প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীকে নিয়ে ‘মানহানিকর পোস্ট’, গ্রেপ্তার ১

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীকে নিয়ে ‘মানহানিকর পোস্ট’, গ্রেপ্তার ১
রাজশাহী সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মানহানিকর পোস্ট’ দেওয়ার অভিযোগে পলাশ চৌধুরী (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে রাজশাহী নগরীর রাণীবাজারের ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত পলাশ চৌধুরী রাজশাহীর মালোপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৫ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ মামলার বাদীর নাম নুর মোহম্মদ (৩০)। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা। তিনি গত ১ জুলাই বিকালে ফেসবুকে দেখতে পান, কয়েকটি ফেসবুক আইডি, গ্রুপ, পেজ ও টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সহধর্মিণীর নামে মিথ্যা, অশ্লীল ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ২ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা করেন তিনি। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এসব পোস্ট পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে ভুক্তভোগীর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। পাশাপাশি তিনি মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন, মানহানির শিকার এবং ব্ল্যাকমেইলের মুখে পড়েন।
ওই মামলার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় পলাশ চৌধুরীকেও গ্রেপ্তার করা হলো।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ চৌধুরী ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মানহানিকর পোস্ট’ দেওয়ার অভিযোগে পলাশ চৌধুরী (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে রাজশাহী নগরীর রাণীবাজারের ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত পলাশ চৌধুরী রাজশাহীর মালোপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৫ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ মামলার বাদীর নাম নুর মোহম্মদ (৩০)। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা। তিনি গত ১ জুলাই বিকালে ফেসবুকে দেখতে পান, কয়েকটি ফেসবুক আইডি, গ্রুপ, পেজ ও টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সহধর্মিণীর নামে মিথ্যা, অশ্লীল ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ২ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা করেন তিনি। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এসব পোস্ট পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে ভুক্তভোগীর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। পাশাপাশি তিনি মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন, মানহানির শিকার এবং ব্ল্যাকমেইলের মুখে পড়েন।
ওই মামলার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় পলাশ চৌধুরীকেও গ্রেপ্তার করা হলো।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ চৌধুরী ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীকে নিয়ে ‘মানহানিকর পোস্ট’, গ্রেপ্তার ১
রাজশাহী সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মানহানিকর পোস্ট’ দেওয়ার অভিযোগে পলাশ চৌধুরী (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে রাজশাহী নগরীর রাণীবাজারের ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত পলাশ চৌধুরী রাজশাহীর মালোপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৫ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ মামলার বাদীর নাম নুর মোহম্মদ (৩০)। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা। তিনি গত ১ জুলাই বিকালে ফেসবুকে দেখতে পান, কয়েকটি ফেসবুক আইডি, গ্রুপ, পেজ ও টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সহধর্মিণীর নামে মিথ্যা, অশ্লীল ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ২ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা করেন তিনি। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এসব পোস্ট পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে ভুক্তভোগীর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। পাশাপাশি তিনি মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন, মানহানির শিকার এবং ব্ল্যাকমেইলের মুখে পড়েন।
ওই মামলার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় পলাশ চৌধুরীকেও গ্রেপ্তার করা হলো।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পলাশ চৌধুরী ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

লালমনিরহাটে মাদক মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার







