পরিচ্ছন্নতা খাতে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ

পরিচ্ছন্নতা খাতে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪ হাজার ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঘোষিত বাজেটে পরিচ্ছন্নতা খাতের জন্য ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে বাজেট ঘোষণা করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
বাজেট ঘোষণায় প্রশাসক জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা খাতে বরাদ্দ ছিল ৯০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ ছিল ৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এবার সেই বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩২৭ কোটি টাকা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, 'ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক শিফট পদ্ধতিতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সড়কে কোন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন, তা তদারকির জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।
আবদুস সালাম বলেন, নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে ‘বিডি ক্লিন’ ও সাজেদা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মতিঝিল এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে সিটি ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শ গ্রহণে চালু করা হয়েছে ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপ ও হটলাইন। পাশাপাশি নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করছে ডিএসসিসি।
বাজেটে আরও জানানো হয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নান্দনিকতা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ছয়টি এসটিএসকে আধুনিক ও স্যানিটেশন–সুবিধাসম্পন্ন স্থাপনায় রূপান্তর করা হয়েছে।
এ ছাড়া মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে মিথেন গ্যাসজনিত অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে মাটির আচ্ছাদন দেওয়া হয়েছে। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে ‘রিসোর্স সার্কুলেশন পার্কে’ রূপান্তর করা হয়েছে এবং সেখানে একটি অত্যাধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্টও উদ্বোধন করা হয়েছে বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪ হাজার ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঘোষিত বাজেটে পরিচ্ছন্নতা খাতের জন্য ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে বাজেট ঘোষণা করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
বাজেট ঘোষণায় প্রশাসক জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা খাতে বরাদ্দ ছিল ৯০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ ছিল ৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এবার সেই বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩২৭ কোটি টাকা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, 'ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক শিফট পদ্ধতিতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সড়কে কোন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন, তা তদারকির জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।
আবদুস সালাম বলেন, নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে ‘বিডি ক্লিন’ ও সাজেদা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মতিঝিল এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে সিটি ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শ গ্রহণে চালু করা হয়েছে ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপ ও হটলাইন। পাশাপাশি নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করছে ডিএসসিসি।
বাজেটে আরও জানানো হয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নান্দনিকতা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ছয়টি এসটিএসকে আধুনিক ও স্যানিটেশন–সুবিধাসম্পন্ন স্থাপনায় রূপান্তর করা হয়েছে।
এ ছাড়া মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে মিথেন গ্যাসজনিত অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে মাটির আচ্ছাদন দেওয়া হয়েছে। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে ‘রিসোর্স সার্কুলেশন পার্কে’ রূপান্তর করা হয়েছে এবং সেখানে একটি অত্যাধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্টও উদ্বোধন করা হয়েছে বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।

পরিচ্ছন্নতা খাতে ডিএসসিসির ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪ হাজার ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঘোষিত বাজেটে পরিচ্ছন্নতা খাতের জন্য ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে বাজেট ঘোষণা করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
বাজেট ঘোষণায় প্রশাসক জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা খাতে বরাদ্দ ছিল ৯০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। পরবর্তীতে সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ ছিল ৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এবার সেই বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩২৭ কোটি টাকা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, 'ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক শিফট পদ্ধতিতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট সড়কে কোন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন, তা তদারকির জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।
আবদুস সালাম বলেন, নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে ‘বিডি ক্লিন’ ও সাজেদা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মতিঝিল এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে সিটি ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শ গ্রহণে চালু করা হয়েছে ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপ ও হটলাইন। পাশাপাশি নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করছে ডিএসসিসি।
বাজেটে আরও জানানো হয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নান্দনিকতা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ছয়টি এসটিএসকে আধুনিক ও স্যানিটেশন–সুবিধাসম্পন্ন স্থাপনায় রূপান্তর করা হয়েছে।
এ ছাড়া মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে মিথেন গ্যাসজনিত অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে মাটির আচ্ছাদন দেওয়া হয়েছে। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে ‘রিসোর্স সার্কুলেশন পার্কে’ রূপান্তর করা হয়েছে এবং সেখানে একটি অত্যাধুনিক কম্পোস্ট প্ল্যান্টও উদ্বোধন করা হয়েছে বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।









