সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দাঁড়িয়েও মেলে না আটা-চাল

সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দাঁড়িয়েও মেলে না আটা-চাল
জয়পুরহাট সংবাদাতা

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সরকারের বিশেষ ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) কর্মসূচির আওতায় ন্যায্যমূল্যে আটা ও চাল কিনতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মাঠে ট্রাক আসার আগে শত শত নারী-পুরুষ লাইনে দাঁড়ায়। তবে জনবল সংকটের কারণে দুটি বুথের পরিবর্তে একটি বুথে চাল বিক্রি হয়। এতে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইন, ধীরগতির কার্যক্রম এবং চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপকারভোগী। সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় পণ্য না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেকে।
জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রবিবার থেকে বৃহিস্পতিবার, সপ্তাহে এই পাঁচ দিন ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন দুই টন আটা ও দুই টন চাল বিক্রি করা হয়। এর আওতায় জনপ্রতি ২৭০ টাকায় পাঁচ কেজি আটা ও পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারেন। প্রতিদিন ৪০০ জন এ সুবিধা পান।
ন্যায্য মূল্যের এই পণ্য কিনতে সকাল থেকেই ভিড় করেন উপকারভোগী। তবে দীর্ঘ ৭ ঘণ্টার অধিক সময় ধরে অপেক্ষা করেও অনেকে চাল কিনতে পারেননি।
তাদের অভিযোগ, আটা আর চাল নিতে এসে সারাদিন কেটে যায়। সংসারের অন্য কাজ করার সময় পান না। সকাল ৮টার দিকে এসে বিকাল ৩টা বেজে গেলেও নির্ধারিত পণ্য কিনতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।
উপকারভোগীদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্য গ্রহণ, আঙুলের ছাপ নেওয়া, অমোচনীয় কালি লাগানো এবং পরে আটা-চাল বিতরণের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে একজনের পিছনেই ১০ মিনিটেরও বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে। এতে বিক্রির গতি ধীর এবং লাইন দীর্ঘ হচ্ছে।
তবে জনবল সংকটের কারণে এমনটি হচ্ছে বলে জানান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খন্দকার মো. মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী দুটি বুথে প্রতিদিন দুই টন আটা ও দুই টন চাল বিক্রির কথা রয়েছে। তবে জনবল সংকটের কারণে বর্তমানে একটি বুথ থেকেই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এজন্য উপকারভোগীদের কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে।
উপজেলা ওএমএস কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক-উর-রহমান বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি আমাদের জানা আছে। চলতি মাস পর্যন্ত এ সংকট থাকতে পারে। পরবর্তীতে ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে কর্মসূচি পরিচালনা করে সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সরকারের বিশেষ ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) কর্মসূচির আওতায় ন্যায্যমূল্যে আটা ও চাল কিনতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মাঠে ট্রাক আসার আগে শত শত নারী-পুরুষ লাইনে দাঁড়ায়। তবে জনবল সংকটের কারণে দুটি বুথের পরিবর্তে একটি বুথে চাল বিক্রি হয়। এতে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইন, ধীরগতির কার্যক্রম এবং চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপকারভোগী। সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় পণ্য না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেকে।
জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রবিবার থেকে বৃহিস্পতিবার, সপ্তাহে এই পাঁচ দিন ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন দুই টন আটা ও দুই টন চাল বিক্রি করা হয়। এর আওতায় জনপ্রতি ২৭০ টাকায় পাঁচ কেজি আটা ও পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারেন। প্রতিদিন ৪০০ জন এ সুবিধা পান।
ন্যায্য মূল্যের এই পণ্য কিনতে সকাল থেকেই ভিড় করেন উপকারভোগী। তবে দীর্ঘ ৭ ঘণ্টার অধিক সময় ধরে অপেক্ষা করেও অনেকে চাল কিনতে পারেননি।
তাদের অভিযোগ, আটা আর চাল নিতে এসে সারাদিন কেটে যায়। সংসারের অন্য কাজ করার সময় পান না। সকাল ৮টার দিকে এসে বিকাল ৩টা বেজে গেলেও নির্ধারিত পণ্য কিনতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।
উপকারভোগীদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্য গ্রহণ, আঙুলের ছাপ নেওয়া, অমোচনীয় কালি লাগানো এবং পরে আটা-চাল বিতরণের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে একজনের পিছনেই ১০ মিনিটেরও বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে। এতে বিক্রির গতি ধীর এবং লাইন দীর্ঘ হচ্ছে।
তবে জনবল সংকটের কারণে এমনটি হচ্ছে বলে জানান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খন্দকার মো. মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী দুটি বুথে প্রতিদিন দুই টন আটা ও দুই টন চাল বিক্রির কথা রয়েছে। তবে জনবল সংকটের কারণে বর্তমানে একটি বুথ থেকেই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এজন্য উপকারভোগীদের কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে।
উপজেলা ওএমএস কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক-উর-রহমান বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি আমাদের জানা আছে। চলতি মাস পর্যন্ত এ সংকট থাকতে পারে। পরবর্তীতে ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে কর্মসূচি পরিচালনা করে সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দাঁড়িয়েও মেলে না আটা-চাল
জয়পুরহাট সংবাদাতা

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সরকারের বিশেষ ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) কর্মসূচির আওতায় ন্যায্যমূল্যে আটা ও চাল কিনতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মাঠে ট্রাক আসার আগে শত শত নারী-পুরুষ লাইনে দাঁড়ায়। তবে জনবল সংকটের কারণে দুটি বুথের পরিবর্তে একটি বুথে চাল বিক্রি হয়। এতে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইন, ধীরগতির কার্যক্রম এবং চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপকারভোগী। সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় পণ্য না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেকে।
জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রবিবার থেকে বৃহিস্পতিবার, সপ্তাহে এই পাঁচ দিন ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন দুই টন আটা ও দুই টন চাল বিক্রি করা হয়। এর আওতায় জনপ্রতি ২৭০ টাকায় পাঁচ কেজি আটা ও পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারেন। প্রতিদিন ৪০০ জন এ সুবিধা পান।
ন্যায্য মূল্যের এই পণ্য কিনতে সকাল থেকেই ভিড় করেন উপকারভোগী। তবে দীর্ঘ ৭ ঘণ্টার অধিক সময় ধরে অপেক্ষা করেও অনেকে চাল কিনতে পারেননি।
তাদের অভিযোগ, আটা আর চাল নিতে এসে সারাদিন কেটে যায়। সংসারের অন্য কাজ করার সময় পান না। সকাল ৮টার দিকে এসে বিকাল ৩টা বেজে গেলেও নির্ধারিত পণ্য কিনতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।
উপকারভোগীদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্য গ্রহণ, আঙুলের ছাপ নেওয়া, অমোচনীয় কালি লাগানো এবং পরে আটা-চাল বিতরণের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে একজনের পিছনেই ১০ মিনিটেরও বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে। এতে বিক্রির গতি ধীর এবং লাইন দীর্ঘ হচ্ছে।
তবে জনবল সংকটের কারণে এমনটি হচ্ছে বলে জানান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খন্দকার মো. মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী দুটি বুথে প্রতিদিন দুই টন আটা ও দুই টন চাল বিক্রির কথা রয়েছে। তবে জনবল সংকটের কারণে বর্তমানে একটি বুথ থেকেই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এজন্য উপকারভোগীদের কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে।
উপজেলা ওএমএস কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক-উর-রহমান বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি আমাদের জানা আছে। চলতি মাস পর্যন্ত এ সংকট থাকতে পারে। পরবর্তীতে ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে কর্মসূচি পরিচালনা করে সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাবে ৫৫ লাখ পরিবার







