দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির জন্য ব্যাংক লুটেরাই দায়ী: গ্রাহক ফোরামের সভাপতি

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির জন্য ব্যাংক লুটেরাই দায়ী: গ্রাহক ফোরামের সভাপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করা, ব্যাংক ডাকাতদের বিচারসহ ৭ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে গ্রাহক ফোরামের সহসভাপতি জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, যারা ইসলামী ব্যাংকের অধিকার ক্ষুণ্ণ করেছেন, তারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়ে অনেকে ইসলামী ব্যাংকে চাকরি করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, আইন অনুযায়ী ব্যাংক পরিচালনা করা হবে। আমার প্রশ্ন, এস আলম কীভাবে ৮২ শতাংশ শেয়ারের মালিক হলো? যারা জোড় করে ইসলামী ব্যাংক দখল করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সাত দফা দাবিতে আমরা কর্মসূচি পালন করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করে যাবো। তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করার কথা ছিল। কিন্তু আদৌ তা গঠন হয়নি। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সচেতন গ্রাহক ফোরামের এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
সভাপতি বলেন, এ ঘটনায় আমরা থানায় মামলা করতে গিয়েছি। কিন্তু মামলা নেওয়া হয়নি। ভিকটিমের আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তিনি তা পাননি। কোন ব্যক্তি এককভাবে ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ক্রয় করতে পারে না। কিন্তু এস আলম সেই নীতি লঙ্ঘন করেছেন। ইসলামী ব্যাংক এখনো এস আলমের নিয়ন্ত্রণাধীন। আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য ব্যাংক লুটেরা, ব্যাংক ডাকাতরাই দায়ী।
তিনি আরও বলেন, আগামী রবিবার সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সেখানে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এসময় ইসলামী ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করা, ব্যাংক ডাকাতদের বিচারসহ ৭ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে গ্রাহক ফোরামের সহসভাপতি জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, যারা ইসলামী ব্যাংকের অধিকার ক্ষুণ্ণ করেছেন, তারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়ে অনেকে ইসলামী ব্যাংকে চাকরি করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, আইন অনুযায়ী ব্যাংক পরিচালনা করা হবে। আমার প্রশ্ন, এস আলম কীভাবে ৮২ শতাংশ শেয়ারের মালিক হলো? যারা জোড় করে ইসলামী ব্যাংক দখল করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সাত দফা দাবিতে আমরা কর্মসূচি পালন করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করে যাবো। তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করার কথা ছিল। কিন্তু আদৌ তা গঠন হয়নি। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সচেতন গ্রাহক ফোরামের এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
সভাপতি বলেন, এ ঘটনায় আমরা থানায় মামলা করতে গিয়েছি। কিন্তু মামলা নেওয়া হয়নি। ভিকটিমের আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তিনি তা পাননি। কোন ব্যক্তি এককভাবে ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ক্রয় করতে পারে না। কিন্তু এস আলম সেই নীতি লঙ্ঘন করেছেন। ইসলামী ব্যাংক এখনো এস আলমের নিয়ন্ত্রণাধীন। আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য ব্যাংক লুটেরা, ব্যাংক ডাকাতরাই দায়ী।
তিনি আরও বলেন, আগামী রবিবার সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সেখানে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এসময় ইসলামী ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির জন্য ব্যাংক লুটেরাই দায়ী: গ্রাহক ফোরামের সভাপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করা, ব্যাংক ডাকাতদের বিচারসহ ৭ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে গ্রাহক ফোরামের সহসভাপতি জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, যারা ইসলামী ব্যাংকের অধিকার ক্ষুণ্ণ করেছেন, তারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়ে অনেকে ইসলামী ব্যাংকে চাকরি করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, আইন অনুযায়ী ব্যাংক পরিচালনা করা হবে। আমার প্রশ্ন, এস আলম কীভাবে ৮২ শতাংশ শেয়ারের মালিক হলো? যারা জোড় করে ইসলামী ব্যাংক দখল করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সাত দফা দাবিতে আমরা কর্মসূচি পালন করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করে যাবো। তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করার কথা ছিল। কিন্তু আদৌ তা গঠন হয়নি। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সচেতন গ্রাহক ফোরামের এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
সভাপতি বলেন, এ ঘটনায় আমরা থানায় মামলা করতে গিয়েছি। কিন্তু মামলা নেওয়া হয়নি। ভিকটিমের আইনি সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তিনি তা পাননি। কোন ব্যক্তি এককভাবে ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ক্রয় করতে পারে না। কিন্তু এস আলম সেই নীতি লঙ্ঘন করেছেন। ইসলামী ব্যাংক এখনো এস আলমের নিয়ন্ত্রণাধীন। আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য ব্যাংক লুটেরা, ব্যাংক ডাকাতরাই দায়ী।
তিনি আরও বলেন, আগামী রবিবার সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সেখানে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এসময় ইসলামী ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।









