তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন: নাহিদ ইসলাম

তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন: নাহিদ ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়, মানবাধিকার তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়। তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। ‘বিএনপি সরকার কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক আইন পাস, বিরোধী মত দমন ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণের প্রতিবাদ’ এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে তারেক রহমানের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা তারেক রহমানকে বলবো, দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনি সঠিক পথে আসুন, গণতন্ত্রের পথে আসুন। আমরা জানি ন্যাড়া বেলতলা একবার যায়, কিন্তু তারেক রহমান বার বার যায়।’
দুর্নীতি দমন কার্যক্রমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি দুর্নীতি এবং দুদককে নিয়ে নতুন কাণ্ড শুরু হয়েছে। দুদককেও আপনারা সংস্কার করেননি। সাত মাস পরে দুদক পুনর্গঠন করে এনসিপিকে টার্গেট করেছেন, বিরোধী দলকে টার্গেট করছেন। যদি সাহস থাকে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির অভিযোগগুলো আপনারা তদন্ত করুন, যখন বার বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘দুর্নীতি কারা করে দেশের মানুষ জানে। বাংলাদেশের মানুষ ক্ষমা করে আপনাদেরকে ক্ষমতায় এনেছিল। আপনারা সেই দুদককে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন, আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন। ব্যবহার করতে থাকুন। দুদক শেখ হাসিনা ধ্বংস করেছিল, আপনাদের কাজ ছিল সেটা গড়ে তোলা। আপনারা সেটা গড়ে তোলেননি, শেখ হাসিনার কায়দায় যাচ্ছেন।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা যে গণঅভ্যুত্থান করেছিলাম, যে লড়াই করেছিলাম দেশের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য, সেই গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার এখনো এই দেশে নিশ্চিত হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু এখনো মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি।’
মিরাজ শেখের নিখোঁজের ঘটনা প্রসঙ্গে টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজকে আমরা আপনাদের সামনে বলতে চাই, মিরাজ শেখ কোথায়? পাঁচ মাস হয়ে গেলো, কেন মিরাজ শেখের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না? পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি এবং পরে করা সাধারণ ডায়েরিতেও কোস্ট গার্ডের নাম যুক্ত করা হয়নি। অথচ এই সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন, সরকারের বিগত সাত মাসে নাকি একটিও গুম হয়নি। মিরাজ শেখের গুমের ঘটনা পুরো বিশ্ববাসী এখন জানে।’
সালাউদ্দিন তানভীর ও গাজীপুরের সিফাতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘কাউকে অপমান, সমালোচনা বা মিম তৈরি করা সন্ত্রাসবাদ নয়।’
এ সময় হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তারেক রহমানের অওকাত (সামর্থ্য) নাই শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচার হবে। তার বহু আগেই এদেশের জনগণ রাজপথ প্রকম্পিত করবে এবং তারেক রহমানের এই স্বৈরাচারী প্রবণতাকে, বিএনপির স্বৈরাচারী প্রবণতাকে রুখে দেবে।’
মানববন্ধনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও প্রধান সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়, মানবাধিকার তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়। তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। ‘বিএনপি সরকার কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক আইন পাস, বিরোধী মত দমন ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণের প্রতিবাদ’ এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে তারেক রহমানের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা তারেক রহমানকে বলবো, দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনি সঠিক পথে আসুন, গণতন্ত্রের পথে আসুন। আমরা জানি ন্যাড়া বেলতলা একবার যায়, কিন্তু তারেক রহমান বার বার যায়।’
দুর্নীতি দমন কার্যক্রমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি দুর্নীতি এবং দুদককে নিয়ে নতুন কাণ্ড শুরু হয়েছে। দুদককেও আপনারা সংস্কার করেননি। সাত মাস পরে দুদক পুনর্গঠন করে এনসিপিকে টার্গেট করেছেন, বিরোধী দলকে টার্গেট করছেন। যদি সাহস থাকে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির অভিযোগগুলো আপনারা তদন্ত করুন, যখন বার বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘দুর্নীতি কারা করে দেশের মানুষ জানে। বাংলাদেশের মানুষ ক্ষমা করে আপনাদেরকে ক্ষমতায় এনেছিল। আপনারা সেই দুদককে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন, আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন। ব্যবহার করতে থাকুন। দুদক শেখ হাসিনা ধ্বংস করেছিল, আপনাদের কাজ ছিল সেটা গড়ে তোলা। আপনারা সেটা গড়ে তোলেননি, শেখ হাসিনার কায়দায় যাচ্ছেন।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা যে গণঅভ্যুত্থান করেছিলাম, যে লড়াই করেছিলাম দেশের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য, সেই গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার এখনো এই দেশে নিশ্চিত হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু এখনো মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি।’
মিরাজ শেখের নিখোঁজের ঘটনা প্রসঙ্গে টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজকে আমরা আপনাদের সামনে বলতে চাই, মিরাজ শেখ কোথায়? পাঁচ মাস হয়ে গেলো, কেন মিরাজ শেখের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না? পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি এবং পরে করা সাধারণ ডায়েরিতেও কোস্ট গার্ডের নাম যুক্ত করা হয়নি। অথচ এই সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন, সরকারের বিগত সাত মাসে নাকি একটিও গুম হয়নি। মিরাজ শেখের গুমের ঘটনা পুরো বিশ্ববাসী এখন জানে।’
সালাউদ্দিন তানভীর ও গাজীপুরের সিফাতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘কাউকে অপমান, সমালোচনা বা মিম তৈরি করা সন্ত্রাসবাদ নয়।’
এ সময় হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তারেক রহমানের অওকাত (সামর্থ্য) নাই শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচার হবে। তার বহু আগেই এদেশের জনগণ রাজপথ প্রকম্পিত করবে এবং তারেক রহমানের এই স্বৈরাচারী প্রবণতাকে, বিএনপির স্বৈরাচারী প্রবণতাকে রুখে দেবে।’
মানববন্ধনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও প্রধান সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন: নাহিদ ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়, মানবাধিকার তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়। তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। ‘বিএনপি সরকার কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক আইন পাস, বিরোধী মত দমন ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণের প্রতিবাদ’ এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে তারেক রহমানের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা তারেক রহমানকে বলবো, দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনি সঠিক পথে আসুন, গণতন্ত্রের পথে আসুন। আমরা জানি ন্যাড়া বেলতলা একবার যায়, কিন্তু তারেক রহমান বার বার যায়।’
দুর্নীতি দমন কার্যক্রমের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি দুর্নীতি এবং দুদককে নিয়ে নতুন কাণ্ড শুরু হয়েছে। দুদককেও আপনারা সংস্কার করেননি। সাত মাস পরে দুদক পুনর্গঠন করে এনসিপিকে টার্গেট করেছেন, বিরোধী দলকে টার্গেট করছেন। যদি সাহস থাকে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুর্নীতির অভিযোগগুলো আপনারা তদন্ত করুন, যখন বার বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।’
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘দুর্নীতি কারা করে দেশের মানুষ জানে। বাংলাদেশের মানুষ ক্ষমা করে আপনাদেরকে ক্ষমতায় এনেছিল। আপনারা সেই দুদককে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন, আমাদের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন। ব্যবহার করতে থাকুন। দুদক শেখ হাসিনা ধ্বংস করেছিল, আপনাদের কাজ ছিল সেটা গড়ে তোলা। আপনারা সেটা গড়ে তোলেননি, শেখ হাসিনার কায়দায় যাচ্ছেন।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা যে গণঅভ্যুত্থান করেছিলাম, যে লড়াই করেছিলাম দেশের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য, সেই গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার এখনো এই দেশে নিশ্চিত হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু এখনো মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি।’
মিরাজ শেখের নিখোঁজের ঘটনা প্রসঙ্গে টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজকে আমরা আপনাদের সামনে বলতে চাই, মিরাজ শেখ কোথায়? পাঁচ মাস হয়ে গেলো, কেন মিরাজ শেখের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না? পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি এবং পরে করা সাধারণ ডায়েরিতেও কোস্ট গার্ডের নাম যুক্ত করা হয়নি। অথচ এই সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন, সরকারের বিগত সাত মাসে নাকি একটিও গুম হয়নি। মিরাজ শেখের গুমের ঘটনা পুরো বিশ্ববাসী এখন জানে।’
সালাউদ্দিন তানভীর ও গাজীপুরের সিফাতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘কাউকে অপমান, সমালোচনা বা মিম তৈরি করা সন্ত্রাসবাদ নয়।’
এ সময় হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তারেক রহমানের অওকাত (সামর্থ্য) নাই শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচার হবে। তার বহু আগেই এদেশের জনগণ রাজপথ প্রকম্পিত করবে এবং তারেক রহমানের এই স্বৈরাচারী প্রবণতাকে, বিএনপির স্বৈরাচারী প্রবণতাকে রুখে দেবে।’
মানববন্ধনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও প্রধান সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশ পরিচালনা করতে যাচ্ছে সরকার: নাহিদ ইসলাম






