বদলে গেলো আবাহনী মাঠের নাম

বদলে গেলো আবাহনী মাঠের নাম
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বদলে গেছে আবাহনী মাঠের নাম। এখন থেকে মাঠটির নতুন নাম ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ। আবাহনী ক্লাবের কাছেও থাকছে না মাঠটি। লিজ বাতিল করে সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মাঠটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
আজ থেকে মাঠটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মাঠটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
একইভাবে ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের মাঠের দায়িত্বও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘মাঠ বাবদ আবাহনী ক্লাবের দুই বছরের ফি বকেয়া আছে। তারা ২০২৩ সালের পর আর ফি দেয়নি। ২০২৪ সালের ফি জমা করার রশিদ দেখা যাচ্ছে, তবে সেটা চুক্তি বাতিল করার পর দেওয়া হয়েছে।’ ধানমন্ডির এই মাঠটি ৯৯ বছরের জন্য আবাহনী ক্লাবকে দেওয়া হয়েছিল। টানা দুই বছর ফি বকেয়া থাকায় সেই চুক্তি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
ক্লাবের মাঠ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পরও আবাহনী ক্লাবের কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ধানমন্ডি মাঠের সঙ্গে নিজের খেলাধুলার স্মৃতিচারণ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘ধানমন্ডি মাঠ, যেটি আবাহনী মাঠ নামে পরিচিত, এবং ৮ নম্বরের ধানমন্ডি মাঠ দুটোতেই আমি ট্রেনিং করেছি। দুটো মাঠেই আমি খেলাধুলার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, ‘১৭ বছর ধরে আবাহনী ও ধানমন্ডি ক্লাবকে যেভাবে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের ক্ষোভ আপনারাও দেখেছেন। আমরা মনে করি, দুটো ক্লাবের অনেক ঐতিহ্য আছে, সেগুলো ধরে রাখতে হবে। স্বৈরাচারের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তারা ক্লাবের কেউ নয়। যারা ক্লাবের আসল লোক, তাদের দিয়ে ক্লাব চলবে।’
অনেক দিন ধরে আবাহনী মাঠে শেখ কামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স তৈরির কাজ থেমে আছে। এ নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অবকাঠামোগুলো ভেঙে ফেলতে চাই না। সেগুলো রেখে কীভাবে সবাইকে নিয়ে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।’

বদলে গেছে আবাহনী মাঠের নাম। এখন থেকে মাঠটির নতুন নাম ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ। আবাহনী ক্লাবের কাছেও থাকছে না মাঠটি। লিজ বাতিল করে সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মাঠটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
আজ থেকে মাঠটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মাঠটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
একইভাবে ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের মাঠের দায়িত্বও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘মাঠ বাবদ আবাহনী ক্লাবের দুই বছরের ফি বকেয়া আছে। তারা ২০২৩ সালের পর আর ফি দেয়নি। ২০২৪ সালের ফি জমা করার রশিদ দেখা যাচ্ছে, তবে সেটা চুক্তি বাতিল করার পর দেওয়া হয়েছে।’ ধানমন্ডির এই মাঠটি ৯৯ বছরের জন্য আবাহনী ক্লাবকে দেওয়া হয়েছিল। টানা দুই বছর ফি বকেয়া থাকায় সেই চুক্তি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
ক্লাবের মাঠ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পরও আবাহনী ক্লাবের কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ধানমন্ডি মাঠের সঙ্গে নিজের খেলাধুলার স্মৃতিচারণ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘ধানমন্ডি মাঠ, যেটি আবাহনী মাঠ নামে পরিচিত, এবং ৮ নম্বরের ধানমন্ডি মাঠ দুটোতেই আমি ট্রেনিং করেছি। দুটো মাঠেই আমি খেলাধুলার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, ‘১৭ বছর ধরে আবাহনী ও ধানমন্ডি ক্লাবকে যেভাবে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের ক্ষোভ আপনারাও দেখেছেন। আমরা মনে করি, দুটো ক্লাবের অনেক ঐতিহ্য আছে, সেগুলো ধরে রাখতে হবে। স্বৈরাচারের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তারা ক্লাবের কেউ নয়। যারা ক্লাবের আসল লোক, তাদের দিয়ে ক্লাব চলবে।’
অনেক দিন ধরে আবাহনী মাঠে শেখ কামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স তৈরির কাজ থেমে আছে। এ নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অবকাঠামোগুলো ভেঙে ফেলতে চাই না। সেগুলো রেখে কীভাবে সবাইকে নিয়ে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।’

বদলে গেলো আবাহনী মাঠের নাম
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বদলে গেছে আবাহনী মাঠের নাম। এখন থেকে মাঠটির নতুন নাম ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ। আবাহনী ক্লাবের কাছেও থাকছে না মাঠটি। লিজ বাতিল করে সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মাঠটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
আজ থেকে মাঠটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মাঠটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
একইভাবে ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের মাঠের দায়িত্বও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘মাঠ বাবদ আবাহনী ক্লাবের দুই বছরের ফি বকেয়া আছে। তারা ২০২৩ সালের পর আর ফি দেয়নি। ২০২৪ সালের ফি জমা করার রশিদ দেখা যাচ্ছে, তবে সেটা চুক্তি বাতিল করার পর দেওয়া হয়েছে।’ ধানমন্ডির এই মাঠটি ৯৯ বছরের জন্য আবাহনী ক্লাবকে দেওয়া হয়েছিল। টানা দুই বছর ফি বকেয়া থাকায় সেই চুক্তি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
ক্লাবের মাঠ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পরও আবাহনী ক্লাবের কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ধানমন্ডি মাঠের সঙ্গে নিজের খেলাধুলার স্মৃতিচারণ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘ধানমন্ডি মাঠ, যেটি আবাহনী মাঠ নামে পরিচিত, এবং ৮ নম্বরের ধানমন্ডি মাঠ দুটোতেই আমি ট্রেনিং করেছি। দুটো মাঠেই আমি খেলাধুলার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, ‘১৭ বছর ধরে আবাহনী ও ধানমন্ডি ক্লাবকে যেভাবে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের ক্ষোভ আপনারাও দেখেছেন। আমরা মনে করি, দুটো ক্লাবের অনেক ঐতিহ্য আছে, সেগুলো ধরে রাখতে হবে। স্বৈরাচারের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তারা ক্লাবের কেউ নয়। যারা ক্লাবের আসল লোক, তাদের দিয়ে ক্লাব চলবে।’
অনেক দিন ধরে আবাহনী মাঠে শেখ কামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স তৈরির কাজ থেমে আছে। এ নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অবকাঠামোগুলো ভেঙে ফেলতে চাই না। সেগুলো রেখে কীভাবে সবাইকে নিয়ে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।’

মায়ামিতে মেসির নতুন কীর্তি
বৃষ্টির ম্যাচে রেসিংকে গোলবন্যায় ভাসালো বার্সেলোনা






