ওসমান হাদির নাম সরিয়ে ঢাবির হলের ফটকে ফিরলো শেখ মুজিবুর রহমানের নাম

ওসমান হাদির নাম সরিয়ে ঢাবির হলের ফটকে ফিরলো শেখ মুজিবুর রহমানের নাম
সিজেডএন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নাম সরিয়ে আবারও লেখা হচ্ছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ নাম। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ কাজ শুরু করে হল প্রশাসন।
এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে হলের সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মো. জবান আলী জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির মুখেই মূলত এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
লিখিত কোনো আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লিখিত আবেদন আমাদের কাছে নেই। মৌখিকভাবে বারবার এসে শিক্ষার্থীরা আমাদের বিরক্ত করছে। অভিভাবকেরা বিভ্রান্ত হন। তাদের সার্টিফিকেটে এক নাম, আর বলা হচ্ছে আরেক নাম। এখন শুধু শেখ মুজিবুর রহমান হল লেখা হবে।’
এর আগে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর রাতে হলের মূল ফটক থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম সরিয়ে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লিখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। এরপর নাম পরিবর্তনের দাবিতে ঢাবি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন ডাকসু নেতারা। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ করার সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ করারও সুপারিশ করা হয়েছিল।
তবে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ কারণে ডাকসুর পাঁচ সিনেট সদস্য অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন। পরবর্তীতে প্রস্তাবটি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নাম সরিয়ে আবারও লেখা হচ্ছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ নাম। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ কাজ শুরু করে হল প্রশাসন।
এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে হলের সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মো. জবান আলী জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির মুখেই মূলত এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
লিখিত কোনো আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লিখিত আবেদন আমাদের কাছে নেই। মৌখিকভাবে বারবার এসে শিক্ষার্থীরা আমাদের বিরক্ত করছে। অভিভাবকেরা বিভ্রান্ত হন। তাদের সার্টিফিকেটে এক নাম, আর বলা হচ্ছে আরেক নাম। এখন শুধু শেখ মুজিবুর রহমান হল লেখা হবে।’
এর আগে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর রাতে হলের মূল ফটক থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম সরিয়ে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লিখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। এরপর নাম পরিবর্তনের দাবিতে ঢাবি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন ডাকসু নেতারা। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ করার সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ করারও সুপারিশ করা হয়েছিল।
তবে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ কারণে ডাকসুর পাঁচ সিনেট সদস্য অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন। পরবর্তীতে প্রস্তাবটি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

ওসমান হাদির নাম সরিয়ে ঢাবির হলের ফটকে ফিরলো শেখ মুজিবুর রহমানের নাম
সিজেডএন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নাম সরিয়ে আবারও লেখা হচ্ছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ নাম। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ কাজ শুরু করে হল প্রশাসন।
এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে হলের সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মো. জবান আলী জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির মুখেই মূলত এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
লিখিত কোনো আবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লিখিত আবেদন আমাদের কাছে নেই। মৌখিকভাবে বারবার এসে শিক্ষার্থীরা আমাদের বিরক্ত করছে। অভিভাবকেরা বিভ্রান্ত হন। তাদের সার্টিফিকেটে এক নাম, আর বলা হচ্ছে আরেক নাম। এখন শুধু শেখ মুজিবুর রহমান হল লেখা হবে।’
এর আগে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর রাতে হলের মূল ফটক থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম সরিয়ে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লিখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। এরপর নাম পরিবর্তনের দাবিতে ঢাবি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন ডাকসু নেতারা। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ করার সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ করারও সুপারিশ করা হয়েছিল।
তবে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ কারণে ডাকসুর পাঁচ সিনেট সদস্য অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন। পরবর্তীতে প্রস্তাবটি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

ডাকসুতে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি পুনঃস্থাপনের দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ মিছিল






