১৮ ঘণ্টাই থাকছে না বিদ্যুৎ

১৮ ঘণ্টাই থাকছে না বিদ্যুৎ
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোরের লালপুর উপজেলায় ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই থাকছে না বিদ্যুৎ। এতে অতিষ্ঠ জনজীবন। এছাড়া, বিদুৎ না থাকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের তথ্য বলছে, গতকাল সোমবার দিনের চাহিদা ছিলো ১৯ মেগাওয়াট। পাওয়া গেছে ৯.৪২ মেগাওয়াট। গত রবিবার রাতের চাহিদা ছিল ২৫ মেগাওয়াট। পাওয়া গেছে ১৫ মেগাওয়াট।
ওয়ালিয়া গ্রামের অটোরিকশাচালক হাসান মোল্লা বলেন, অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকছে না। ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় সড়কে অটো বের করতে পারছি না। সংসার চালানোই মুশকিল হয়ে পড়েছে।
লালপুর গ্রামের গৃহিণী আলিজা পারভীন বলেন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে রাতে ঘুমাতে পারি না।
ওয়ালিয়া গ্রামের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না। এতে আমার ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে।
গনি ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক মো. গনি মিয়া বলেন, কারখানায় কাজের প্রচুর চাপ। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকরা কাজ করতে পারছি না।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর লালপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম বলেন, চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ৯টি ফিডারে কখনো এক ঘণ্টা কখনো দেড় ঘণ্টা লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

নাটোরের লালপুর উপজেলায় ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই থাকছে না বিদ্যুৎ। এতে অতিষ্ঠ জনজীবন। এছাড়া, বিদুৎ না থাকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের তথ্য বলছে, গতকাল সোমবার দিনের চাহিদা ছিলো ১৯ মেগাওয়াট। পাওয়া গেছে ৯.৪২ মেগাওয়াট। গত রবিবার রাতের চাহিদা ছিল ২৫ মেগাওয়াট। পাওয়া গেছে ১৫ মেগাওয়াট।
ওয়ালিয়া গ্রামের অটোরিকশাচালক হাসান মোল্লা বলেন, অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকছে না। ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় সড়কে অটো বের করতে পারছি না। সংসার চালানোই মুশকিল হয়ে পড়েছে।
লালপুর গ্রামের গৃহিণী আলিজা পারভীন বলেন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে রাতে ঘুমাতে পারি না।
ওয়ালিয়া গ্রামের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না। এতে আমার ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে।
গনি ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক মো. গনি মিয়া বলেন, কারখানায় কাজের প্রচুর চাপ। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকরা কাজ করতে পারছি না।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর লালপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম বলেন, চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ৯টি ফিডারে কখনো এক ঘণ্টা কখনো দেড় ঘণ্টা লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

১৮ ঘণ্টাই থাকছে না বিদ্যুৎ
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোরের লালপুর উপজেলায় ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই থাকছে না বিদ্যুৎ। এতে অতিষ্ঠ জনজীবন। এছাড়া, বিদুৎ না থাকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের তথ্য বলছে, গতকাল সোমবার দিনের চাহিদা ছিলো ১৯ মেগাওয়াট। পাওয়া গেছে ৯.৪২ মেগাওয়াট। গত রবিবার রাতের চাহিদা ছিল ২৫ মেগাওয়াট। পাওয়া গেছে ১৫ মেগাওয়াট।
ওয়ালিয়া গ্রামের অটোরিকশাচালক হাসান মোল্লা বলেন, অটোরিকশা চালিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে হয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকছে না। ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় সড়কে অটো বের করতে পারছি না। সংসার চালানোই মুশকিল হয়ে পড়েছে।
লালপুর গ্রামের গৃহিণী আলিজা পারভীন বলেন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে রাতে ঘুমাতে পারি না।
ওয়ালিয়া গ্রামের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না। এতে আমার ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে।
গনি ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক মো. গনি মিয়া বলেন, কারখানায় কাজের প্রচুর চাপ। বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকরা কাজ করতে পারছি না।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর লালপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম বলেন, চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ৯টি ফিডারে কখনো এক ঘণ্টা কখনো দেড় ঘণ্টা লোডশেডিং করতে হচ্ছে।









