বিভাগে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষার পরও চিকিৎসক রোগীকে না দেখার বিষয়ে জানতে চাওয়ায় তাদের ওপর এ হামলা হয়। এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার সখিপুরে সর্দারকান্দি এলাকার মো. আসাদুল্লাহ তার মেয়ের জামাই ইয়াকুবের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। সেখানে চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার সময় হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে নার্স ও কর্মচারীরা আসাদুল্লাহ, তার স্ত্রী, ছেলে সিয়াম এবং মেয়ের জামাই ইয়াকুবকে মারধর করেন।
সিয়াম জানান, তার বোনজামাই ইয়াকুব কুমিল্লা এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। তাকে প্রথমে তিতাস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। রাত ৯টার দিকে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন এবং টিকেট সংগ্রহ করেন। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোনো চিকিৎসক রোগীকে দেখেননি। এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে গেলে হাসপাতালের কর্মচারীরা তাদেরকে মারধর করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, হামলাকারীরা আসাদুল্লাহর স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে এবং ঘুষি মেরে আসাদুল্লাহর নাক ফাটিয়ে দেয়। তারা ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে আহত অবস্থায় আসাদুল্লাহ ও তার স্ত্রীকে ঢামেক হাসপাতালেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত ৫ জন হলেন– তুহিন (নার্স), জাকির হোসেন, তিতাস হোসেন, মো. ছালাম এবং জাকির হোসেন (অফিস সহকারী)।
থানায় অভিযোগ দায়েরের পর মো. আসাদুল্লাহ এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঢামেকে ডেঙ্গু রোগীর চাপ, সামাল দিতে পারছেন না চিকিৎসকরা 







