আজ থেকে রাজধানীর ৬ রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ থেকে রাজধানীর ৬ রুটে নতুন ব্যবস্থা চালু
প্রতীকী ছবি

রাজধানীতে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রবিবার (১ নভেম্বর) থেকে ৬টি রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এসব রুটে ৭৮০টি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে শুধু চারটি রুটে চলবে নন-এসি বাস। দুটি রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) ও নন-এসি বাস চালানো হবে।

রবিবার (১ নভেম্বর) ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে পুরোনো বাস দিয়েই এই সেবার যাত্রা শুরু হবে। বাসগুলো রং করে নামানো হচ্ছে। পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৬টি কোম্পানিকে।

জানা গেছে, মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত ১৭ দশমিক ১৮ কিলোমিটার রুটে ১৩৩টি বাস চালাবে চিড়িয়াখানা সিটি বাস কোম্পানি। কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর থেকে ডেমরা পর্যন্ত ২৪ দশমিক ৪৯ কিলোমিটার রুটে ৭০টি বাস পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ। এই দুটি কোম্পানির বাস ঢাকার রাস্তায় চলাচল করছে।

‎এ ছাড়া ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত ২৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার রুটে ১৫০টি বাস চালাবে ফোর স্টার বাস লাইন । ঘাটারচর থেকে উত্তরা পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার রুটে ১৯০টি বাস পরিচালনা করবে পিএনপি সিটি সার্ভিস। অন্যদিকে, টঙ্গী থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দির পর্যন্ত ২২ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার রুটে ২০টি এসি বাস পরিচালনা করবে ‘ঢাকা চাকা’ কোম্পানি ।

প্রস্তাবিত এসব রুটের কয়েকটিতে বর্তমানে একাধিক কোম্পানির বাস চলাচল করছে। এর মধ্যে রয়েছে ভিআইপি, বিকাশ, দিশারী, তানজিল, মেট্রোলিংক, রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ, রজনীগন্ধা, মালঞ্চ, সময়, মিডলাইন, পরিস্থান ও প্রজাপতি পরিবহন।

পরিবহন খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরোনো বাস দিয়ে এভাবে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু করে প্রকৃত রুট রেশনালাইজেশন সম্ভব নয়। প্রয়োজন স্বয়ংক্রিয় ভাড়া আদায়ের ব্যবস্থা, বিশেষ বাস এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা।

এর আগে, গত ৮ অক্টোবরের এক বৈঠকে রাজধানীর বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৬ মাসের মধ্যে বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ওই বৈঠকে ডিটিসিএর পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজধানীর বিদ্যমান ৯৮টি বাসের পথ বা রুট পুনর্বিন্যাস করে ৩২টি করা হবে। প্রতিটি রুটে একটি কোম্পানির অধীনে চলবে বাস। বাসের নির্ধারিত থামার স্থান (স্টপেজ), কাউন্টারভিত্তিক টিকিট, ই-টিকেটিং ও জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে বাস চলাচল। এর মধ্যে ডিটিসিএ পুরোনো বাস দিয়ে তড়িঘড়ি রুট রেশনালাইজেশন করতে যাচ্ছে।

/এসবি/