টয়লেটে ফোন ব্যবহার করা যাবে কি না?

টয়লেটে ফোন ব্যবহার করা যাবে কি না?
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। এটি বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে অনেকেই এর প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত হয়ে পড়েন। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কেমন অস্থির লাগে। মনে হয় কী যেন নেই। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান। তবে অজান্তেই আপনার নিজের জন্য ক্ষতি বয়ে আনছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই অভ্যাস মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। কারণ ওয়াশরুমের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অসংখ্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলো খুব সহজেই মোবাইলের স্ক্রিনে আটকে গিয়ে পরবর্তীতে মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত।
তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে এটা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। এটি বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে অনেকেই এর প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত হয়ে পড়েন। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কেমন অস্থির লাগে। মনে হয় কী যেন নেই। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান। তবে অজান্তেই আপনার নিজের জন্য ক্ষতি বয়ে আনছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই অভ্যাস মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। কারণ ওয়াশরুমের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অসংখ্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলো খুব সহজেই মোবাইলের স্ক্রিনে আটকে গিয়ে পরবর্তীতে মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত।
তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে এটা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

টয়লেটে ফোন ব্যবহার করা যাবে কি না?
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে স্মার্টফোন। এটি বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে অনেকেই এর প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত হয়ে পড়েন। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কেমন অস্থির লাগে। মনে হয় কী যেন নেই। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান। তবে অজান্তেই আপনার নিজের জন্য ক্ষতি বয়ে আনছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই অভ্যাস মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। কারণ ওয়াশরুমের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে অসংখ্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলো খুব সহজেই মোবাইলের স্ক্রিনে আটকে গিয়ে পরবর্তীতে মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত।
তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে এটা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নেটওয়ার্ক ছাড়াই কথা বলা যাবে যে স্মার্টফোনে






