জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে: ডা. জাহেদ

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে: ডা. জাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের কথা চিন্তা করে সরকার এলপিজির দাম বাড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, জ্বালানি, বিশেষ করে রান্নার গ্যাস এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের ওপরে কতটা চাপ পড়ে, এটা সরকার তো বোঝে, বুঝতেই হবে। তারপরও সরকার কাজটা করল। প্রশ্ন উঠেছে, আমরা জনগণের কল্যাণের কথা বলি, তারপরও আমরা এটা কেন করছি? আমি যদি এভাবে বলি, এই মূল্যবৃদ্ধিও দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণের কথা মাথায় রেখে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমদানি নির্ভর ও দেশে উৎপাদিত পণ্যের ভর্তুকি এক নয়। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, দেশে চাল উৎপাদিত হলো, আমি বিনা পয়সায় চাল দিয়ে দিলাম, এটা এক জিনিস। আর বিদেশ থেকে ইম্পোর্ট করা জিনিসের মধ্যে ডিফারেন্স হচ্ছে, ওটার জন্য আমাকে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হয়, আমার রিজার্ভের ওপরে চাপ তৈরি হয়।’
এখন কতটা ভর্তুকি সরকার দিতে পারবে এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘এই অর্থবছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার একটা পরিকল্পনা বাজেটে ছিল। কিন্তু আগেই জানিয়েছিলাম, ৪৮ হাজার কোটির অর্ধেক হচ্ছে ২৪ হাজার কোটি, আড়াই মাসে ভর্তুকি দিয়ে দিতে হয়েছে। আমরা এখন এলপিজি, এলএনজি কিনছি, লাস্ট যেটা কিনলাম ৩০ ডলার পার ইউনিট।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার পর্যন্ত ১০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪ ডলার ছিল পার ইউনিটের প্রাইস। আমাদের দ্বিগুণের বেশি প্রাইসে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, এটা একটা গ্লোবাল সংকট।’
ডা. জাহেদ বলেন, ‘ভর্তুকি দেওয়ার সামর্থ্য সরকারের ক্রমাগত কমছে। এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সে কারণে বলছি যে, জনগণের স্বার্থে সরকার অকল্পনীয় পরিমাণ ভর্তুকি যদি দিতে থাকে, তাহলে আসলে ঋণ বাড়াতে হবে।’
তিনি আরও বলে, ‘সরকার যদি ঋণ বাড়ায় তবে এর আল্টিমেট ইম্প্যাক্ট কিন্তু ইনফ্লেশন বেড়ে যাওয়া। সেটা মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদে। সুতরাং এটা জনগণকে ক্ষতি করবে। তাই এই ব্যাপারটা একটু আমার মনে হয় মাথায় রাখা দরকার আছে।’

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের কথা চিন্তা করে সরকার এলপিজির দাম বাড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, জ্বালানি, বিশেষ করে রান্নার গ্যাস এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের ওপরে কতটা চাপ পড়ে, এটা সরকার তো বোঝে, বুঝতেই হবে। তারপরও সরকার কাজটা করল। প্রশ্ন উঠেছে, আমরা জনগণের কল্যাণের কথা বলি, তারপরও আমরা এটা কেন করছি? আমি যদি এভাবে বলি, এই মূল্যবৃদ্ধিও দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণের কথা মাথায় রেখে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমদানি নির্ভর ও দেশে উৎপাদিত পণ্যের ভর্তুকি এক নয়। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, দেশে চাল উৎপাদিত হলো, আমি বিনা পয়সায় চাল দিয়ে দিলাম, এটা এক জিনিস। আর বিদেশ থেকে ইম্পোর্ট করা জিনিসের মধ্যে ডিফারেন্স হচ্ছে, ওটার জন্য আমাকে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হয়, আমার রিজার্ভের ওপরে চাপ তৈরি হয়।’
এখন কতটা ভর্তুকি সরকার দিতে পারবে এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘এই অর্থবছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার একটা পরিকল্পনা বাজেটে ছিল। কিন্তু আগেই জানিয়েছিলাম, ৪৮ হাজার কোটির অর্ধেক হচ্ছে ২৪ হাজার কোটি, আড়াই মাসে ভর্তুকি দিয়ে দিতে হয়েছে। আমরা এখন এলপিজি, এলএনজি কিনছি, লাস্ট যেটা কিনলাম ৩০ ডলার পার ইউনিট।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার পর্যন্ত ১০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪ ডলার ছিল পার ইউনিটের প্রাইস। আমাদের দ্বিগুণের বেশি প্রাইসে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, এটা একটা গ্লোবাল সংকট।’
ডা. জাহেদ বলেন, ‘ভর্তুকি দেওয়ার সামর্থ্য সরকারের ক্রমাগত কমছে। এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সে কারণে বলছি যে, জনগণের স্বার্থে সরকার অকল্পনীয় পরিমাণ ভর্তুকি যদি দিতে থাকে, তাহলে আসলে ঋণ বাড়াতে হবে।’
তিনি আরও বলে, ‘সরকার যদি ঋণ বাড়ায় তবে এর আল্টিমেট ইম্প্যাক্ট কিন্তু ইনফ্লেশন বেড়ে যাওয়া। সেটা মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদে। সুতরাং এটা জনগণকে ক্ষতি করবে। তাই এই ব্যাপারটা একটু আমার মনে হয় মাথায় রাখা দরকার আছে।’

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে: ডা. জাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের কথা চিন্তা করে সরকার এলপিজির দাম বাড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, জ্বালানি, বিশেষ করে রান্নার গ্যাস এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে জনগণের ওপরে কতটা চাপ পড়ে, এটা সরকার তো বোঝে, বুঝতেই হবে। তারপরও সরকার কাজটা করল। প্রশ্ন উঠেছে, আমরা জনগণের কল্যাণের কথা বলি, তারপরও আমরা এটা কেন করছি? আমি যদি এভাবে বলি, এই মূল্যবৃদ্ধিও দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণের কথা মাথায় রেখে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমদানি নির্ভর ও দেশে উৎপাদিত পণ্যের ভর্তুকি এক নয়। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, দেশে চাল উৎপাদিত হলো, আমি বিনা পয়সায় চাল দিয়ে দিলাম, এটা এক জিনিস। আর বিদেশ থেকে ইম্পোর্ট করা জিনিসের মধ্যে ডিফারেন্স হচ্ছে, ওটার জন্য আমাকে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হয়, আমার রিজার্ভের ওপরে চাপ তৈরি হয়।’
এখন কতটা ভর্তুকি সরকার দিতে পারবে এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘এই অর্থবছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার একটা পরিকল্পনা বাজেটে ছিল। কিন্তু আগেই জানিয়েছিলাম, ৪৮ হাজার কোটির অর্ধেক হচ্ছে ২৪ হাজার কোটি, আড়াই মাসে ভর্তুকি দিয়ে দিতে হয়েছে। আমরা এখন এলপিজি, এলএনজি কিনছি, লাস্ট যেটা কিনলাম ৩০ ডলার পার ইউনিট।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার পর্যন্ত ১০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪ ডলার ছিল পার ইউনিটের প্রাইস। আমাদের দ্বিগুণের বেশি প্রাইসে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, এটা একটা গ্লোবাল সংকট।’
ডা. জাহেদ বলেন, ‘ভর্তুকি দেওয়ার সামর্থ্য সরকারের ক্রমাগত কমছে। এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সে কারণে বলছি যে, জনগণের স্বার্থে সরকার অকল্পনীয় পরিমাণ ভর্তুকি যদি দিতে থাকে, তাহলে আসলে ঋণ বাড়াতে হবে।’
তিনি আরও বলে, ‘সরকার যদি ঋণ বাড়ায় তবে এর আল্টিমেট ইম্প্যাক্ট কিন্তু ইনফ্লেশন বেড়ে যাওয়া। সেটা মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদে। সুতরাং এটা জনগণকে ক্ষতি করবে। তাই এই ব্যাপারটা একটু আমার মনে হয় মাথায় রাখা দরকার আছে।’

শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন অস্থিতিশীলতার চেষ্টা হতে পারে: ডা. জাহেদ







