কারও প্রতিহিংসা জন্মালে ইসলাম কী করতে বলে

কারও প্রতিহিংসা জন্মালে ইসলাম কী করতে বলে
সিজেডএন ডেস্ক

অন্যের সাফল্য, সম্পদ, সৌন্দর্য বা কোনো নেয়ামত দেখে নিজের মনে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। সেই অনুভূতি যদি অন্যের নেয়ামত নষ্ট হয়ে যাক-এমন আকাঙ্ক্ষা
জন্ম নেয়, তখন তা হিংসা বা হাসাদ। ইসলাম এই প্রবণতা থেকে অন্তরকে মুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
হিংসা থেকে বাঁচার নির্দেশ
হিংসা মানুষের অন্তরের একটি ক্ষতিকর প্রবণতা। এটি অন্যের ভালো সহ্য করতে না পারা এবং তার ক্ষতি কামনার দিকে নিয়ে যেতে পারে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমরা পরস্পর বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষণ করো না, হিংসা করো না, একে অন্যের বিরুদ্ধাচরণ করো না। তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা; ভাই ভাই হয়ে যাও। ’ (সহিহ বুখারি: ৬০৬৫)
নিজের নেয়ামতের দিকে মনোযোগ দিন
অন্যের প্রাপ্তিকে নিজের বঞ্চনা হিসেবে দেখলে অসন্তুষ্টি বাড়তে পারে। নিজের জীবনে আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতগুলো স্মরণ করা এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের চেয়ে নিচের অবস্থানে যারা আছে, তাদের দিকে তাকাও। তোমাদের চেয়ে যারা ওপরে আছে, তাদের দিকে তাকিয়ো না। আল্লাহর নেয়ামতকে তুচ্ছ না ভাবার এটাই উত্তম পন্থা।’ (সহিহ মুসলিম: ২৯৬৩)
নিজের জন্য যা ভালোবাসেন, অন্যের জন্যও তা চান
হিংসার বিপরীত হলো অন্যের কল্যাণ কামনা করা। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই ভালোবাসে, যা সে নিজের জন্য ভালোবাসে।’ (সহিহ বুখারি: ১৩)
কারও সাফল্য দেখে মনে হিংসা জাগলে নিজেকে প্রশ্ন করা যেতে পারে- আমি নিজের জন্য যে কল্যাণ চাই, এই ব্যক্তির জন্যও কি তা চাইতে পারি? নিজের মনকে এভাবে সংশোধনের চেষ্টা হিংসা দমনে সহায়ক হতে পারে।
হিংসা নেক আমলের ক্ষতি করে
হিংসার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (স.) সতর্ক করেছেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা হিংসা নেক আমল এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেমন আগুন কাঠখণ্ড বা ঘাস খেয়ে ফেলে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৪৯০৩) তাই মনে হিংসা জন্মালে সেটিকে লালন না করে তাওবা, ইস্তেগফার এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত।
হিংসা জন্মালে কী করবেন?
মনে কারও প্রতি হিংসা জন্মালে প্রথমে সেই অনুভূতিকে লালন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যের ক্ষতি বা তার নেয়ামত নষ্ট হওয়ার কামনা করা যাবে না। নিজের প্রাপ্ত নেয়ামতগুলো স্মরণ করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে হবে। যার প্রতি হিংসা হচ্ছে, তার জন্য কল্যাণের দোয়া করতে হবে এবং কোরআনের দোয়ার মাধ্যমে অন্তর থেকে বিদ্বেষ দূর করতে হবে।

অন্যের সাফল্য, সম্পদ, সৌন্দর্য বা কোনো নেয়ামত দেখে নিজের মনে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। সেই অনুভূতি যদি অন্যের নেয়ামত নষ্ট হয়ে যাক-এমন আকাঙ্ক্ষা
জন্ম নেয়, তখন তা হিংসা বা হাসাদ। ইসলাম এই প্রবণতা থেকে অন্তরকে মুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
হিংসা থেকে বাঁচার নির্দেশ
হিংসা মানুষের অন্তরের একটি ক্ষতিকর প্রবণতা। এটি অন্যের ভালো সহ্য করতে না পারা এবং তার ক্ষতি কামনার দিকে নিয়ে যেতে পারে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমরা পরস্পর বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষণ করো না, হিংসা করো না, একে অন্যের বিরুদ্ধাচরণ করো না। তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা; ভাই ভাই হয়ে যাও। ’ (সহিহ বুখারি: ৬০৬৫)
নিজের নেয়ামতের দিকে মনোযোগ দিন
অন্যের প্রাপ্তিকে নিজের বঞ্চনা হিসেবে দেখলে অসন্তুষ্টি বাড়তে পারে। নিজের জীবনে আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতগুলো স্মরণ করা এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের চেয়ে নিচের অবস্থানে যারা আছে, তাদের দিকে তাকাও। তোমাদের চেয়ে যারা ওপরে আছে, তাদের দিকে তাকিয়ো না। আল্লাহর নেয়ামতকে তুচ্ছ না ভাবার এটাই উত্তম পন্থা।’ (সহিহ মুসলিম: ২৯৬৩)
নিজের জন্য যা ভালোবাসেন, অন্যের জন্যও তা চান
হিংসার বিপরীত হলো অন্যের কল্যাণ কামনা করা। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই ভালোবাসে, যা সে নিজের জন্য ভালোবাসে।’ (সহিহ বুখারি: ১৩)
কারও সাফল্য দেখে মনে হিংসা জাগলে নিজেকে প্রশ্ন করা যেতে পারে- আমি নিজের জন্য যে কল্যাণ চাই, এই ব্যক্তির জন্যও কি তা চাইতে পারি? নিজের মনকে এভাবে সংশোধনের চেষ্টা হিংসা দমনে সহায়ক হতে পারে।
হিংসা নেক আমলের ক্ষতি করে
হিংসার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (স.) সতর্ক করেছেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা হিংসা নেক আমল এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেমন আগুন কাঠখণ্ড বা ঘাস খেয়ে ফেলে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৪৯০৩) তাই মনে হিংসা জন্মালে সেটিকে লালন না করে তাওবা, ইস্তেগফার এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত।
হিংসা জন্মালে কী করবেন?
মনে কারও প্রতি হিংসা জন্মালে প্রথমে সেই অনুভূতিকে লালন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যের ক্ষতি বা তার নেয়ামত নষ্ট হওয়ার কামনা করা যাবে না। নিজের প্রাপ্ত নেয়ামতগুলো স্মরণ করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে হবে। যার প্রতি হিংসা হচ্ছে, তার জন্য কল্যাণের দোয়া করতে হবে এবং কোরআনের দোয়ার মাধ্যমে অন্তর থেকে বিদ্বেষ দূর করতে হবে।

কারও প্রতিহিংসা জন্মালে ইসলাম কী করতে বলে
সিজেডএন ডেস্ক

অন্যের সাফল্য, সম্পদ, সৌন্দর্য বা কোনো নেয়ামত দেখে নিজের মনে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। সেই অনুভূতি যদি অন্যের নেয়ামত নষ্ট হয়ে যাক-এমন আকাঙ্ক্ষা
জন্ম নেয়, তখন তা হিংসা বা হাসাদ। ইসলাম এই প্রবণতা থেকে অন্তরকে মুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
হিংসা থেকে বাঁচার নির্দেশ
হিংসা মানুষের অন্তরের একটি ক্ষতিকর প্রবণতা। এটি অন্যের ভালো সহ্য করতে না পারা এবং তার ক্ষতি কামনার দিকে নিয়ে যেতে পারে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমরা পরস্পর বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব পোষণ করো না, হিংসা করো না, একে অন্যের বিরুদ্ধাচরণ করো না। তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা; ভাই ভাই হয়ে যাও। ’ (সহিহ বুখারি: ৬০৬৫)
নিজের নেয়ামতের দিকে মনোযোগ দিন
অন্যের প্রাপ্তিকে নিজের বঞ্চনা হিসেবে দেখলে অসন্তুষ্টি বাড়তে পারে। নিজের জীবনে আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতগুলো স্মরণ করা এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের চেয়ে নিচের অবস্থানে যারা আছে, তাদের দিকে তাকাও। তোমাদের চেয়ে যারা ওপরে আছে, তাদের দিকে তাকিয়ো না। আল্লাহর নেয়ামতকে তুচ্ছ না ভাবার এটাই উত্তম পন্থা।’ (সহিহ মুসলিম: ২৯৬৩)
নিজের জন্য যা ভালোবাসেন, অন্যের জন্যও তা চান
হিংসার বিপরীত হলো অন্যের কল্যাণ কামনা করা। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই ভালোবাসে, যা সে নিজের জন্য ভালোবাসে।’ (সহিহ বুখারি: ১৩)
কারও সাফল্য দেখে মনে হিংসা জাগলে নিজেকে প্রশ্ন করা যেতে পারে- আমি নিজের জন্য যে কল্যাণ চাই, এই ব্যক্তির জন্যও কি তা চাইতে পারি? নিজের মনকে এভাবে সংশোধনের চেষ্টা হিংসা দমনে সহায়ক হতে পারে।
হিংসা নেক আমলের ক্ষতি করে
হিংসার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (স.) সতর্ক করেছেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা হিংসা নেক আমল এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেমন আগুন কাঠখণ্ড বা ঘাস খেয়ে ফেলে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৪৯০৩) তাই মনে হিংসা জন্মালে সেটিকে লালন না করে তাওবা, ইস্তেগফার এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত।
হিংসা জন্মালে কী করবেন?
মনে কারও প্রতি হিংসা জন্মালে প্রথমে সেই অনুভূতিকে লালন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যের ক্ষতি বা তার নেয়ামত নষ্ট হওয়ার কামনা করা যাবে না। নিজের প্রাপ্ত নেয়ামতগুলো স্মরণ করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে হবে। যার প্রতি হিংসা হচ্ছে, তার জন্য কল্যাণের দোয়া করতে হবে এবং কোরআনের দোয়ার মাধ্যমে অন্তর থেকে বিদ্বেষ দূর করতে হবে।








-CznNewsLab-07cdb0-480x270.webp)
