১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে অনেক বেশি মানুষের তথ্য: এলজিআরডি মন্ত্রী

১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে অনেক বেশি মানুষের তথ্য: এলজিআরডি মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন জাতীয় প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার সঙ্গে নিবন্ধন তথ্যভান্ডারের তথ্যের বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেছেন, প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষের তথ্য থাকা উদ্বেগের বিষয়। এ ধরনের অসঙ্গতি দূর করে নিবন্ধন ব্যবস্থাকে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা আমাদের দায়িত্ব। জনগণ সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। স্থানীয় সরকারের কোনো প্রতিনিধি তাদের কাজে ব্যর্থ হলে সেটির দায় শেষ পর্যন্ত সরকারের ওপরই বর্তায়।
তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাজের পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা অফিসে প্রবেশ করলে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ বছর নিশ্চিতভাবে চাকরি করতে পারেন। কিন্তু জনগণ দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদের সীমা মাত্র ৫ বছর। ৫ বছর পর আবারও জনগণের মুখোমুখি হতে হয় এবং কাজের প্রমাণ দিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হতে হয়। ফলে আমাদের কাজের গুরুত্ব ও জবাবদিহিতা অনেক বেশি।
গ্রামীণ এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষ একটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে দিনের পর দিন ঘুরেও সনদ পান না। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার, তাই জনগণের সুবিধা-অসুবিধা দেখাই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন, ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা, ইউনিসেফ বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন জাতীয় প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার সঙ্গে নিবন্ধন তথ্যভান্ডারের তথ্যের বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেছেন, প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষের তথ্য থাকা উদ্বেগের বিষয়। এ ধরনের অসঙ্গতি দূর করে নিবন্ধন ব্যবস্থাকে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা আমাদের দায়িত্ব। জনগণ সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। স্থানীয় সরকারের কোনো প্রতিনিধি তাদের কাজে ব্যর্থ হলে সেটির দায় শেষ পর্যন্ত সরকারের ওপরই বর্তায়।
তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাজের পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা অফিসে প্রবেশ করলে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ বছর নিশ্চিতভাবে চাকরি করতে পারেন। কিন্তু জনগণ দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদের সীমা মাত্র ৫ বছর। ৫ বছর পর আবারও জনগণের মুখোমুখি হতে হয় এবং কাজের প্রমাণ দিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হতে হয়। ফলে আমাদের কাজের গুরুত্ব ও জবাবদিহিতা অনেক বেশি।
গ্রামীণ এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষ একটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে দিনের পর দিন ঘুরেও সনদ পান না। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার, তাই জনগণের সুবিধা-অসুবিধা দেখাই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন, ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা, ইউনিসেফ বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে অনেক বেশি মানুষের তথ্য: এলজিআরডি মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন জাতীয় প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার সঙ্গে নিবন্ধন তথ্যভান্ডারের তথ্যের বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেছেন, প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষের তথ্য থাকা উদ্বেগের বিষয়। এ ধরনের অসঙ্গতি দূর করে নিবন্ধন ব্যবস্থাকে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করতে হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা আমাদের দায়িত্ব। জনগণ সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। স্থানীয় সরকারের কোনো প্রতিনিধি তাদের কাজে ব্যর্থ হলে সেটির দায় শেষ পর্যন্ত সরকারের ওপরই বর্তায়।
তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাজের পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা অফিসে প্রবেশ করলে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ বছর নিশ্চিতভাবে চাকরি করতে পারেন। কিন্তু জনগণ দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদের সীমা মাত্র ৫ বছর। ৫ বছর পর আবারও জনগণের মুখোমুখি হতে হয় এবং কাজের প্রমাণ দিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হতে হয়। ফলে আমাদের কাজের গুরুত্ব ও জবাবদিহিতা অনেক বেশি।
গ্রামীণ এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষ একটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে দিনের পর দিন ঘুরেও সনদ পান না। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার, তাই জনগণের সুবিধা-অসুবিধা দেখাই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন, ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা, ইউনিসেফ বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিএনপি আইনের শাসনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে: মঈন খান







