সালমান আমার বাসার বাসন ধুয়ে দিতেও রাজি ছিলো: মেঘনা আলম

সালমান আমার বাসার বাসন ধুয়ে দিতেও রাজি ছিলো: মেঘনা আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির এক সময় আমার কষ্টে কষ্টিত হয়ে বাসার বাসন ধুয়ে দিতেও রাজি থাকত বলে জানিয়েছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
পোস্টে মেঘনা আলম লিখেন, ইউনুস আমলে, আমাকে যখন ডিবি অফিসে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন আমার ফোন-ম্যাকবুকের পাসওয়ার্ড সেখানে দেওয়া ছিল। ঘাটাঘাটি করার সময় এক তদন্ত কর্মকর্তা বলে উঠেন, ‘এই সালমান মুক্তাদির দুনিয়ার সব গেঞ্জামে কিভাবে ঢুকে পড়ে?’ প্রসঙ্গতই, সব গেঞ্জামে যখন কমন একজন থাকে, তখন গেঞ্জাম আসলে ওই ব্যক্তির ভেতরেই থাকে।
তিনি লিখেন, এই সালমান এক সময় আমার কষ্টে কষ্টিত হয়ে বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকতো। যাকে বলেছিলাম, আগে ডিপ্রেশন থেকে ঠিক হও, তারপর মিট করবো। কারণ মনে হতো, দুনিয়ার এত হতাশা আমি হিল করতে পারবো না।

মেঘনা আলম লিখেন, যে সালমানকে আর ১০টা মানুষের মতো জাজ না করে, ওর ছোট ছোট উন্নতিরও প্রশংসা করে এসেছি, সে কিনা নির্বাচনের সময় এত বড় ষড়যন্ত্র ও মিডিয়া সন্ত্রাস অতিক্রম করে আসা একমাত্র নারী প্রার্থীকে কিছু ফালতু পোস্ট করে পাবলিকের সামনে ছোট করে। তার ওপর, এক শিশুর রেপের ঘটনাতে রেপিস্টের সাফাই গায়। এসব দেখে তখনই বুঝি, এর জ্ঞানী জ্ঞানী কথাই আসলে, মাথায় কিছুই নেই। তাই আনফ্রেন্ড করে দেই।
তিনি লিখেন, আল্লাহ তার সার্বিক ভাল করুক। কিন্তু উড়ে এসে জুড়ে কেউ তার স্টুডিও ভেঙে দিয়ে গিয়েছে, আর সে নাম-চেহারা কিছুই জানে না, তার কাছে কেউ চাঁদাও চায়নি, কিন্তু সে অন্তর্যামী হয়ে জানে এটা বিএনপির কাজ? এসব আমার কাছে পানির মতো পরিষ্কার লাগছে না। সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ এমনিতেই ঘোলা জলের মাছ। এর পেছনে কোন হিডেন অ্যাজেন্ডা আছে কিনা, খোঁজ নেওয়া উচিত।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির এক সময় আমার কষ্টে কষ্টিত হয়ে বাসার বাসন ধুয়ে দিতেও রাজি থাকত বলে জানিয়েছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
পোস্টে মেঘনা আলম লিখেন, ইউনুস আমলে, আমাকে যখন ডিবি অফিসে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন আমার ফোন-ম্যাকবুকের পাসওয়ার্ড সেখানে দেওয়া ছিল। ঘাটাঘাটি করার সময় এক তদন্ত কর্মকর্তা বলে উঠেন, ‘এই সালমান মুক্তাদির দুনিয়ার সব গেঞ্জামে কিভাবে ঢুকে পড়ে?’ প্রসঙ্গতই, সব গেঞ্জামে যখন কমন একজন থাকে, তখন গেঞ্জাম আসলে ওই ব্যক্তির ভেতরেই থাকে।
তিনি লিখেন, এই সালমান এক সময় আমার কষ্টে কষ্টিত হয়ে বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকতো। যাকে বলেছিলাম, আগে ডিপ্রেশন থেকে ঠিক হও, তারপর মিট করবো। কারণ মনে হতো, দুনিয়ার এত হতাশা আমি হিল করতে পারবো না।

মেঘনা আলম লিখেন, যে সালমানকে আর ১০টা মানুষের মতো জাজ না করে, ওর ছোট ছোট উন্নতিরও প্রশংসা করে এসেছি, সে কিনা নির্বাচনের সময় এত বড় ষড়যন্ত্র ও মিডিয়া সন্ত্রাস অতিক্রম করে আসা একমাত্র নারী প্রার্থীকে কিছু ফালতু পোস্ট করে পাবলিকের সামনে ছোট করে। তার ওপর, এক শিশুর রেপের ঘটনাতে রেপিস্টের সাফাই গায়। এসব দেখে তখনই বুঝি, এর জ্ঞানী জ্ঞানী কথাই আসলে, মাথায় কিছুই নেই। তাই আনফ্রেন্ড করে দেই।
তিনি লিখেন, আল্লাহ তার সার্বিক ভাল করুক। কিন্তু উড়ে এসে জুড়ে কেউ তার স্টুডিও ভেঙে দিয়ে গিয়েছে, আর সে নাম-চেহারা কিছুই জানে না, তার কাছে কেউ চাঁদাও চায়নি, কিন্তু সে অন্তর্যামী হয়ে জানে এটা বিএনপির কাজ? এসব আমার কাছে পানির মতো পরিষ্কার লাগছে না। সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ এমনিতেই ঘোলা জলের মাছ। এর পেছনে কোন হিডেন অ্যাজেন্ডা আছে কিনা, খোঁজ নেওয়া উচিত।

সালমান আমার বাসার বাসন ধুয়ে দিতেও রাজি ছিলো: মেঘনা আলম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির এক সময় আমার কষ্টে কষ্টিত হয়ে বাসার বাসন ধুয়ে দিতেও রাজি থাকত বলে জানিয়েছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
পোস্টে মেঘনা আলম লিখেন, ইউনুস আমলে, আমাকে যখন ডিবি অফিসে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন আমার ফোন-ম্যাকবুকের পাসওয়ার্ড সেখানে দেওয়া ছিল। ঘাটাঘাটি করার সময় এক তদন্ত কর্মকর্তা বলে উঠেন, ‘এই সালমান মুক্তাদির দুনিয়ার সব গেঞ্জামে কিভাবে ঢুকে পড়ে?’ প্রসঙ্গতই, সব গেঞ্জামে যখন কমন একজন থাকে, তখন গেঞ্জাম আসলে ওই ব্যক্তির ভেতরেই থাকে।
তিনি লিখেন, এই সালমান এক সময় আমার কষ্টে কষ্টিত হয়ে বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকতো। যাকে বলেছিলাম, আগে ডিপ্রেশন থেকে ঠিক হও, তারপর মিট করবো। কারণ মনে হতো, দুনিয়ার এত হতাশা আমি হিল করতে পারবো না।

মেঘনা আলম লিখেন, যে সালমানকে আর ১০টা মানুষের মতো জাজ না করে, ওর ছোট ছোট উন্নতিরও প্রশংসা করে এসেছি, সে কিনা নির্বাচনের সময় এত বড় ষড়যন্ত্র ও মিডিয়া সন্ত্রাস অতিক্রম করে আসা একমাত্র নারী প্রার্থীকে কিছু ফালতু পোস্ট করে পাবলিকের সামনে ছোট করে। তার ওপর, এক শিশুর রেপের ঘটনাতে রেপিস্টের সাফাই গায়। এসব দেখে তখনই বুঝি, এর জ্ঞানী জ্ঞানী কথাই আসলে, মাথায় কিছুই নেই। তাই আনফ্রেন্ড করে দেই।
তিনি লিখেন, আল্লাহ তার সার্বিক ভাল করুক। কিন্তু উড়ে এসে জুড়ে কেউ তার স্টুডিও ভেঙে দিয়ে গিয়েছে, আর সে নাম-চেহারা কিছুই জানে না, তার কাছে কেউ চাঁদাও চায়নি, কিন্তু সে অন্তর্যামী হয়ে জানে এটা বিএনপির কাজ? এসব আমার কাছে পানির মতো পরিষ্কার লাগছে না। সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ এমনিতেই ঘোলা জলের মাছ। এর পেছনে কোন হিডেন অ্যাজেন্ডা আছে কিনা, খোঁজ নেওয়া উচিত।









