মেট্রোরেলের নিচে কোনো বোমা মেলেনি: ডিএমপি

মেট্রোরেলের নিচে কোনো বোমা মেলেনি: ডিএমপি
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর মিরপুর ও ফার্মগেটে মেট্রোরেলের নিচে জনমনে আতঙ্কের জন্য বোমা সদৃশ দুটি বস্তু রাখা হয়েছে। তবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) নিশ্চিত হয়েছে সে দুটি কোনো বোমা নয়। এজন্য নগরবাসীদের আতঙ্ক না হওয়ার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু পাওয়ার খবর আসে। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের দুটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা সেখানে কোনো বোমা পায়নি। এ নিয়ে নগরবাসী যেন কোনো ধরনের আতঙ্কিত না হয় সে বিষয়ে আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে কে বা কারা এসব বস্তু রেখে দিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
পুলিশ জানায়, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ওঠা-নামার নির্দেশনামূলক বোর্ডের উপরে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখলে মানুষের মনে সন্দেহ হয়। তখন বিষয়টি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান গণমাধ্যমকে বলেন, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি পিলারের কাছে একটি বস্তা পাওয়া গেছে। সন্দেহ হওয়ায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। বস্তায় কিছু থাকতেও পারে, না-ও থাকতে পারে। কিন্তু এ নিয়ে অবহেলা তো করা যাবে না। বেলা দেড়টার দিকে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখে সেটি একটি খালি বস্তা ছিল।
এদিকে ডিএমপির সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়, প্রথম ঘটনায়, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনে বোমাসদৃশ বস্তু রয়েছে– এমন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সন্দেহজনক ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করলে এর ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি ইমেজ দেখা যায়। পরবর্তীতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে নিরাপদে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে ব্যাগটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, এর ভেতরে জর্দার একটি কৌটা ও পান ছিল। কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে, তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বস্তাকে কেন্দ্র করে বোমা সন্দেহের সৃষ্টি হলে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। ইউনিটের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, বস্তার ভেতরে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু নেই।
এর আগে, ২৪ জুলাই রাতে রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে ‘পাইপ বোমা’ উদ্ধার করে পুলিশ। সেদিন ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টোরথ যাত্রা। ওই বোমাটি পরিত্যক্ত ছাতার মধ্যে রাখা হয়েছিল।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে রাজধানীর আশুলিয়ার চারাবাগের একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার করার কথা জানায় ডিএমপি। পরে সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।

রাজধানীর মিরপুর ও ফার্মগেটে মেট্রোরেলের নিচে জনমনে আতঙ্কের জন্য বোমা সদৃশ দুটি বস্তু রাখা হয়েছে। তবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) নিশ্চিত হয়েছে সে দুটি কোনো বোমা নয়। এজন্য নগরবাসীদের আতঙ্ক না হওয়ার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু পাওয়ার খবর আসে। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের দুটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা সেখানে কোনো বোমা পায়নি। এ নিয়ে নগরবাসী যেন কোনো ধরনের আতঙ্কিত না হয় সে বিষয়ে আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে কে বা কারা এসব বস্তু রেখে দিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
পুলিশ জানায়, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ওঠা-নামার নির্দেশনামূলক বোর্ডের উপরে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখলে মানুষের মনে সন্দেহ হয়। তখন বিষয়টি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান গণমাধ্যমকে বলেন, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি পিলারের কাছে একটি বস্তা পাওয়া গেছে। সন্দেহ হওয়ায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। বস্তায় কিছু থাকতেও পারে, না-ও থাকতে পারে। কিন্তু এ নিয়ে অবহেলা তো করা যাবে না। বেলা দেড়টার দিকে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখে সেটি একটি খালি বস্তা ছিল।
এদিকে ডিএমপির সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়, প্রথম ঘটনায়, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনে বোমাসদৃশ বস্তু রয়েছে– এমন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সন্দেহজনক ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করলে এর ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি ইমেজ দেখা যায়। পরবর্তীতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে নিরাপদে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে ব্যাগটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, এর ভেতরে জর্দার একটি কৌটা ও পান ছিল। কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে, তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বস্তাকে কেন্দ্র করে বোমা সন্দেহের সৃষ্টি হলে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। ইউনিটের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, বস্তার ভেতরে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু নেই।
এর আগে, ২৪ জুলাই রাতে রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে ‘পাইপ বোমা’ উদ্ধার করে পুলিশ। সেদিন ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টোরথ যাত্রা। ওই বোমাটি পরিত্যক্ত ছাতার মধ্যে রাখা হয়েছিল।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে রাজধানীর আশুলিয়ার চারাবাগের একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার করার কথা জানায় ডিএমপি। পরে সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।

মেট্রোরেলের নিচে কোনো বোমা মেলেনি: ডিএমপি
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজধানীর মিরপুর ও ফার্মগেটে মেট্রোরেলের নিচে জনমনে আতঙ্কের জন্য বোমা সদৃশ দুটি বস্তু রাখা হয়েছে। তবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) নিশ্চিত হয়েছে সে দুটি কোনো বোমা নয়। এজন্য নগরবাসীদের আতঙ্ক না হওয়ার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু পাওয়ার খবর আসে। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের দুটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা সেখানে কোনো বোমা পায়নি। এ নিয়ে নগরবাসী যেন কোনো ধরনের আতঙ্কিত না হয় সে বিষয়ে আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে কে বা কারা এসব বস্তু রেখে দিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
পুলিশ জানায়, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ওঠা-নামার নির্দেশনামূলক বোর্ডের উপরে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখলে মানুষের মনে সন্দেহ হয়। তখন বিষয়টি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান গণমাধ্যমকে বলেন, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি পিলারের কাছে একটি বস্তা পাওয়া গেছে। সন্দেহ হওয়ায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। বস্তায় কিছু থাকতেও পারে, না-ও থাকতে পারে। কিন্তু এ নিয়ে অবহেলা তো করা যাবে না। বেলা দেড়টার দিকে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখে সেটি একটি খালি বস্তা ছিল।
এদিকে ডিএমপির সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে জানানো হয়, প্রথম ঘটনায়, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনে বোমাসদৃশ বস্তু রয়েছে– এমন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সন্দেহজনক ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করলে এর ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি ইমেজ দেখা যায়। পরবর্তীতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে নিরাপদে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে ব্যাগটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, এর ভেতরে জর্দার একটি কৌটা ও পান ছিল। কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি।
অপরদিকে, তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বস্তাকে কেন্দ্র করে বোমা সন্দেহের সৃষ্টি হলে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। ইউনিটের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, বস্তার ভেতরে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু নেই।
এর আগে, ২৪ জুলাই রাতে রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে ‘পাইপ বোমা’ উদ্ধার করে পুলিশ। সেদিন ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্টোরথ যাত্রা। ওই বোমাটি পরিত্যক্ত ছাতার মধ্যে রাখা হয়েছিল।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে রাজধানীর আশুলিয়ার চারাবাগের একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার করার কথা জানায় ডিএমপি। পরে সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়।

মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর শক্তিশালী বোমা







