শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬৮ পূজামণ্ডপে ডিএসসিসির অনুদান

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬৮ পূজামণ্ডপে ডিএসসিসির অনুদান
নিজস্ব প্রতিবেদক

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬৮ পূজামণ্ডপে অনুদান দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবন অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে পূজা মণ্ডপগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে মোট ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের মাঝে অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, দেশকে রক্ষা করতে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে সর্বস্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ আমাদের সবার। এ দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়-আমরা সবাই বাংলাদেশি।
তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শহরজুড়ে সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের সীমানার ভেতরের সড়কবাতি সচল রাখা এবং ড্রেন-নর্দমা পরিষ্কার করার বিষয়গুলো পূজার আগেই জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা হবে। এছাড়া, পূজার তিন দিন আগে থেকে নগর ভবনে একটি সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) চালু করা হবে।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ডিএসসিসির উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, অনুদানের অর্থের পরিমাণের চেয়েও বড় বিষয় হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আজ শহরের সব পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের ডেকে এনে যে মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দিয়েছে, তা আমাদের পূজার আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার সব পূজামণ্ডপের আমন্ত্রিত প্রতিনিধিগণ এবং সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬৮ পূজামণ্ডপে অনুদান দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবন অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে পূজা মণ্ডপগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে মোট ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের মাঝে অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, দেশকে রক্ষা করতে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে সর্বস্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ আমাদের সবার। এ দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়-আমরা সবাই বাংলাদেশি।
তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শহরজুড়ে সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের সীমানার ভেতরের সড়কবাতি সচল রাখা এবং ড্রেন-নর্দমা পরিষ্কার করার বিষয়গুলো পূজার আগেই জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা হবে। এছাড়া, পূজার তিন দিন আগে থেকে নগর ভবনে একটি সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) চালু করা হবে।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ডিএসসিসির উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, অনুদানের অর্থের পরিমাণের চেয়েও বড় বিষয় হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আজ শহরের সব পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের ডেকে এনে যে মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দিয়েছে, তা আমাদের পূজার আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার সব পূজামণ্ডপের আমন্ত্রিত প্রতিনিধিগণ এবং সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬৮ পূজামণ্ডপে ডিএসসিসির অনুদান
নিজস্ব প্রতিবেদক

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬৮ পূজামণ্ডপে অনুদান দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে নগর ভবন অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে পূজা মণ্ডপগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে মোট ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের মাঝে অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, দেশকে রক্ষা করতে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে সর্বস্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ আমাদের সবার। এ দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়-আমরা সবাই বাংলাদেশি।
তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শহরজুড়ে সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের সীমানার ভেতরের সড়কবাতি সচল রাখা এবং ড্রেন-নর্দমা পরিষ্কার করার বিষয়গুলো পূজার আগেই জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা হবে। এছাড়া, পূজার তিন দিন আগে থেকে নগর ভবনে একটি সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) চালু করা হবে।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ডিএসসিসির উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, অনুদানের অর্থের পরিমাণের চেয়েও বড় বিষয় হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আজ শহরের সব পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের ডেকে এনে যে মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দিয়েছে, তা আমাদের পূজার আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার সব পূজামণ্ডপের আমন্ত্রিত প্রতিনিধিগণ এবং সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ধানমন্ডি লেকে এবার হবে ‘নজরুল সরোবর’







