রাজশাহীতে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক

রাজশাহীতে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক
রাজশাহী সংবাদদাতা

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছরের এক শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক ও স্থানীয় জামায়াত নেতা ওমর ফারুককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের রোকন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি নিজ বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ১২ জুলাই পড়ার জন্য অন্যসব শিশুদের সঙ্গে ওই শিশুটিও ওমর ফারুকের বাড়িতে যায়। একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের কৌশলে বিদায় করে দিয়ে শিশুটিকে যৌন হয়রানি করে। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করে তার মাকে পুরো ঘটনাটি জানায়।
শিশুটির মা বলেন, বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা মজিবুর রহমানকে জানানো হয়েছিল। তিনি এটি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দেন। পরে এলাকায় জানাজানি হলে পুলিশও জানতে পারে এবং অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
তবে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বড়গাছি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রহমান মিলন জানান, ওমর ফারুক তাদের ইউনিয়নের একজন রোকন সদস্য। তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি দুই মাস আগের এবং উভয় পরিবারের মধ্যে তা মীমাংসাও হয়ে গিয়েছিল। এখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টিকে বড় করে তুলে পুলিশে খবর দিয়েছে। তবে তিনি আরও জানান, আজই বিষয়টি জানতে পেরেছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধ প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিশুটির মা থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে রবিবার (২ আগস্ট) আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছরের এক শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক ও স্থানীয় জামায়াত নেতা ওমর ফারুককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের রোকন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি নিজ বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ১২ জুলাই পড়ার জন্য অন্যসব শিশুদের সঙ্গে ওই শিশুটিও ওমর ফারুকের বাড়িতে যায়। একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের কৌশলে বিদায় করে দিয়ে শিশুটিকে যৌন হয়রানি করে। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করে তার মাকে পুরো ঘটনাটি জানায়।
শিশুটির মা বলেন, বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা মজিবুর রহমানকে জানানো হয়েছিল। তিনি এটি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দেন। পরে এলাকায় জানাজানি হলে পুলিশও জানতে পারে এবং অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
তবে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বড়গাছি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রহমান মিলন জানান, ওমর ফারুক তাদের ইউনিয়নের একজন রোকন সদস্য। তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি দুই মাস আগের এবং উভয় পরিবারের মধ্যে তা মীমাংসাও হয়ে গিয়েছিল। এখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টিকে বড় করে তুলে পুলিশে খবর দিয়েছে। তবে তিনি আরও জানান, আজই বিষয়টি জানতে পেরেছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধ প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিশুটির মা থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে রবিবার (২ আগস্ট) আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

রাজশাহীতে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াত নেতা আটক
রাজশাহী সংবাদদাতা

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছরের এক শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক ও স্থানীয় জামায়াত নেতা ওমর ফারুককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের রোকন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি নিজ বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ১২ জুলাই পড়ার জন্য অন্যসব শিশুদের সঙ্গে ওই শিশুটিও ওমর ফারুকের বাড়িতে যায়। একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের কৌশলে বিদায় করে দিয়ে শিশুটিকে যৌন হয়রানি করে। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করে তার মাকে পুরো ঘটনাটি জানায়।
শিশুটির মা বলেন, বিষয়টি অভিযুক্তের বাবা মজিবুর রহমানকে জানানো হয়েছিল। তিনি এটি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার পরামর্শ দেন। পরে এলাকায় জানাজানি হলে পুলিশও জানতে পারে এবং অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
তবে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বড়গাছি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর রহমান মিলন জানান, ওমর ফারুক তাদের ইউনিয়নের একজন রোকন সদস্য। তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি দুই মাস আগের এবং উভয় পরিবারের মধ্যে তা মীমাংসাও হয়ে গিয়েছিল। এখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টিকে বড় করে তুলে পুলিশে খবর দিয়েছে। তবে তিনি আরও জানান, আজই বিষয়টি জানতে পেরেছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধ প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিশুটির মা থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে রবিবার (২ আগস্ট) আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক ভিডিও ভাইরাল, অফিস সহকারী সাময়িক বরখাস্ত
‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ভাইরাল: যে ব্যাখ্যা দিলেন জামায়াত এমপি







