পদ্মা সেতু রেলপথে চুরি, মিলছে না স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল সুবিধা

পদ্মা সেতু রেলপথে চুরি, মিলছে না স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল সুবিধা
মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা

পদ্মা সেতু রেলপথে প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল ব্যবস্থার কোটি কোটি টাকার সরঞ্জাম দীর্ঘদিন ধরে চুরি হয়ে গেছে। ফলে অকেজো হয়ে পড়েছে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। বাধ্য হয়ে ফোন ও লিখিত নির্দেশনায় শত বছরের পুরনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ট্রেন চালাতে হচ্ছে।
আগামী ১০ আগস্ট ঢাকা-পদ্মা সেতু-গোপালগঞ্জ রুটে চালু হচ্ছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে এক জোড়া ট্রেন। নতুন এ যাত্রার আগেই সামনে এসেছে রেলপথটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মা সেতু রেলসংযোগের মাওয়া, শ্রীনগর ও নিমতলা স্টেশন এলাকার আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থায় রয়েছে নানা জটিলতা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দফায় দফায় চুরি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল, দ্রুতগামী ট্রেন নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামসহ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উপকরণ। এতে আধুনিক ইন্টারলকিং সিস্টেম ও স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থার পূর্ণ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না কোনো লাইনেই।
মাওয়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম খোকন জানান, চুরির কারণে আধুনিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রায় ৭০ শতাংশই অচল হয়ে পড়েছে। ফলে সিগন্যাল ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে ট্রেন পরিচালনা করতে হচ্ছে। ট্রেনের অবস্থান নিশ্চিত করতে ফোনে যোগাযোগ ও চালকদের লিখিত নির্দেশনা দিয়ে ট্রেন চালাতে হচ্ছে।
রেলসংশ্লিষ্টরা জানান, সিগন্যাল ব্যবস্থা শুধু ট্রেন চলাচলের নির্দেশনা নয়, বরং এটি দুর্ঘটনা প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একটি ছোট যন্ত্রাংশ অকার্যকর হলেও পুরো রেল পরিচালনায় বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে সোমবার (১০ আগস্ট) চালু হচ্ছে নতুন কমিউটার ট্রেন ‘অভিযাত্রী’। এতে থাকবে ৮টি কোচ, আসন সংখ্যা ৬০৯টি।
প্রাথমিক সময়সূচি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে প্রতিদিন বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে গোপালগঞ্জ পৌঁছবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে। ফেরার পথে গোপালগঞ্জ থেকে ছাড়বে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে এবং ঢাকায় পৌঁছবে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে। শনিবার থাকবে সাপ্তাহিক বন্ধ। ট্রেনটি কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, শিবচর, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা ও মহেশপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। তবে নতুন ট্রেন চালুর আগে রেলপথের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত –এখন সেই প্রশ্ন উঠছে?
পদ্মা সেতু রেলপথের প্রায় সব জায়গাতেই চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান। তিনি বলেন, সিগন্যাল সরঞ্জামের সুরক্ষায় খাঁচা স্থাপন করা হয়েছে। এতে চুরির ঘটনা কিছুটা কমেছে। তবে কয়েক দফায় কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, সিগন্যাল সরঞ্জাম চুরি ও জনবল সংকটের কারণে নিমতলা ও শ্রীনগর স্টেশনে অস্থায়ী লোকবল দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী জনবলও বাড়ানো হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রেললাইনের আশপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নজরদারি ও সচেতনতা কার্যক্রম না থাকায় ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে মাওয়া, শ্রীনগর ও নিমতলা এলাকায় রেললাইনে মানুষের অবাধ চলাচল দেখা যায়।

পদ্মা সেতু রেলপথে প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল ব্যবস্থার কোটি কোটি টাকার সরঞ্জাম দীর্ঘদিন ধরে চুরি হয়ে গেছে। ফলে অকেজো হয়ে পড়েছে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। বাধ্য হয়ে ফোন ও লিখিত নির্দেশনায় শত বছরের পুরনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ট্রেন চালাতে হচ্ছে।
আগামী ১০ আগস্ট ঢাকা-পদ্মা সেতু-গোপালগঞ্জ রুটে চালু হচ্ছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে এক জোড়া ট্রেন। নতুন এ যাত্রার আগেই সামনে এসেছে রেলপথটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মা সেতু রেলসংযোগের মাওয়া, শ্রীনগর ও নিমতলা স্টেশন এলাকার আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থায় রয়েছে নানা জটিলতা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দফায় দফায় চুরি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল, দ্রুতগামী ট্রেন নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামসহ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উপকরণ। এতে আধুনিক ইন্টারলকিং সিস্টেম ও স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থার পূর্ণ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না কোনো লাইনেই।
মাওয়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম খোকন জানান, চুরির কারণে আধুনিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রায় ৭০ শতাংশই অচল হয়ে পড়েছে। ফলে সিগন্যাল ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে ট্রেন পরিচালনা করতে হচ্ছে। ট্রেনের অবস্থান নিশ্চিত করতে ফোনে যোগাযোগ ও চালকদের লিখিত নির্দেশনা দিয়ে ট্রেন চালাতে হচ্ছে।
রেলসংশ্লিষ্টরা জানান, সিগন্যাল ব্যবস্থা শুধু ট্রেন চলাচলের নির্দেশনা নয়, বরং এটি দুর্ঘটনা প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একটি ছোট যন্ত্রাংশ অকার্যকর হলেও পুরো রেল পরিচালনায় বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে সোমবার (১০ আগস্ট) চালু হচ্ছে নতুন কমিউটার ট্রেন ‘অভিযাত্রী’। এতে থাকবে ৮টি কোচ, আসন সংখ্যা ৬০৯টি।
প্রাথমিক সময়সূচি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে প্রতিদিন বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে গোপালগঞ্জ পৌঁছবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে। ফেরার পথে গোপালগঞ্জ থেকে ছাড়বে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে এবং ঢাকায় পৌঁছবে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে। শনিবার থাকবে সাপ্তাহিক বন্ধ। ট্রেনটি কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, শিবচর, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা ও মহেশপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। তবে নতুন ট্রেন চালুর আগে রেলপথের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত –এখন সেই প্রশ্ন উঠছে?
পদ্মা সেতু রেলপথের প্রায় সব জায়গাতেই চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান। তিনি বলেন, সিগন্যাল সরঞ্জামের সুরক্ষায় খাঁচা স্থাপন করা হয়েছে। এতে চুরির ঘটনা কিছুটা কমেছে। তবে কয়েক দফায় কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, সিগন্যাল সরঞ্জাম চুরি ও জনবল সংকটের কারণে নিমতলা ও শ্রীনগর স্টেশনে অস্থায়ী লোকবল দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী জনবলও বাড়ানো হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রেললাইনের আশপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নজরদারি ও সচেতনতা কার্যক্রম না থাকায় ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে মাওয়া, শ্রীনগর ও নিমতলা এলাকায় রেললাইনে মানুষের অবাধ চলাচল দেখা যায়।

পদ্মা সেতু রেলপথে চুরি, মিলছে না স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল সুবিধা
মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা

পদ্মা সেতু রেলপথে প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল ব্যবস্থার কোটি কোটি টাকার সরঞ্জাম দীর্ঘদিন ধরে চুরি হয়ে গেছে। ফলে অকেজো হয়ে পড়েছে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। বাধ্য হয়ে ফোন ও লিখিত নির্দেশনায় শত বছরের পুরনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ট্রেন চালাতে হচ্ছে।
আগামী ১০ আগস্ট ঢাকা-পদ্মা সেতু-গোপালগঞ্জ রুটে চালু হচ্ছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে এক জোড়া ট্রেন। নতুন এ যাত্রার আগেই সামনে এসেছে রেলপথটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মা সেতু রেলসংযোগের মাওয়া, শ্রীনগর ও নিমতলা স্টেশন এলাকার আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থায় রয়েছে নানা জটিলতা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দফায় দফায় চুরি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল, দ্রুতগামী ট্রেন নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামসহ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উপকরণ। এতে আধুনিক ইন্টারলকিং সিস্টেম ও স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থার পূর্ণ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না কোনো লাইনেই।
মাওয়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম খোকন জানান, চুরির কারণে আধুনিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রায় ৭০ শতাংশই অচল হয়ে পড়েছে। ফলে সিগন্যাল ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে ট্রেন পরিচালনা করতে হচ্ছে। ট্রেনের অবস্থান নিশ্চিত করতে ফোনে যোগাযোগ ও চালকদের লিখিত নির্দেশনা দিয়ে ট্রেন চালাতে হচ্ছে।
রেলসংশ্লিষ্টরা জানান, সিগন্যাল ব্যবস্থা শুধু ট্রেন চলাচলের নির্দেশনা নয়, বরং এটি দুর্ঘটনা প্রতিরোধের অন্যতম প্রধান নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একটি ছোট যন্ত্রাংশ অকার্যকর হলেও পুরো রেল পরিচালনায় বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে সোমবার (১০ আগস্ট) চালু হচ্ছে নতুন কমিউটার ট্রেন ‘অভিযাত্রী’। এতে থাকবে ৮টি কোচ, আসন সংখ্যা ৬০৯টি।
প্রাথমিক সময়সূচি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে প্রতিদিন বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে গোপালগঞ্জ পৌঁছবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে। ফেরার পথে গোপালগঞ্জ থেকে ছাড়বে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে এবং ঢাকায় পৌঁছবে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে। শনিবার থাকবে সাপ্তাহিক বন্ধ। ট্রেনটি কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, শিবচর, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা ও মহেশপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। তবে নতুন ট্রেন চালুর আগে রেলপথের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত –এখন সেই প্রশ্ন উঠছে?
পদ্মা সেতু রেলপথের প্রায় সব জায়গাতেই চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান। তিনি বলেন, সিগন্যাল সরঞ্জামের সুরক্ষায় খাঁচা স্থাপন করা হয়েছে। এতে চুরির ঘটনা কিছুটা কমেছে। তবে কয়েক দফায় কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, সিগন্যাল সরঞ্জাম চুরি ও জনবল সংকটের কারণে নিমতলা ও শ্রীনগর স্টেশনে অস্থায়ী লোকবল দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী জনবলও বাড়ানো হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রেললাইনের আশপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নজরদারি ও সচেতনতা কার্যক্রম না থাকায় ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে মাওয়া, শ্রীনগর ও নিমতলা এলাকায় রেললাইনে মানুষের অবাধ চলাচল দেখা যায়।

পদ্মা সেতু রুটে যুক্ত হচ্ছে আরও ২টি ট্রেন, যাত্রীদের উচ্ছ্বাস







