প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনে ফেরার হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনে ফেরার হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। দাবি বাস্তবায়নে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কার্যকর না হলে আবারও আন্দোলনে ফেরার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক সমিতির নেতারা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন শিক্ষক নেতারা।
শিক্ষক নেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বরের বৈঠকে ১১তম গ্রেডের দাবি বিবেচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বিষয়টি জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সুপারিশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতেই শিক্ষকরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন। তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আবারও আন্দোলনে ফিরতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সমিতির সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন শাহিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সহকারী শিক্ষকরা বেতন বৈষম্য, পদোন্নতির জটিলতা ও প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনও প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সারা দেশের বিভিন্ন খাতের মানুষ রাজপথে আন্দোলন করেছেন। সংস্কারের নামে প্রতিটি খাতের মানুষের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের লাখ লাখ প্রাথমিক শিক্ষকের প্রত্যাশা ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের আশাহত করা হয়েছে। বারবার পরামর্শক কমিটি গঠন করে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে চা-কফির আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজন ও কার্যক্রমে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা অপচয় হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো– প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন, ৮ ও ১৪ বছর পূর্তিতে প্রাপ্য উচ্চতর গ্রেড প্রদান এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিত করা, খায়রুন নাহার লিপিসহ শিক্ষকদের হয়রানিমূলক বদলির আদেশ বাতিল ও ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহার।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। দাবি বাস্তবায়নে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কার্যকর না হলে আবারও আন্দোলনে ফেরার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক সমিতির নেতারা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন শিক্ষক নেতারা।
শিক্ষক নেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বরের বৈঠকে ১১তম গ্রেডের দাবি বিবেচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বিষয়টি জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সুপারিশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতেই শিক্ষকরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন। তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আবারও আন্দোলনে ফিরতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সমিতির সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন শাহিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সহকারী শিক্ষকরা বেতন বৈষম্য, পদোন্নতির জটিলতা ও প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনও প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সারা দেশের বিভিন্ন খাতের মানুষ রাজপথে আন্দোলন করেছেন। সংস্কারের নামে প্রতিটি খাতের মানুষের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের লাখ লাখ প্রাথমিক শিক্ষকের প্রত্যাশা ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের আশাহত করা হয়েছে। বারবার পরামর্শক কমিটি গঠন করে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে চা-কফির আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজন ও কার্যক্রমে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা অপচয় হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো– প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন, ৮ ও ১৪ বছর পূর্তিতে প্রাপ্য উচ্চতর গ্রেড প্রদান এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিত করা, খায়রুন নাহার লিপিসহ শিক্ষকদের হয়রানিমূলক বদলির আদেশ বাতিল ও ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহার।

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনে ফেরার হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। দাবি বাস্তবায়নে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি কার্যকর না হলে আবারও আন্দোলনে ফেরার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক সমিতির নেতারা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন শিক্ষক নেতারা।
শিক্ষক নেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বরের বৈঠকে ১১তম গ্রেডের দাবি বিবেচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বিষয়টি জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সুপারিশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতেই শিক্ষকরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন। তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আবারও আন্দোলনে ফিরতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সমিতির সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন শাহিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সহকারী শিক্ষকরা বেতন বৈষম্য, পদোন্নতির জটিলতা ও প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনও প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সারা দেশের বিভিন্ন খাতের মানুষ রাজপথে আন্দোলন করেছেন। সংস্কারের নামে প্রতিটি খাতের মানুষের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের লাখ লাখ প্রাথমিক শিক্ষকের প্রত্যাশা ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের আশাহত করা হয়েছে। বারবার পরামর্শক কমিটি গঠন করে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে চা-কফির আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজন ও কার্যক্রমে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা অপচয় হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো– প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন, ৮ ও ১৪ বছর পূর্তিতে প্রাপ্য উচ্চতর গ্রেড প্রদান এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিত করা, খায়রুন নাহার লিপিসহ শিক্ষকদের হয়রানিমূলক বদলির আদেশ বাতিল ও ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহার।

নতুন পে স্কেলে বেতন পেতে দেরি হতে পারে শিক্ষকদের






