নভেম্বরেও বাংলাদেশকে এলএনজি দেবে না কাতার

নভেম্বরেও বাংলাদেশকে এলএনজি দেবে না কাতার
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ঘিরে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বিদ্যমান রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ রাখার মেয়াদ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে কাতার। তবে শুধু বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তানসহ এশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশেও একই সময় পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এলএনজি সরবরাহ করে কাতার। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর ‘ফোর্স মেজর’ বা অনিবার্য পরিস্থিতি ঘোষণা করে গত মার্চ থেকে বাংলাদেশসহ এসব দেশে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। হরমুজ প্রণালিতে যান চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জানায়, এশিয়া ও ইউরোপে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা আরও এক মাসের জন্য বাড়িয়েছে কাতার। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ এখনো বিঘ্নিত হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে কাতার এনার্জির কাছ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বার্তা পায়নি পেট্রোবাংলা।
বাংলাদেশে বছরে যে ১১৫ কার্গো এলএনজি প্রয়োজন হয়। প্রতিবছর কাতার থেকে অন্তত ৪০ কার্গো এলএনজি পায় বাংলাদেশ। এর বড় অংশই আসে হরমুজ প্রণালি হয়ে। কাতার এনার্জি ছাড়াও কাতার গ্যাস, ওমানের ওকিউ ট্রেডিং, এক্সিলারেট গ্যাস মার্কেটিং ও গানভর ইউএসএ বাংলাদেশে দীর্ঘ মেয়াদে এলএনজি সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ।
চলতি অর্থবছরে দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ৫৬ কার্গো পাওয়ার কথা ছিল। তবে ফোর্স মেজরের কারণে এর অর্ধেক পাওয়ার প্রত্যাশা করছে পেট্রোবাংলা।
এদিকে কাতারের সরবরাহ সংকটে দেশে গ্যাসের ঘাটতিও বেড়েছে। সংকট মোকাবেলায় সরকার স্পট মার্কেট থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে খরচও বেশি হচ্ছে। এরপরও প্রয়োজনীয় কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প, আবাসিক ও সিএনজি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সেপ্টেম্বরের ১২ তারিখের পর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে।
আইইইএফএর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথভাবে পাকিস্তানের এলএনজি আমদানির ৯৯ শতাংশ, বাংলাদেশের ৭২ শতাংশ এবং ভারতের ৫৩ শতাংশ সরবরাহ করে।
ব্লুমবার্গ জানায়, চলতি সেপ্টেম্বরে কাতার হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজির চালান বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। তবে সরবরাহ যুদ্ধের আগের তুলনায় এখনো অনেক কম। ইরান সম্প্রতি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা শর্ত শিথিল করবে না। এছাড়া কয়েকটি শর্তও দিয়েছে। তবে এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে, সেইসঙ্গে বেড়েছে জ্বালানির দামও।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ঘিরে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বিদ্যমান রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ রাখার মেয়াদ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে কাতার। তবে শুধু বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তানসহ এশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশেও একই সময় পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এলএনজি সরবরাহ করে কাতার। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর ‘ফোর্স মেজর’ বা অনিবার্য পরিস্থিতি ঘোষণা করে গত মার্চ থেকে বাংলাদেশসহ এসব দেশে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। হরমুজ প্রণালিতে যান চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জানায়, এশিয়া ও ইউরোপে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা আরও এক মাসের জন্য বাড়িয়েছে কাতার। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ এখনো বিঘ্নিত হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে কাতার এনার্জির কাছ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বার্তা পায়নি পেট্রোবাংলা।
বাংলাদেশে বছরে যে ১১৫ কার্গো এলএনজি প্রয়োজন হয়। প্রতিবছর কাতার থেকে অন্তত ৪০ কার্গো এলএনজি পায় বাংলাদেশ। এর বড় অংশই আসে হরমুজ প্রণালি হয়ে। কাতার এনার্জি ছাড়াও কাতার গ্যাস, ওমানের ওকিউ ট্রেডিং, এক্সিলারেট গ্যাস মার্কেটিং ও গানভর ইউএসএ বাংলাদেশে দীর্ঘ মেয়াদে এলএনজি সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ।
চলতি অর্থবছরে দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ৫৬ কার্গো পাওয়ার কথা ছিল। তবে ফোর্স মেজরের কারণে এর অর্ধেক পাওয়ার প্রত্যাশা করছে পেট্রোবাংলা।
এদিকে কাতারের সরবরাহ সংকটে দেশে গ্যাসের ঘাটতিও বেড়েছে। সংকট মোকাবেলায় সরকার স্পট মার্কেট থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে খরচও বেশি হচ্ছে। এরপরও প্রয়োজনীয় কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প, আবাসিক ও সিএনজি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সেপ্টেম্বরের ১২ তারিখের পর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে।
আইইইএফএর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথভাবে পাকিস্তানের এলএনজি আমদানির ৯৯ শতাংশ, বাংলাদেশের ৭২ শতাংশ এবং ভারতের ৫৩ শতাংশ সরবরাহ করে।
ব্লুমবার্গ জানায়, চলতি সেপ্টেম্বরে কাতার হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজির চালান বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। তবে সরবরাহ যুদ্ধের আগের তুলনায় এখনো অনেক কম। ইরান সম্প্রতি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা শর্ত শিথিল করবে না। এছাড়া কয়েকটি শর্তও দিয়েছে। তবে এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে, সেইসঙ্গে বেড়েছে জ্বালানির দামও।

নভেম্বরেও বাংলাদেশকে এলএনজি দেবে না কাতার
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ঘিরে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বিদ্যমান রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ রাখার মেয়াদ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে কাতার। তবে শুধু বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তানসহ এশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশেও একই সময় পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এলএনজি সরবরাহ করে কাতার। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর ‘ফোর্স মেজর’ বা অনিবার্য পরিস্থিতি ঘোষণা করে গত মার্চ থেকে বাংলাদেশসহ এসব দেশে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। হরমুজ প্রণালিতে যান চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জানায়, এশিয়া ও ইউরোপে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা আরও এক মাসের জন্য বাড়িয়েছে কাতার। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ এখনো বিঘ্নিত হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে কাতার এনার্জির কাছ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বার্তা পায়নি পেট্রোবাংলা।
বাংলাদেশে বছরে যে ১১৫ কার্গো এলএনজি প্রয়োজন হয়। প্রতিবছর কাতার থেকে অন্তত ৪০ কার্গো এলএনজি পায় বাংলাদেশ। এর বড় অংশই আসে হরমুজ প্রণালি হয়ে। কাতার এনার্জি ছাড়াও কাতার গ্যাস, ওমানের ওকিউ ট্রেডিং, এক্সিলারেট গ্যাস মার্কেটিং ও গানভর ইউএসএ বাংলাদেশে দীর্ঘ মেয়াদে এলএনজি সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ।
চলতি অর্থবছরে দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ৫৬ কার্গো পাওয়ার কথা ছিল। তবে ফোর্স মেজরের কারণে এর অর্ধেক পাওয়ার প্রত্যাশা করছে পেট্রোবাংলা।
এদিকে কাতারের সরবরাহ সংকটে দেশে গ্যাসের ঘাটতিও বেড়েছে। সংকট মোকাবেলায় সরকার স্পট মার্কেট থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে খরচও বেশি হচ্ছে। এরপরও প্রয়োজনীয় কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প, আবাসিক ও সিএনজি খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সেপ্টেম্বরের ১২ তারিখের পর পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে।
আইইইএফএর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথভাবে পাকিস্তানের এলএনজি আমদানির ৯৯ শতাংশ, বাংলাদেশের ৭২ শতাংশ এবং ভারতের ৫৩ শতাংশ সরবরাহ করে।
ব্লুমবার্গ জানায়, চলতি সেপ্টেম্বরে কাতার হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজির চালান বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। তবে সরবরাহ যুদ্ধের আগের তুলনায় এখনো অনেক কম। ইরান সম্প্রতি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা শর্ত শিথিল করবে না। এছাড়া কয়েকটি শর্তও দিয়েছে। তবে এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে, সেইসঙ্গে বেড়েছে জ্বালানির দামও।

এলএনজির স্পট মার্কেটে সিন্ডিকেট, প্রতি কার্গোয় বাড়তি ৪০ লাখ ডলার







