বায়ুদূষণে শীর্ষ তালিকায় ভারতের ৩ শহর, ঢাকার অবস্থান কত

বায়ুদূষণে শীর্ষ তালিকায় ভারতের ৩ শহর, ঢাকার অবস্থান কত
সিজেডএন ডেস্ক

বায়ুদূষণে শীর্ষ শহরের তালিকায় ভারতের তিনটি শহরের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূষিত শহর হলো দিল্লি। আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় দিল্লির বায়ুর মান সূচক বা একিউআই স্কোর ছিল ১৮৭, যা দ্বিতীয় অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে ১৮৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় ভারতের মুম্বাই এবং ১৭৮ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা।
তালিকায় ২৭৪ স্কোর নিয়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছে সেনেগালের রাজধানী ডাকার। আর ১৭৬ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর সিটি।
ঢাকার অবস্থান কী?
যত দিন যাচ্ছে, রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান ততই খারাপের দিকে যাচ্ছে। বাতাসে ক্ষতিকর ধূলিকণার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় আজও বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় উপরের দিকেই আছে জনবহুল এই শহর। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সূচকে ঢাকার বায়ুর একিউআই স্কোর ছিল ১৭৪, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।
বায়ুমানের আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে সেটা ‘ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ৫১ থেকে ১০০ স্কোরকে ‘মাঝারি’। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর হলে তা সাধারণভাবে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে সেটিকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে পৌঁছালে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে ধরা হয়।
বায়ুদূষণ সব বয়সী মানুষের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।
দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা। বায়ুদূষণে রাজধানী ঢাকা দিন দিন দুর্ভোগের নগরীতে পরিণত হচ্ছে।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ হতে পারে। এর ফলে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। বায়ুদূষণে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

বায়ুদূষণে শীর্ষ শহরের তালিকায় ভারতের তিনটি শহরের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূষিত শহর হলো দিল্লি। আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় দিল্লির বায়ুর মান সূচক বা একিউআই স্কোর ছিল ১৮৭, যা দ্বিতীয় অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে ১৮৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় ভারতের মুম্বাই এবং ১৭৮ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা।
তালিকায় ২৭৪ স্কোর নিয়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছে সেনেগালের রাজধানী ডাকার। আর ১৭৬ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর সিটি।
ঢাকার অবস্থান কী?
যত দিন যাচ্ছে, রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান ততই খারাপের দিকে যাচ্ছে। বাতাসে ক্ষতিকর ধূলিকণার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় আজও বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় উপরের দিকেই আছে জনবহুল এই শহর। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সূচকে ঢাকার বায়ুর একিউআই স্কোর ছিল ১৭৪, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।
বায়ুমানের আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে সেটা ‘ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ৫১ থেকে ১০০ স্কোরকে ‘মাঝারি’। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর হলে তা সাধারণভাবে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে সেটিকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে পৌঁছালে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে ধরা হয়।
বায়ুদূষণ সব বয়সী মানুষের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।
দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা। বায়ুদূষণে রাজধানী ঢাকা দিন দিন দুর্ভোগের নগরীতে পরিণত হচ্ছে।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ হতে পারে। এর ফলে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। বায়ুদূষণে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

বায়ুদূষণে শীর্ষ তালিকায় ভারতের ৩ শহর, ঢাকার অবস্থান কত
সিজেডএন ডেস্ক

বায়ুদূষণে শীর্ষ শহরের তালিকায় ভারতের তিনটি শহরের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূষিত শহর হলো দিল্লি। আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় দিল্লির বায়ুর মান সূচক বা একিউআই স্কোর ছিল ১৮৭, যা দ্বিতীয় অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে ১৮৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় ভারতের মুম্বাই এবং ১৭৮ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা।
তালিকায় ২৭৪ স্কোর নিয়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছে সেনেগালের রাজধানী ডাকার। আর ১৭৬ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর সিটি।
ঢাকার অবস্থান কী?
যত দিন যাচ্ছে, রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান ততই খারাপের দিকে যাচ্ছে। বাতাসে ক্ষতিকর ধূলিকণার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় আজও বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় উপরের দিকেই আছে জনবহুল এই শহর। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সূচকে ঢাকার বায়ুর একিউআই স্কোর ছিল ১৭৪, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।
বায়ুমানের আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে সেটা ‘ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ৫১ থেকে ১০০ স্কোরকে ‘মাঝারি’। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর হলে তা সাধারণভাবে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে সেটিকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে পৌঁছালে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে ধরা হয়।
বায়ুদূষণ সব বয়সী মানুষের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।
দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা। বায়ুদূষণে রাজধানী ঢাকা দিন দিন দুর্ভোগের নগরীতে পরিণত হচ্ছে।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ হতে পারে। এর ফলে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। বায়ুদূষণে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে তীব্র বায়ুদূষণ,
দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কয়েক লাখ মানুষ





