শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে বৃদ্ধ, মিললো পরিচয়

শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে বৃদ্ধ, মিললো পরিচয়
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের ঘটনায় আলোচিত বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
প্রায় ২৪ ঘণ্টা নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় আনা হয়েছে।
ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।
জানা গেছে, গত দুই মাস ধরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের লোকজন তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর পরিচয় যাচাই-বাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে পুলিশ।
এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, ওই বৃদ্ধের পরিচয় পাওয়ার পর তাকে থানায় আনা হয়েছে। রাজশাহী থেকে তার পরিবারের লোকজনরা আসছে। এখন তিনি আমাদের হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (১০ জুন) সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলে ওই ব্যক্তিকে শূন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শূন্য রেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা দেয়। পরে আবার শূন্য রেখায় চলে যায় ওই ব্যক্তি।

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের ঘটনায় আলোচিত বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
প্রায় ২৪ ঘণ্টা নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় আনা হয়েছে।
ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।
জানা গেছে, গত দুই মাস ধরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের লোকজন তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর পরিচয় যাচাই-বাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে পুলিশ।
এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, ওই বৃদ্ধের পরিচয় পাওয়ার পর তাকে থানায় আনা হয়েছে। রাজশাহী থেকে তার পরিবারের লোকজনরা আসছে। এখন তিনি আমাদের হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (১০ জুন) সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলে ওই ব্যক্তিকে শূন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শূন্য রেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা দেয়। পরে আবার শূন্য রেখায় চলে যায় ওই ব্যক্তি।

শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে বৃদ্ধ, মিললো পরিচয়
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের ঘটনায় আলোচিত বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
প্রায় ২৪ ঘণ্টা নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় আনা হয়েছে।
ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।
জানা গেছে, গত দুই মাস ধরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের লোকজন তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর পরিচয় যাচাই-বাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে পুলিশ।
এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, ওই বৃদ্ধের পরিচয় পাওয়ার পর তাকে থানায় আনা হয়েছে। রাজশাহী থেকে তার পরিবারের লোকজনরা আসছে। এখন তিনি আমাদের হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (১০ জুন) সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলে ওই ব্যক্তিকে শূন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শূন্য রেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা দেয়। পরে আবার শূন্য রেখায় চলে যায় ওই ব্যক্তি।




